টেকনোলজির ব্যাপক উদ্ভাবন
নিকোলা টেসলার নাম কি আপনারা শুনেছেন? আশা করছি আপনারা সবাই শুনে থাকবেন। পৃথিবীতে যত মহান বিজ্ঞানী রয়েছে সবার নামেই কমবেশি আমরা শুনে থাকি তবে সবার এমন একজন দুর্ভাগ্যজনক বিজ্ঞানী যার নাম হয়তো আমরা খুব বেশি একটা নেই না। কিন্তু তার আবিষ্কৃত সকল জিনিসপত্র আমরা প্রত্যক্ষ বা পরক্ষভাবে সব জায়গায় ব্যবহার করে থাকি।
তিনি এ সি কারেন্ট তৈরি করেছিলেন। আমাদের আশেপাশে যত ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস রয়েছে প্রায় সবকিছু তারই আবিষ্কারের অবদানের ফলাফল। হয়তো আমরা এই বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারি না কিংবা স্বীকার করতে চাই না। কিন্তু এটাই বাস্তবতা। তিনি একজন মহান বিজ্ঞানী। বর্তমানে বিজ্ঞানের যত ধরনের আবিষ্কৃত বিষয়বস্তু রয়েছে সবকিছুতেই তার ব্যাপক অবদান রয়েছে।
বর্তমানে মানব সভ্যতা চাঁদের পা দিয়েছে, মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার জন্য ব্যাপক ধরনের পরিকল্পনা চলছে। এছাড়াও আমাদের একটি মহাকাশযান বর্তমানে সূর্যের অনেক টা কাছাকাছি অবস্থান করছে। যার গতি প্রায় ঘন্টায় ৭ লক্ষ কিলোমিটারেরও বেশি। এসব কিছুই কিন্তু আমাদের এই প্রযুক্তির উদ্ভাবনের কারণেই হয়েছে। হয়তো আর এক থেকে ২০০ বছর পরে প্রযুক্তি এত অ্যাডভান্স হয়ে যাবে যা হয়তো আমরা এখন কল্পনাও করতে পারছি না। বর্তমানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগ চলছে। যে কোন কিছুর মুহূর্তের মধ্যেই করা সম্ভব হচ্ছে।
এইতো কিছুদিন আগেই google এর পক্ষ থেকে একটি অ্যানাউন্সমেন্ট এসেছিল। তারা কোয়ান্টাম প্রসেসর তৈরি করে ফেলেছে। এটা এতটা শক্তিশালী প্রসেসর বর্তমানে পৃথিবীতে থাকা সুপার কম্পিউটারের যা হিসাব করতে মিলিয়ন বছরের ও বেশি সময় লাগবে, সেই কাজটা সেই প্রসেসর ৫ মিনিটের মধ্যেই করে ফেলতে সক্ষম। তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন আমাদের প্রযুক্তি কতটা অ্যাডভান্স হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সুযোগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে অবশ্যই প্রযুক্তি নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে এবং পরবর্তী সাথে আমাদের কমিউনিকেশন টা আরো দৃঢ় করতে হবে। আপনারা কি মনে করবেন তা অবশ্যই মন্তব্য জানাবেন ধন্যবাদ।