"একটি ছবি যখন কথা বলে-(৩)"
নমস্কার
"একটি ছবি যখন কথা বলে-(৩)"
প্রতিনিয়ত আমি ভিন্ন ভিন্ন পোষ্ট লিখতে পছন্দ করি।যেহেতু এই ছবিটি আমি বাংলা ডিপার্টমেন্ট থেকে সংগ্রহ করেছিলাম।তো একটি ছবির দ্বারা অনেক কিছুই বোঝানো সম্ভব আমার ধারনায়।যেটা একজন শিল্পী খুব ভালোভাবে বোঝাতে সক্ষম হয় তার রং-তুলি দিয়ে নীরবতার সত্ত্বাকে জাগ্রত করতে,সম্মুখে আনতে বা মনের গভীরতাকে ফুটিয়ে তুলতে আঁকিবুকির মধ্যে।তেমনই একটি মিষ্টি ছবি এটি,যেখানে ভালোবাসার যে আত্মপ্রকাশ কতটা গভীর থেকে আসে তারই ভাষা এটি প্রতিবাদের মতোই।
আমি জানি না, শিল্পী তার অঙ্কনের মধ্যে তার কোন ধরনের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে চেয়েছেন তবে আমি শুধুমাত্র আমার মতামত প্রকাশ করছি।এক্ষেত্রে এক এক জনের চিন্তাভাবনা একেক রকম ভাবে প্রকাশ পেতে পারে।যে যেমনভাবে তার বুদ্ধিসত্তা দিয়ে বুঝতে পারে আর কি!ঠিক যেন কবিতার মতোই,যে লেখে সেই আসল অর্থ বোঝে আবার যে আঁকে সেই হয়তো প্রকৃত ছবির গুরুত্ব বা গভীরতাকে ছুঁতে পারে।আমরা শুধুই ধারণা,কল্পনা আর নিজস্ব চিন্তা দ্বারা অনুভব করতে পারি।তা মাঝে মাঝেই কবির বা চিত্রকারের চিন্তার সঙ্গে মিলে যায় কখনো আবার আজগুবি হয়েই থেকে যায়।
একজন শিল্পী যেমন তার হাতের মাধ্যমে মনের ভাবনা প্রকাশ করে কিছু ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে, তেমনি একজন লেখক লেখার মাধ্যমে।একটি ভাবনা তখন হাজার মানুষের চোখে,হাজার মানুষের মনের পাতায় স্থান পায়।সেটা ঘুরে ঘুরেই আবার নানান দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়।তাতে শিল্পীর কিংবা লেখকের বিন্দুমাত্র আসে যায় না।কারন তাদের লেখা অক্ষুন্ন, তাদের আঁকা একটি জীবন্তসত্ত্বা।
আমার মনে হয়েছে, এই ছবি দ্বারা বৃষ্টিমুখর দিনে এক মিষ্টি ভালোবাসার রূপ ফুটে উঠেছে।ছোটবেলায় বৃষ্টি হলে আমরাও এভাবে কচুপাতা মাথায় নিয়ে স্কুল যেতাম।কিন্তু এখানে ভালোবাসার এক টুকরো প্রতিচ্ছবি ওই কচুপাতার সঙ্গে মিশে গেছে।যা কিনা! বৃষ্টিকেও হার মানায় ছোট্ট ওই ভালোবাসায় ভরা কচুপাতাটি।বৃষ্টির মুহূর্তে এক রোমাঞ্চকর ভালোবাসা যেন এটি।যা এখন দুর্লভ।।
| আশা করি আমার আজকের অনুভূতিগুলি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে।পরের দিন আবার নতুন কোনো বিষয় নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে, ততক্ষণ সকলেই ভালো ও সুস্থ থাকবেন। |
|---|
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|