☬নমস্কার সবাইকে☬
হ্যালো বন্ধুরা,
| কেমন আছেন সবাই আপনারা... ? আশাকরি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন। প্রত্যেকে তার পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। আজকের নতুন একটা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। |
কাল ব্রাজিল টিম হারার পর থেকে আমার মন একদমই খারাপ না, যদিও আমি হালকা পাতলা ব্রাজিল টিম সাপোর্ট করি। তবে কালকে তারা যেরকম খেলল, আমার মনে হয় না এরকম খেললে কখনো বিশ্বকাপ জেতা যায়। যাই হোক তাদের নিয়ে আর কোন কথা বলবো না। ফিরে আসি আমার আজকের প্রসঙ্গে। গতকাল আমার ভাইয়ের জন্মদিন ছিল। যদিও আজকের এই পোস্টটা গতকাল করা উচিত ছিল তবে কাল সারাদিন এতটাই ব্যস্ত ছিলাম এইসব নিয়ে যে, পোস্ট করার সময় পায়নি। তবে চিন্তা করেছিলাম যে জন্মদিনের সমস্ত অ্যারেঞ্জমেন্ট গুছিয়ে তারপর দুটো পোস্ট তৈরি করব। একটা জন্মদিনের প্রস্তুতি এবং অন্যটা খাওয়া-দাওয়া। আজকে জন্মদিন নিয়ে লেখা আমার প্রথম পর্ব অর্থাৎ জন্মদিনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলব এবং কিছু ফটো শেয়ার করো।

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যেহেতু বাড়ির বড় ছেলে আমি, তাই সব ধরনের গুরু দায়িত্ব সবসময় আমার ঘাড়ে এসেই পড়ে। আমি ফ্রি আছি কিনা বা আমার কোন সমস্যা আছে কিনা এগুলো দেখার কোন দরকারই পড়ে না আমার ফ্যামিলির। তাদের মোটামুটি একটা ধারণা হয়ে গেছে যে, বাড়ির বড় ছেলে সব ধরনের কাজ করে। যাই হোক কি আর করা যাবে সকাল থেকেই দৌড়াদৌড়ি করছিলাম। ডেকোরেশনের কাজ করা, তারপর ছাদের উপরে রান্নাবান্না ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা সেগুলো দেখাশোনা করা। এবার কথা বলবো রান্নাবান্না নিয়ে টুকটাক কেলেঙ্কারি। আমরা তো বাঙাল তাই কোন তরকারিতে আমরা খুব বেশি একটা চিনি পছন্দ করি না। তবে ঘটির আবার চিনি খায় বেশি তরকারিতে। হঠাৎ করেই আমার কাকু আমাকে বলল যে মাংসের ভিতরে নাকি এক খাবলা চিনি দিয়েছে। ছাদের উপরে গিয়ে দেখি সত্যিই তো তাই, রীতিমতো মাংস খেতে মিষ্টি হয়ে গেছে। এবার কথা হচ্ছে মাংসের মধ্যে মিষ্টি খেয়ে খায় ভাই। বেশ খানিকটা গুজামিল দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হলো। এরপর থেকে মোটামুটি আমি ছাদের উপরেই ছিলাম সমস্ত রান্নাবান্না অবজারভ করছিলাম।

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যাইহোক সুষ্ঠুভাবে রান্না বান্না হলো শেষ পর্যন্ত। এরপর দেখলাম নিচে উলুর ধ্বনির শব্দ হচ্ছে। কাকু আমাকে নিচের থেকে ডেকে নিয়ে গেল ভাইকে আশীর্বাদ করার জন্য। যাই হোক তার আগেই কাকু, কাকিমা এবং আমার বাবা-মা, ঠাকুরমা সবাই ভাইকে আশীর্বাদ করলো। এরপর আসলো তাদের খাওয়া দাওয়ার পালা। যেহেতু জন্মদিনে স্পেশাল খাবার দাবার আয়োজন করা হয় বার্থডে বয়ের জন্য, তাই তাকে তার পছন্দমত খাবার সামনে বেড়ে দেওয়া হলো এবং পাশাপাশি তার কিছু বন্ধুবান্ধব বসিয়ে দেয়া হলো জন্য আর তাদের জন্যও খাবারের বন্দোবস্ত করা হলো। মোটামুটি তাদের খাওয়া-দাওয়া শেষ হতে না হতেই কাকিমা আমাকে ডেকে বলল বাবা এবার বেলুনগুলো একটু ফোলাও। সারাদিন কষ্ট করে এই কথা শোনার জন্য আমি একদমই প্রস্তুত ছিলাম না। তবে আমি কাকিমার কথা কখনোই ফেলি না, তাই যতই কষ্ট হোক না কেন, মোটামুটি সেই কাজে নেমে পড়লাম। প্রায় ২০০ এর মতো বেলুন ফোলাতে হবে এখন আমাকে। চিন্তা করে দেখেন একবার কত কষ্ট হয়েছিল আমার এই কাজ করতে। এদিকে আমাকে যে কেউ একজন হেল্প করবে তেমন কাউকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। যাইহোক যখন একদমই কিছুই হচ্ছিল না, তখন ছোট একটা বাচ্চাকে কলার ধরে এনে আমার পাশে বসালাম। অন্তত টাইম পাস করার মত একজন তো হলো।

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যাইহোক সব কাজ শেষ করতে মোটামুটি আমার আরো দুই ঘন্টা মত সময় লেগেছিল। এদিকে আমার হাতে এবং মুখে ব্যথা হয়ে গেছে এসব করতে করতে। এরপর আমার ছোট ভাইয়ের একগাদা বন্ধু-বান্ধব কোথা থেকে এসে হাজির হলো এবং তারা রীতিমতো বেলুনগুলো নিয়ে কাড়াকাড়ি করে নিজেদের মতো করে ঘর সাজানো শুরু করে দিল। এবার আমি একটু নিশ্চিত হলাম, কারণ কাকিমা এসব দায়িত্ব আমার উপর দিয়েছিল তবে এই বাচ্চাগুলো নিজ দায়িত্বে সেগুলো নিজেদের ঘাড়ে নিয়ে নিয়েছে, এটা আমার জন্য বেশ সুবিধাজনক ছিল। যাইহোক সারাদিনে মোটামুটি খাওয়ার সময় পায়নি, পরবর্তীতে বিকাল চারটার সময় আমি সকালের খাবার খাই। এরপর তো আরো অনেক কিছু বাকি আছে, কারণ সন্ধ্যা হতে না হতেই ঘরে অতিথিরা চলে আসবে, তাদের আবার দেখাশোনা করতে হবে। সব মিলিয়ে বেশ চিন্তার মধ্যে ছিলাম।

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.

স্থান:বারাসাত, ইন্ডিয়া।
ক্যামেরা: স্যামসাং।
মডেল: M31s.
যাইহোক আজকের পর্ব এই পর্যন্তই ছিল। আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে আজকের পর্বটি। আর ভালো লাগলে অবশ্যই একটি কমেন্ট করতে ভুলবেন না। কারণ আপনাদের একটি কমেন্ট আমাকে নতুন এবং ভালো কিছু করার উৎসাহ যোগায়। ভালো থাকবেন সবাই।
🕉️ধন্যবাদ সবাইকে🕉️
প্রথমেই আপনার ভাইয়ের জন্য জন্মদিনের শুভেচ্ছা, শুভ জন্মদিন। আশা করছি অনেক ভালো হবে জন্মদিন কেটেছে। সত্যি কথা বলতে আপনাদের জন্মদিনের খাবার গুলো দেখে আর লোভ সামলাতে পারিনা। এত পদের রান্না থাকে, এত পদের তরকারি থেকে জিভে জল চলে আসে। তারপরও আপনাদের সকলের জন্য শুভকামনা রইলো। আশা করছি আমারও জন্মদিন আমার পরিবারের লোকজন এবং ভাইব্রাদারের ভাবেই উদযাপন করবে। হাহাহা।।
ইন্ডিয়াতে বিয়ে হোক বা জন্মদিন এদের আয়োজন গুলো থাকে বেশ বড়সড়ো করে এবং খাবারের মেনুও থাকে বেশ কয়েক প্রকার। আমি তো বিয়ে বাড়িতে গেলে অধিকাংশ আইটেম খেতে পারি না শুধু স্পেশাল আইটেমগুলোই খাই। তবে আমার ভাইয়ের জন্ম দিনে খুব বেশি একটা আয়োজন করা হয়েছিল না। পরবর্তী পর্বে বাকি বিষয়গুলো সব তুলে ধরব। আর জন্মদিনে উইশ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সিয়াম ভাই। 😊
প্রথমেই আপনার ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা এবং দেখতে পাচ্ছি খুব জমজমাট করে এবং খুব চমৎকার কিছু উপায়ে এই জন্মদিনের আয়োজন করতেছেন। দেখে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই, পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য ভালো থাকবেন।
প্রথমে জানাই তোমার ছোট ভাইয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন৷ তার আগামী দিনগুলো অনেক রঙ্গিন এবং কি সুন্দর হোক ৷ জন্মদিনের প্রস্তুতিটা বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন তাহলে ৷ আর তাও আবার বাড়ির বড় ছেলে বলে কথা৷ এটা বাস্তব যে প্রতিটি পরিবারের বড় ছেলেদের অনেক দায়িত্ব থাকে৷ যেটা আপনি পালন করেছেন৷ এ পর দেখলাম যে আপনি ২০০ বেলুন মুখ দিয়ে হাওয়া এটা কম কথা ৷
যা হোক অনেক ভালো লাগলো ৷ অনেক ধন্যবাদ দাদা
বেলুন ফুলানোর কি যেনো একটা এনেছিল এই জন্য খুব বেশি একটা কষ্ট হয়নি। তবে বড় ছেলে হিসেবে আমার উপর যে দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল, সেটা করতেই আমি হাপিয়ে গেছিলাম রে ভাই।
জন্মদিনের অনেক শুভেচছা আপনার ভাইয়াকে। বড় ছেলে হলে আসলে অনেক দায়িত্ব। আর আপনি সুন্দরভাবে তা ও করলেন দেখে অনেক ভাল লাগলো। এতো গুলো বেলুন ফোলানো সত্যি সম্ভব নয়।তারপরেও কাজটি করলেন। অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য ভাইয়া।
বেলুন ফুলানোর জন্য কি জানো একটা এনেছিল, সেই জন্য খুব বেশি একটা কষ্ট হয়নি। অল্প সময়ের ভিতরেই কাজ হয়ে গেছিল। ধন্যবাদ আপু পোস্ট পড়ে এত সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
রঙিন আপনার ভাই হয়? ও সেদিন বলল যে ভাই না। আমি আগে ভাবতাম আপনারা জমজ। ভাইকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই। এটা কিন্তু একদম ঠিক যে ঘটিরা রান্নায় মিষ্টি টা পছন্দ করে। ফলে আমাদের বাঙালদের বাড়ি কোন ঘটি ঠাকুর রান্না করতে আসলে কেলেঙ্কারি হয়। 😁 তবে চিংড়ি দেখে খুব লোভ লাগছে!
ছোট বেলা থেকে তো তাই জানি।🤭
অনেকটা ওই রকমই। আপনার ধারণা একেবারে ভুল না।
এখনো আছে, খেয়ে যেতে পারেন।
এই সাজানোর কাজে আমার আগেই যাওয়া উচিত ছিল কিন্তু আমার একটু কাজ এর জন্য যেতে পরিনি। আমি যখন গেছিলাম সাজানো যদিও হয়ে গেছিলো। যাইহোক ভাই এর বার্থডে সেলিব্রেশন এর সাজানো বেশ সুন্দর হয়েছিল।
তোকে তো কাজের সময় কখনই পাওয়া যায় না। এরপর থেকে আগে আগে গিয়ে কাজ করবি। আমার উপর দিয়ে যত ঝড় বয়ে যায়।
প্রথমেই আপনার ভাইয়ের জন্য জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল, শুভ জন্মদিন। বড় ভাই হিসাবে তো আপনার একটি দায়িত্ব আছে তাই সবাই আপনার উপরে ডিপেন্ড করে। আপনি যখন বিকাল চারটার সময় সকালের খাবার খেয়েছেন তার মানে আপনার উপর দিয়ে ভালই চাপ গেছে। যায়হোক সুন্দর ভাবে শেষ হোক আপনার ভাইয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান। ধন্যবাদ ভাইয়া।
শুধু সকালের খাবার বিকেল চারটায় না ভাই, রাতের খাবারও ১১:৩০ টার দিকে খেয়েছিলাম।
প্রথমেই আপনার ভাইকে জানাই শুভ জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা 💐🎂.আসলেই বড়ো ছেলেদের অনেক দায়িত্ব থাকে।তাছাড়া সকলের আশীর্বাদ করার ছবি তো দেখতে পেলাম না দাদা।তরকারীতে চিনি আমি একদম পছন্দ করি না।তার উপরে আবার মাছ-মাংসে তো মোটে ও নয়।এত কাজ করে অনেকগুলো বেলুন ফুলাতে আসলেই কষ্টকর।ধন্যবাদ দাদা।
কি জানি কি মনে করে তুলিনি।
তবে বেলুনগুলো মুখ দিয়ে ফুলাইনি। কি একটা যেন এনেছিল, ওটা দিয়ে করেছিলাম এজন্য কষ্ট একটু কম হয়েছিল।
বুঝলাম😊