ফিরে দেখা।। ১০% বেনিফেসিয়ারি @Shy-fox এর জন্য।
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
আমাদের জীবন টা শহর কেন্দ্রীক। আমি ছোট একটি মফস্বল শহরে থাকি। যেকোন প্রয়োজনে আমাদের ছুটে যেতে হয় জেলা শহর কুষ্টিয়াতে। যদিও আমার কলেজ চললে আমি প্রতিদিন কুষ্টিয়া যায়। কিন্তু এখন আমার কলেজ আপাতত বন্ধ। কিন্তু গতকাল জরুরিভাবে কিছু কাজের জন্য কুষ্টিয়া যেতে হয়। যদিও আমার কুষ্টিয়া যাওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না। ১৮ তারিখ থেকে আমার নতুন সেমিষ্টার শুরু। নতুন সেমিষ্টারের বই কুমারখালী পাওয়া যায় না। সেজন্য কুষ্টিয়া যেতে হবে। গতকাল সকাল ৯টার সময় আমার বন্ধু নাভিদ আমাকে ফোন দিয়ে বলে কুষ্টিয়া যাব। আমি তখনও ঘুম থেকে উঠি নাই। বললাম ২০ মিনিট সময় দে আমি তৈরি হয়ে নেয়। এরপর দ্রুত ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে পড়ি।
আজকে অবশ্য সকালে খুব ঠান্ডা ছিল। যাইহোক প্রথমে আমাদের পরিকল্পনা ছিল লোকাল ট্রেনে যাব কুষ্টিয়া। সেজন্য খুব দ্রুত যায় কুমারখালী রেলওয়ে স্টেশনে। কিন্তু দূভাগ্য অল্পের জন্য ট্রেনটা মিস করি। এরপর আর কী করার আমি এবং নাভিদ হাইওয়েতে যায়। এবং একটি ইজিবাইকে যাএা শুরু করি। আজ প্রায় এক সপ্তাহ পর নাভিদের সাথে দেখা। অনেক কথা জমে ছিল যেগুলো অনলাইনে বলা যায় না। গল্প করতে করতে যেতে থাকি।
| ------ | ----- |
|---|---|
| ভিডিও ধারক | @emon42 |
| ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক | অনিকেত প্রান্তর,আর্টসেল |
| স্থান | মীর মোশারফ হোসেন সেতু, কুমারখালী কুষ্টিয়া। |
কিছুক্ষণ যাওয়ার পর মীর মোশারফ সেতু। এটা গড়াই নদীর উপর অবস্থিত। গড়াই নদীর অন্য নাম মধুমতি। এটা পদ্মা নদীর প্রধান একটি শাখা। যাইহোক সেতুটার কথা মনে পড়তেই ভাবলাম একটি ভিডিও তৈরি করা যাক। কিন্তু আমার ফোনের ক্যামেরা ভালো না। তারপরেও যতটুকু পারা যায় আর কী। ভিডিওতে আপনারা কুষ্টিয়া জেলার গড়াই সেতুটা দেখতে পারছেন। বেশ পুরাতন একটি সেতু। এরপর এগিয়ে গেলাম। মোটামুটি ১০:৩০ এর দিকে আমি এবং নাভিদ কুষ্টিয়া পৌঁছায়। এরপর চলে যায় আমাদের কলেজের সামনে। ওখানেই একটি দোকান থেকে বই কিনব ঠিক করি।
প্রথমে গিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসটা একটু ঘুরে দেখি। এটা আগামীকাল শেয়ার করব। কলেজে ১৬ ই ডিসেম্বরের প্রস্তুতি চলছে। সেখানে আমার বেশ কয়েকজন বন্ধু ছিল। ওদের সাথে কিছুক্ষণ কথা বলি। এরপর আর কী চলে আসি কলেজের বাইরে বইয়ের দোকানে। রনি বুক সেন্টার থেকেই বই ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেয়। গতবারের তুলনায় এবারে বইয়ের দাম কিছুটা বেশি। দোকানদার আমাদের বেশ পরিচিত বলেন কম নেওয়া সম্ভব না। কী আর করার। ৬ টা বইয়ের দাম নেয় ১০০০ টাকা। সাথে দোকানদারের পক্ষ থেকে একটা কলম ফ্রী😄। বই কেনা শেষ। এখন কুষ্টিয়া শহরের ভেতরে আমাদের আরও কিছু কাজ আছে। এজন্য এখানে বেশিক্ষণ না থেকে আমরা চলে যায়।
আমাদের কলেজ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেও ইসলামিয়া কলেজ এবং এখানে অনেকগুলো বইয়ের দোকান। ছাএজীবনে একটু হাটাহাটি করতে হয় এতে শরীর ভালো থাকে এবং টাকা টাও বেঁচে যায় 😄😄। যাইহোক এখানে নতুন পুরাতন সব ধরনের বই পাওয়া যায়। মূলত এখানে আসা নাভিদ তার দোকানের জন্য অফসেট পেপার কিনবে। নাভিদের একটি ফটোস্ট্যাটের দোকান আছে। এখানে একটি পরিচিত দোকান থেকেই ক্রয় করা হয়। এখন সব রকম পেপারের দাম বেশি। এখানকার কাজ শেষ হলে আমরা দুজন চলে যায় কুষ্টিয়া থানামড়ে। এখানে আবার আজকে বেশ ভালো জ্যাম ছিল। তাতে আমাদের কী। আমরা তো হেঁটে গিয়েছি😄। এরপর এখানকার কাজ শেষ করি। আজকের মতো মোটামুটি কাজ শেষ। এরপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
১০% @shy-fox এর জন্য
| ----- | ----- |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @emon42 |
| ফটোগ্রাফি ডিভাইস | VIVO Y91C |
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
আমি ইমন হোসেন। আমি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় বসবাস করি। আমি একজন ছাএ। আমি কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে লেখাপড়া করি। আমি খেলাধুলা ভালোবাসি। বিশেষ আমি ফুটবল পছন্দ করি।
বাহ ভাই গড়াই নদীর সেতুর ভিডিও টা আমার অনেক ভালো লাগলো এর আগেও আমি কুষ্টিয়াতে গিয়েছি যেখানে আমি গড়ায়ে নদীটি দেখলাম গড়াই নদীটা দেখতে কিন্তু এক কথায় অসাধারণ । যখন স্টিমার এবং নৌকা চলে তখন দেখতে আরো ভালো লাগে । কুষ্টিয়া শহরে একটু ভিড় থাকলেও শহরটি কিন্তু অনেক সুন্দর ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
একেবারে যথার্থ বলেছেন ভাই। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।।
মাঝে মধ্যে হঠাৎ কাজের জন্য কোন প্ল্যান প্রোগ্রাম ছাড়া বের হতে হয়। আমার বন্ধু মাঝে মধ্যে কল দিলে স্কুল প্রাংগনে উপস্থিত হই। আপনার পোস্টটা অনেক সুন্দর হয়েছে। ছবিগুলো বেশ দারুণ হয়েছে। পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে
আপনাকেউ ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।।
যাইহোক আমি আর কিছু বললাম না। বললে অনেক কিছুই বলা যেত। ধন্যবাদ 🙂।
সত্যি কথা বলতে কি ভাইয়া অনেকদিন পর নিজের কলেজে গেলে একটা আলাদা ভালোলাগা কাজ করে ।একটা অনুভূতি কাজ করে একটা মায়া কাজ করে। আমি যখন বাসায় যাইতাম মাঝে মাঝেই বন্ধুদের সাথে নিয়ে আমার প্রিয় কলেজ প্রাঙ্গণে যেতাম আড্ডা দিতাম কিন্তু প্রায় দুই বছর হলো আমি আমার কলেজে যাইনি। তবে এবার খুব ইচ্ছা আছে বাসায় গেলে কলেজে যাব একবার ।আপনি আপনার বই কেনার জন্য কুষ্টিয়া গেছেন এবং যাওয়ার সময় ভ্রমণ বৃত্তান্ত সবকিছু আমাদের মাঝে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকেউ ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।।
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে, আমার প্রানের শহর, আমার প্রাণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে আপনি খুবই সুন্দরভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। শুভকামনা রইল ভাই আপনার জন্য।
ভাই কালকে ক্যাম্পাস নিয়ে পোস্ট করব। আমন্ত্রণ রইল🙂