দেখিয়ে দেওয়াটাও দরকার
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আজকে ভাবলাম আপনাদের সাথে এমন একটি লেখা শেয়ার করি। যে লেখাটি আমার সাথে খুব সচরাচর ঘটে বলা চলে। অর্থাৎ খুব সচরাচর যে ঘটে একেবারে তাও নয়। অর্থাৎ এতো রিসেন্টলি ঘটেছে যে আজকে লেখালেখি করার সময় মনে হলো যে, আপনাদের সাথে সেটা শেয়ার করি। আমরা সাধারণত আমাদের সাথে যারা একটু খারাপ আচরণ করে কিংবা সবসময় সুযোগ সন্ধানী হিসেবে আমাদের সামনে আসে। তাদেরকে আসলে আমরা হয়তো অনেক সময় ছাড় দিয়ে দেই। এটা ভেবে যে আসলে মুখের উপরে অনেক কিছু বলতে পারবো না তাই।
কিন্তু একটা বিষয় আসলে দেখা যায় যে, আমরা যদি ওই মানুষগুলোকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে না দেই যে সে আসলে কোনো সমস্যা করছে। তাহলে আসলে দেখা যায় যে তারা দিনের পর দিন তাদের ওই অপকর্ম চালিয়ে যায় এবং তারা দিনের পর দিন তাদের অপকর্ম কমানোর বদলে আরো বাড়িয়ে দেয়। তো সেই জায়গা থেকেই আসলে আমার যেটা মনে হয় এবং আমি নিজেও খুব রিসেন্ট যেই কাজটি করেছি।সেটা হলো, আমার এক বান্ধবীর সমস্যাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি।
ব্যাপারটি এমন নয় যে আমি তাকে কোনো কটু কথা বলেছি। কিন্তু আমার মনে হয় যে মানুষের শোধরানোর সুযোগ দেওয়া উচিত এবং সেই শুধরানোর সুযোগ দেওয়ার সময় অবশ্যই তার ভুলগুলো তাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ আমরা মানুষ মাত্রই ভুল। অর্থাৎ আমাদের চলতি পথে অনেক অনেক রকমের ভুল হয়। তো সেই ভুলগুলো যদি আসলে কেউ শুধরে দেয়। তাহলে সেটা আমাদের জন্যই ভালো। কিন্তু কেউ শুধরে দিতে গেলে যদি উল্টো তাকেই দোষারোপ করা হয়। তখন কিন্তু ব্যাপারটা বেশ খারাপ হয়ে যায়। তাই আমার কাছে মনে হয় যে, মাঝেমধ্যে দেখিয়ে দেওয়াটাও অনেক বেশি দরকার। কারণ এতে করে আসলে সামনের পথ অনেক সহজ হয়ে যায়।