হোক প্রতিবাদ!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
বিভিন্ন বই পুস্তক পড়ে যেটা আমি জানতে পেরেছি। অর্থাৎ আমার স্বল্প জ্ঞানে যেটা রয়েছে। সেটা হলো ব্রিটিশ আমলে বাঙালিরা অনেক বেশি কষ্টে থাকতো। কারণ ব্রিটিশ লোকেরা বাঙ্গালীদের উপরে অকথ্য ভাষায় নির্যাতন করতো আর বিশেষ করে বাঙ্গালীরা যদি সামান্য কোনো ভুল করতো কিংবা কোনো কথা অমান্য করতো।তখন ব্রিটিশরা অনেক বেশি কঠিন শাস্তি দিতো। অর্থাৎ তাদের কাজ করানোর একটি মাধ্যম ছিলো ভয়ংকর সব শাস্তি। আর যে শাস্তিগুলো বাঙ্গালীদের মাথা পেতে নিতে হতো একটা সময় পর্যন্ত।
আসলে বাঙ্গালীদের ওই স্বভাবটি এখনো যায়নি। অর্থাৎ যে কোনো বাঙালির দিকেই তাকিয়ে দেখবেন। অর্থাৎ বেশিরভাগ আমরা যারা রয়েছি। আমরা সব অন্যায় মুখ বুঝে সহ্য করতে খুব পছন্দ করি। যেখানে আমার কথা বলার রাইট রয়েছে। সেখানেও আমি সবসময় মুখ বুজে কথা সহ্য করি এবং প্রতিবাদ করতে ভয় পাই এবং এটা বাঙ্গালীদের সেই রক্তে মিশে গিয়েছে। অর্থাৎ সহ্য করার ব্যাপারটি।
কিন্তু বর্তমান বিশ্বে কিংবা বর্তমান সমাজে আমি যেটা খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করেছি। সেটা হলো বর্তমান সময়ে আসলে আমরা যদি কোনো কিছুর প্রতিবাদ না করি। তাহলে মানুষ আমাদেরকে এতোটাই পেয়ে বসে। যেভাবে বাঙ্গালীদের উপরে ব্রিটিশেরা নির্যাতন করতো। ঠিক একই ভাবে এখন বর্তমানে আসলে কোনো কিছু নিয়ে প্রতিবাদ না করলে ঠিক একই অবস্থা হয়। তখন হয়তো ব্যাপারটা বর্বরতা ছিলো। আর এখন ব্যাপারটি খুব কৌশলে করা হয়। এবং এ কারণেই আসলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় প্রতিবাদী কন্ঠ হয়ে নিজেকে প্রতিস্থাপন করা আমাদের উচিত। কারণ প্রতিবাদ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ অন্যায়ের প্রতিবাদ না হলে অন্যায় মেনে নেওয়াই হয়। আর আমার মতে প্রতিবাদ করা আমাদের উচিত। অন্যায় মেনে নেওয়া কখনো উচিত নয়।