প্রিয়জন ই যখন বিরক্তি !
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
সব সময় আপনাদের সাথে পজিটিভ ব্যাপারগুলো শেয়ার করার চেষ্টা করি। তবে সব সময় আসলে সেটা হয়ে ওঠেনা। কিছু কিছু তিক্ততা আমাদের জীবনের থেকেই যায়। তো আজকে তেমন একটি লেখাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে এসেছি। কিছু কিছু তিক্ততা আমাদের জীবনে যতো বেশি আমরা সম্মুখীন হই, ততোই আমরা যেনো বাস্তবতার যাঁতাকলে হারিয়ে যাই। কারণ বাস্তবতা প্রচন্ড কঠিন। আর এই কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন যখন আমরা হই। তখন সেটাকে মেনে নেওয়া কিংবা সেটা সাথে মানিয়ে চলা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায় এবং এই কঠিনতর জীবনের কিংবা এই কঠিন তর অধ্যায়ে আমার তার চেয়েও বেশি কঠিন যেটা মনে হয়। সেটা হলো, আমাদের প্রিয়জন যখন আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে যায় সেটা।
এখানে আজকে হয়তো আমি একজন ব্যক্তি হিসেবেই লেখাতে লিখছি। অর্থাৎ উপরে যেভাবে লিখেছি ঠিক তার বিপরীতভাবেই লিখছি। কারণ উপরের লেখাটি দেখে হয়তো অনেকের মনে এটা প্রশ্ন জাগতে পারে যে, প্রিয়জন কেনো বিরক্তির কারণ হয়। আসলে এটাই বাস্তবতা এবং বাস্তবতা হলো আমাদের প্রিয়জনদের প্রয়োজন যখন অনেকটা ফুরিয়ে আসে। তখন আসলে আমরা তাদেরকে একটা বোঝা হিসেবে ভেবে নেই এবং আমরা তাদেরকে অনেকটা দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকি এবং অনেক অংশে আমরা সফল হই বলা চলে।
আসলে আমাদের জীবনে আমাদের প্রিয়জনদের জায়গা কতোখানি সেটা আমরা তখনই টের পাই। যখন আসলে অন্য কোনো মানুষ এসে আমাদেরকে ঠকায় অর্থাৎ তার জায়গাটি নেওয়ার পরে অন্য কোনো মানুষ এসে যখন আমাদেরকে খুব বাজেভাবে ঠকায়, খুব বাজে ভাবে আমাদের সাথে বেইমানি করে। তখন আমরা বুঝতে পারি যে আমাদের এই প্রিয়জনেরা আমাদের কাছে আসলে কি পরিমান মূল্যবান ছিলো। আর আমরা আসলে ভালো কোনো কিছু পেলে সেটা নিজের কাছে রাখতে পারি না। সে কারণেই প্রিয়জনদের আমরা হারিয়ে ফেলি। আর সত্যি কথা বলতে একটা জীবনে একটা প্রিয়জন পাওয়া কতপ বেশি সৌভাগ্যের। সেটা অনেকেই জানে না। কারণ প্রিয়জন সকলে হতে পারে না।