অভিমান না হলে সম্পর্কের গভীরতা বোঝা যায় না
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
মানুষের জীবনে সম্পর্কই হলো সবচেয়ে বড় শক্তি। আর সেই সম্পর্কের ভেতরে ভালোবাসা, যত্ন, হাসি-খুশির পাশাপাশি অভিমানও থাকে। আসলে অভিমান না থাকলে কোনো সম্পর্ককেই গভীরভাবে অনুভব করা যায় না। কারণ অভিমানই প্রমাণ করে, আপনি কাউকে সত্যিই গুরুত্ব দেন, তার কাছে আপনার প্রত্যাশা আছে।অভিমান মানেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া নয় এটা বোঝায়, সেই সম্পর্কটা আমাদের কাছে কতটা আপন। আমরা তো কেবল কাছের মানুষের উপরেই অভিমান করি। অপরিচিত কারও কাছ থেকে কিছু আশা করি না, তাই তাদের প্রতি মনেও কষ্ট জমে না। কিন্তু যাদেরকে সত্যি ভালোবাসি, তাদের কাছ থেকে যদি সামান্য অবহেলাও পাই, তখন অভিমান জন্ম নেয়।
অভিমান আসলে এক ধরনের নীরব ভাষা। মুখে কিছু না বলেও মনে মনে আমরা জানিয়ে দেই যে,তুমি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তোমার আচরণ আমাকে কষ্ট দিয়েছে। এটাই সম্পর্কের গভীরতার চিহ্ন। কখনও কখনও অভিমানই সম্পর্ককে আরও মজবুত করে তোলে, কারণ অভিমানের পর যখন মিলন হয়, তখন ভালোবাসা আরও বেড়ে যায়।তবে অভিমানকে দীর্ঘস্থায়ী করা উচিত নয়। যদি অভিমান জমে থেকে যায়, তাহলে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। তাই অভিমানের পাশাপাশি ক্ষমা আর বোঝাপড়ার দরকার আছে। অভিমান যদি হয় ভালোবাসার প্রকাশ, তবে ক্ষমা হলো ভালোবাসার পূর্ণতা।