অভিমান অনেক সময় ভালোবাসারই আরেক রূপ
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
অভিমান শব্দটা শুনলেই আমাদের মনে এক ধরনের কষ্টের অনুভূতি আসে। মনে হয়, কেউ আমাদের কথা শুনলো না, আমাদের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিলো না, কিংবা যাকে আমরা ভীষণ আপন ভেবেছি, সে আমাদের আশা অনুযায়ী আচরণ করলো না। কিন্তু গভীরভাবে ভাবলে দেখা যায়, অভিমান কখনো শূন্য থেকে আসে না। অভিমান হয় কেবল তাদের প্রতি, যাদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা আছে, যাদের কাছ থেকে আমরা যত্ন আর গুরুত্ব আশা করি। তাই অনেক সময় অভিমান আসলে ভালোবাসারই আরেকটা রূপ।
আমরা যাদেরকে গুরুত্ব দিই শুধু তাদের কাছেই অভিমান জন্মায়। অচেনা কারও কথায় বা কাজে তেমন কিছু যায় আসে না, কিন্তু প্রিয়জনের ছোট্ট কথাতেও মন খারাপ হয়ে যায়। এর মানে হলো আমাদের ভেতরে তার প্রতি অনুভূতি আছে, প্রত্যাশা আছে। আর এই প্রত্যাশার নামই তো একভাবে ভালোবাসা।অভিমান আসলে সম্পর্কের একটা স্বাভাবিক অংশ। এটা প্রমাণ করে আমরা একে অপরকে গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে অভিমান যদি দীর্ঘ হয় বা কথায় প্রকাশ না পায়, তখন সেটা সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। তাই অভিমানকে ভালোবাসার অংশ হিসেবেই নেওয়া উচিত, আবার সেটাকে কাটিয়ে ওঠার জন্য খোলামেলা কথাও দরকার।
অনেক সময় অভিমান সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। যখন প্রিয়জন অভিমান ভাঙানোর চেষ্টা করে, তখন সম্পর্কের ভেতরে নতুন করে মায়া ও টান তৈরি হয়। তাই বলা যায়, অভিমান সবসময় নেতিবাচক নয়, বরং সেটা ভালোবাসার গভীরতারই প্রমাণ।শেষ পর্যন্ত অভিমান আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা কাউকে সত্যিই কাছে চাই, তার মনোযোগ চাই, তার যত্ন চাই। তাই অভিমানকে কখনো শুধু কষ্ট হিসেবে নয়, ভালোবাসার আরেক রূপ হিসেবেই দেখা উচিত।