সময়ের সঙ্গে বদলে যায় মানসিকতা
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া ব্যাপারটা আমি নিজের মধ্যেই খুব স্পষ্টভাবে টের পাই। আগে যেসব জিনিসে খুব অভিমান হতো, এখন মনে হয়, ওসব নিয়ে মন খারাপ করে সময় নষ্ট করার মানে নেই। আগে অনেক কিছুতেই রাগ করে বসে থাকতাম।এখন বুঝি, চুপচাপ থাকাটাই অনেক সময় সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
আমার মনোভাব আস্তে আস্তে বদলেছে। একসময় মনে হতো, সবকিছু ঠিকঠাক থাকতেই হবে, সবাইকে খুশি রাখতেই হবে। কিন্তু এখন বুঝি, সেটা সম্ভব না। আমি যদি নিজের মনটা শান্ত রাখতে না পারি, তাহলে বাইরের জগতে কিছুই শান্তি দেবে না। এই মানসিকতা আগে ছিল না। সময়ই আমাকে শিখিয়েছে কাকে গুরুত্ব দিতে হবে আর কাকে নয়।
আগে হয়তো ছোটখাটো কথা নিয়েও অনেক ভেঙে পড়তাম, এখন ভাবি, এসব তো হবেই। জীবনে তো সব সময় সবকিছু নিজের মতো চলে না। মানিয়ে নিতে হয়, বুঝে নিতে হয়। আর এই মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই আমার ভেতরের শক্তিকে বাড়িয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি যেমন কিছু কিছু জিনিস ছেড়ে দিয়েছি, তেমন অনেক কিছু শিখেও নিয়েছি।
মানসিকতার এই পরিবর্তনটাই আমাকে অনেক বেশি স্থির করে তুলেছে। আমি এখন নিজের ভালো লাগার জায়গাগুলো খুঁজে নিই, অহেতুক প্রতিযোগিতা বা তুলনায় না গিয়েও নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করি। আগে হয়তো অন্য কারও সাফল্যে নিজেকে ছোট মনে হতো, এখন ভাবি, সবার সময় আলাদা। আমার সময় যখন আসবে, তখন আমিও পারব।
সবচেয়ে বড় ব্যাপার, সময় আমাকে সহনশীল করে তুলেছে। এখন আর আগের মতো হুট করে কিছু বলে ফেলি না, হুট করে কারও উপর রাগ করি না। ভাবি, বুঝি তারপর বলি বা করি। এই বুঝে নেওয়ার মানসিকতাটা আগের থেকে অনেক বেশি এসেছে এখন। সময়ই একমাত্র উত্তর, যেটা মানুষকে পরিপক্ব করে তোলে। আমি ধীরে ধীরে শিখে যাচ্ছি, প্রতিদিন একটু একটু করে।