কাজে চাই নম্রতা
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমাদের জীবনটাই কাজের মধ্যে জড়িত। অর্থাৎ এমন কোনো মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন যে কোনো কাজ করে না। অর্থাৎ যারা আসলে কোনো কাজ করে না, শুধুমাত্র অন্যের ঘাড়ে বসে খায় তাদের কথা আলাদা। কারণ তারা আসলে সমাজের কি যেনো বলা চলে, বলুন তো?সমাজের পরগাছা বলা চলে। অর্থাৎ সবসময় পরের উপরে নির্ভরশীল। তাই তাদেরকে নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। কারণ আমি মনে করি অর্থাৎ আমার মতামত হলো তারা যারা সমাজের পরগাছা হিসেবে থাকে। তাদেরকে নিয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা করাটাও সময়ের অযথা ব্যয়।
যাইহোক আসলে কাজের ক্ষেত্রে অনেক রকম সিস্টেম রয়েছে। যেগুলো আমরা অনেক সময় মেনে চলি না। কিন্তু আমি মনে করি যেগুলো মেনে চলা উচিত। অর্থাৎ কাজ আমরা সকলেই করি। হয়তো কেউ ভালো কাজ করি বা হয়তো কেউ খারাপ কাজ করি। কিন্তু কমবেশি আমরা সকলেই করি। আর এমন ও হয় যে হয়তো অনেকে আমরা কাজ কম পারি। আবার হয়তো এমন হয় যে আমরা কাজ বেশি পারি। কিন্তু আমরা কাজ কম পারি কিংবা বেশি পারি কাজ কিন্তু আমরা করি। কিন্তু এখানে একটা ব্যাপার আমরা সব সময় ভুলে যাই। সেটা হলো, কাজ করি বা তা যেভাবেই করি। তার মধ্যে কিন্তু নম্রতা থাকা খুব জরুরী ।
অর্থাৎ আপনি আসলে এমন অনেক মানুষ দেখবেন। যারা কাজে অনেক বেশি ভালো। কিন্তু তাদের ব্যবহার মোটেও নম্র ভদ্র নয়। অর্থাৎ তারা সব সময় মানুষের সাথে খারাপ ভাবে এবং রুট বিহেভ করে। অর্থাৎ এটা আমি বেশিরভাগ দেখেছি যারা অনেক ভালো কাজ করে তাদের এবং আমি এটাও খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করেছি যে, তারা শুধুমাত্র তাদের অভদ্রতার জন্যই জীবনে অনেক সুযোগ মিস করে। কারণ স্বাভাবিকভাবেই তাদের সাথে সহজে কেউ কমিউনিকেট করতে চায় না।তাই কাজের ক্ষেত্রে নম্রতা অনেক বেশি জরুরী।