অ্যান্টিবায়োটিক আমরা খাচ্ছি, না আমাদের খাচ্ছে।১০% প্রিয় লাজুক শেয়ালের জন্য

in আমার বাংলা ব্লগ4 years ago (edited)

হ্যালো বন্ধুরা,

অ্যান্টিবায়োটিক হলো একটি উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া কিংবা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমাদের হিউম্যান বডিতে খারাপ এবং ভালো উভয় ব্যাকটেরিয়াই অবস্থান করে।

Collage 2022-04-22 11_03_12.jpg

বাইরে থেকে যখন কোন ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে প্রবেশ করে তখন ভেতরের ব্যাকটেরিয়াগুলো বাঁধা প্রদান করে।শুধু বাঁধাই প্রদান করে না তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে,যাতে মানবদেহ সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু অনেক সময়ই আমাদের দেহের অভ্যন্তরে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো বাইরে থেকে আসা ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুদ্ধ করে টিকে উঠতে পারেনা।ঠিক তখনই আমাদের দেহে সংক্রমণ কিংবা অসুস্থতা দেখা দেয়।যেটা নির্মূল করার জন্য আমরা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া ঔষধ সেবন করে থাকি। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রেই বিশেষ কিছু সতর্কতা মাথায় রাখতে হবে।নইলে অল্প কিছুর জন্য ঘটে যেতে পারে মানবদেহের বড় ধরনের সংক্রমণ।এর ফলে হিউম্যান বডি আর আগের মত তেমন ভাল কাজ করবেনা।

pexels-ivan-babydov-7788340.jpg

2r8F9rTBenJQfQgENfxADE6EVYabczqmSF5KeWefV5WL9WSFayCtwhzR8p5ww6cvzC5qt9UM85FqFkUemheHo4oevgjKFfiSW2uSKEFLufMsHGtBtAjeidYyWo5fEh69L.png

pexels-ahsanjaya-8637069.jpg

সোর্স
কিন্তু আমাদের দেশে হরহামেশাই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের প্রবণতা দেখা যায়।যদিও ফার্মেসীগুলোতে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ রয়েছে।কিন্তু কে শোনে কার কথা।বে-খেয়ালিভাবে অনেকেই নিজের ঘরের ডাক্তার সেজে যায়,অহেতুক কারণেই অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করেন।কিন্তু আপনি কি জানেন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের সর্তকতা অবলম্বন না করলে আপনার মানবদেহের মারত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।সুতরাং অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকা উচিত।বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা,অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের সচেতনতা জন্য ১৬-২২ নভেম্বরকে"অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ"বিশ্বব্যাপী পালন করে আসছে।এটি পালন করার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনে সর্তকতা অবলম্বন করা।
২০১৮ সালের ১৩ ই নভেম্বর "বিবিসি নিউজ"আন্তর্জাতিক অ্যান্টিবায়োটিক সর্তকতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে সাবিনা ইয়াসমিন নামের এক ভদ্রমহিলা বলেছিলেন,দেড় বছর আগে তার কানের সমস্যা হয়েছিল। কানের ইনফেকশনের জন্য তিনি ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করেন।ডাক্তার থাকে ৫দিনের কোর্স দিয়েছিলেন।তিনদিন অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করার পর অনেকটাই ভালো বোধ করার কারণে তিনি ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন।দেড় মাস পর পুনরায় কানের ব্যথা শুরু হয়।তখন তিনি নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়া শুরু করেন, প্রায় দু মাস এভাবে ওষুধ সেবন করতে থাকেন।কিন্তু তখন কোনভাবেই কানের সমস্যার সমাধান করতে পারছিলেন না।

pexels-polina-tankilevitch-3873134.jpg

C3TZR1g81UNaPs7vzNXHueW5ZM76DSHWEY7onmfLxcK2iNzq2MSXKSji21JRspt4nqpkXPR5ea7deLzvmJtuzVBwdLJUpBqtgAZ5gHtHPbayD2jR3CWqjkJ.png

pexels-klaus-nielsen-6303618.jpg

সোর্স

পুনরায় ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে গিয়ে দেখা গেল আগের অ্যান্টিবায়োটিক তার শরীরে আর কোনো কাজ করছে না। জানার সুবিধার্থে একটু বলে রাখি,পরিমিত অ্যান্টিবায়োটিক সময় অনুযায়ী না খাওয়ার কারণে ক্ষতিকর যেসকল ব্যাকটেরিয়া প্রশমিত হওয়ার কথা ছিল।তা সঠিকভাবে হয়নি, কারণ অ্যান্টিবায়োটিক তথা ঔষধগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মানবদেহে কাজ করে থাকে।মিসেস ইয়াসমিনের সূত্র ধরে বলা যেতে পারে,কানের ইনফেকশনের জন্য যে সকল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করেছিলেন,তিন দিনে হয়তো ক্ষতিকর কিছু ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়েছে তবে পুরোপুরি ধ্বংস হয় নাই।কিন্তু তাতেই তিনি অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বন্ধ করে দেন একটু সুবিধাজনক হওয়ার কারণে।কিন্তু উনার হয়তো ধারণা ছিলনা যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করার জন্য ডোজটি সম্পূর্ণ করা উচিত ছিলো।ডোজটি অসম্পূর্ণ হয়ার কারণে ক্ষতিকর কিছু ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে বংশ বিস্তার শুরু করে।শুধু বংশবিস্তারই নয়,যে কারণে আগের ব্যাটারিগুলো মারা গিয়েছে ঠিক সেই বিষয়টি জীবিত ব্যাক্টেরিয়াগুলো বুঝতে পেরে তার চেয়ে আরো বেশি শক্তিশালী হিসেবে বডিতে কার্যক্রম করতে থাকে।যার কারণে বাইরে থেকে গ্রহণ করা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে অবশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াগুলোকে আর ধ্বংস করা সম্ভব হয় নাই অর্থাৎ অবশিষ্ট ব্যাটারিগুলো অধিক পরিমাণে শক্তিশালী হয়ে মানবদেহে ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম হচ্ছে।
একটু খেয়াল করে দেখবেন সামান্য ভুলের কারণে মানবদেহে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়।যদি সঠিক সময়ে পুরো ডোজটি সম্পন্ন করা যেত তাহলে ক্ষতিকারক সকল ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যেতো।সেই সাথে কানের ইনফেকশন সম্পূর্ণরূপে ভালো হতো।

যাইহোক, এই উদাহরণের মাধ্যমে আমি এতোটুকুই বুঝাতে চেষ্টা করেছি যে অ্যান্টিবায়োটিক তথা অন্যান্য ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রেও সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত।বিশেষ করে,অ্যান্টিবায়োটিকে অবশ্যই সময় এবং পুরোডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে।এখন আসা যাক এর সাথে সম্পৃক্ত আরেকটি আলোচনায়,হরহামেশাই কারণ অকারণেই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ না করা।
১৩ নভেম্বর ২০১৮ বিবিসি নিউজে অ্যান্টিবায়োটিক হরহামেশাই ব্যবহার না করতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

pexels-karolina-grabowska-4046945 (1).jpg

2bP4pJr4wVimqCWjYimXJe2cnCgnKbvXf2Xf7gHjRaW.png

pexels-karolina-grabowska-4226773.jpg
সোর্স
এখানে হলি ফ্যামিলি কলেজ এন্ড হাসপাতালের নাক,কান, গলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেছিলেন,ভাইরাল ইনফেকশন সর্দি,কাশি, জ্বর এসবের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করা উচিত নয়। তবে ইনফেকশন যদি দ্বিতীয় পর্যায়ে যায় সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা দরকার।
অ্যান্টিবায়োটিকের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, জীবাণু ধ্বংস করা, সুতরাং অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের ক্ষেত্রে কোর্সটি অবশ্যই সম্পন্ন করা উচিত যাতে ক্ষতিকারক জীবাণুগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।
আমি মনে করি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী।
প্রথমত,ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ না করা।এ বিষয়ে উদাসীন হলে নিজের ক্ষতি নিজে ডেকে আনবেন।
দ্বিতীয়ত,অ্যান্টিবায়োটিক যেহেতু শক্তি সম্পন্ন ঔষধ সুতরাং এটি গ্রহণে পানি বেশি করে খেতে হবে, সাথে পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার।
তৃতীয়তঃ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভরা পেটে খাওয়া উচিত।সেইসাথে সময় অনুযায়ী এটি সেবন করা দরকার কেননা সময় অনুযায়ী সেবন না করলে ডায়রিয়া সহ অন্যান্য রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
চতুর্থত, যেটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ সম্পন্ন করা। একটু সুবিধা দেখা দিলেই খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না।এর কারণে বিপদজনক অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।
এছাড়াও আরো অনেক সতর্কতার রয়েছে অবশ্যই আপনারা নির্দেশনা দেখে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন করবেন।
নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিজেদেরকেই সচেতন হতে হবে। খামখেয়ালী করে,নিজের ক্ষতি কখনো ডেকে আনা উচিত নয়।

ভালো থাকার শুভ প্রত্যয়ে আজ এখানেই শেষ করছি।দেখা হবে পরবর্তী কোন সংলাপে।সে পর্যন্ত ভালো থেকো,সুস্থ্য থেকো,নিরাপদে থেকো,প্রিয় প্লাটফর্ম@amarbanglablog আপনাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমার এই লেখায় উপকৃত হলে জানাবেন।

লেখাটি,হাজারো যুবকের স্বপ্নসারথি,@amarbanglablog এর সন্মানিত প্রতিষ্ঠাতা,@rme দাদাকে উৎসর্গ করছি।

বিষয়অ্যান্টিবায়োটিক
বর্ণনায়@kamrul8217
ডিভাইসSamsung A32
লোকেশনw3w
তারিখ২২ এপ্রিল ২০২২

FrDSZio5ZCzUamf35asauSgs1tnNGCc8exBrDii52qi3JqqaFB2GnW5yVNodCtswB8EedAbTMPKcxh8DGMNUdQWhdKqxc6HEzAbJHTjR23...YXDiJ1FhQMpcnzAZ1j5XwnEqTpNS9qvgZfTFzPvPYLS5hLMpKGysnXjXrfDNEPWom7c6NZLKkiYqXhmtfrqzFVcV2VwLKc5uz8S8HdSnbyd6MoqzNodFnqxPh8.png

এতক্ষন সাথে ছিলাম আমি@kamrul8217
পেশায় একজন সাংবাদিক,উপস্থাপক ও ক্ষুদ্রলেখক।জ্ঞান আহরণের সর্বাত্মক ছুটে চলা।একজন সাদাসিধা জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষ।দু-চোখে যা দেখি শব্দাকারে তা লিখতে থাকি।ভালো কাজে পাশে থাকি।একজন প্রকৃত মানুষ হওয়ার চেস্টায় চিরকৃতজ্ঞতায় পাশে আছে দুই বাংলার এক অবিচ্ছেদ্য প্রাণ@amarbanglablog

3YjRMKgsieLsXiWgm2BURfogkWe5CerTXVyUc6H4gicdRPh578UPdn5s6unQSptktxRwqw5feY3RFPwzUU3pwJBLZFwYEUoyzum8LEyisg...hr4J9sj6Csqw8LqkgGDTUSZomy4tXWZK8WBModnWBvCcaYs1LrS2A2JgBHN6x74VQPjBV4NMvt4rpgFosYvLp99VPSUW69Pbukte8B7sCSxZQAqXtq1QBTSkkN.png

Collage 2022-04-16 23_06_28.jpg

FrDSZio5ZCzUamf35asauSgs1tnNGCc8exBrDii52qi3JqV7bbT3PhNfbHgyNngzcyCFw4TfaYm77TpqjAhtBLDYqvnas1GJLaFNNDWGS9...22RNB6YYmubtV5ucT8CTAdBzgh1XcPwSUYwzsUqZqhthEoc4g9w5HwvGi5etUzsPu7tB5KHo6ZRM6yzvhPX1XkLzAW6FCmTui5rkeXccbTyAe5DycanVRkyZ9g.png

3YjRMKgsieLsXiWgm2BURfogkWe5CerTXVyUc6H4gicdRPh578UPdn5s6unQSptktxRwqw5feY3RFPwzUU3pwJBLZFwYEUoyzum8LEyisg...hr4J9sj6Csqw8LqkgGDTUSZomy4tXWZK8WBModnWBvCcaYs1LrS2A2JgBHN6x74VQPjBV4NMvt4rpgFosYvLp99VPSUW69Pbukte8B7sCSxZQAqXtq1QBTSkkN.png

Sort:  
 4 years ago 

বে-খেয়ালিভাবে অনেকেই নিজের ঘরের ডাক্তার সেজে যায়,অহেতুক কারণেই অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করেন।

এটা কিন্তু একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া। শুধু ডাক্তার কিংবা ফার্মেসির দোষ না। আমরা নিজেরাও এখন এন্টিবায়োটিকের প্রতি একটা দুর্বল হয়ে গেছি। যেন না খেলে আমাদের কোন রোগ ভালোই হবে না। অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে আজকে লিখেছেন। জানেন আমি আমার মেয়েকে ছোট থেকেই সামান্য অসুখে এন্টিবায়োটিক খাওয়াতে চাই নি। এমনকি অসুস্থ হলেও কয়েকদিন নরমাল ওষুধে চেষ্টা করি। কারণ এটা এমন একটা জিনিস আপনি যার কথা বললেন এই রকম এন্টিবায়োটিক খেতে খেতে শরীরে আর কাজ করে না। আপনার বিষয় গুলো খুবই ভালো লেগেছে।

 4 years ago 

আপনি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিষয়টি অনুধাবন করেছেন। হয়তো এতোটুকু অনুধাবন অনেকেরই হয় না। সম্ভব সামান্য কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা। অত্যন্ত চমৎকার মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয়।

 4 years ago 

একদম সঠিক এবং যুগোপযোগী একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। এন্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রাম অঞ্চলে ভাতের মত খাওয়া হয়। বিশেষ করে গ্রাম্য ডাক্তার বা কিছু হলেই উচ্চ এন্টিভাইটিক দিয়ে থাকেন। মানুষও স্বাচ্ছন্দে সেগুলো সেবন করে। গত অনেকদিন আগে একটি আর্টিকেল বলছিলাম যে আমরা বড় মহামারী দেখা পেতে পারি। আর সেটা হবে এনটিবেটিক সমস্যা। আমাদের শরীরে আর এনটিবেটিক কাজ নাও করতে পারে। ধন্যবাদ সুন্দর কিছু বিষয় শেয়ার করার জন্য এবং ডাক্তারদের রেফারেন্স দিয়ে তথ্যগুলো সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য।

 4 years ago (edited)

আপনি সত্যি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণায় একমত হয়েছেন। সেদিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন অ্যান্টিবায়োটিক মহামারীতে আমরা ডুবে যাব। সুতরাং আমাদের উচিত নিজেদের জায়গা থেকে নিজেদের সতর্ক হওয়া।

 4 years ago 

image.png


আমাদের দেহের ভেতরের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো বাইরে থেকে আসা খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু দেহের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া যখন এ কাজ করতে ব্যর্থ হয় তখন আমরা এন্টিবায়োটিক সেবন করি। তবে বর্তমানের ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই আমরা এন্টিবায়োটিক সেবন করে থাকি। যা কখনো উচিৎ নয়। এর ফলে দিন দিন আমরা ঝুঁকির দিকে যাচ্ছি। ধন্যবাদ আপনাকে।


image.png

 4 years ago 

চমৎকার মন্তব্য করেছেন শ্রদ্ধেয়। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অহেতুক অকারনেই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করার কারণে মানবদেহ স্বাভাবিক থেকে অস্বাভাবিক এর দিকে চলে যাচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সচেতন হওয়া জরুরী।

 4 years ago 

অনেক ভালো লিখেছেন ভাই। এন্টিবায়োটিক নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন। আসলে কি জানেন ভাই সত্যি কথা বলতেডাক্তার ফার্মাসিস্ট এর দোষ না দিয়ে আমাদের নিজের দোষ দেওয়া উচিত। কারণ আমরা ডাক্তার বা ফার্মেসী তে যা বলি যে আমার অসুখ যেন তাড়াতাড়ি ভালো হয়। এই জন্য নিজেরাই এন্টিবায়োটিক চেয়ে বসে থাকি। তবে এটা যে শরীরের কথা ক্ষতি করতেছে আমরা সেটা বুঝি না। তুমি খুব সুন্দর আপনি আলোচনা করেছেন এই বিষয় নিয়ে। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম সুন্দর একটি বিষয় আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। শুভকামনা রইল ভাই আপনার জন্য।

 4 years ago 

আসলেই বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেখেয়ালীভাবে আমরা মারত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছি যা আমরা নিজেও জানিনা।হিউম্যান বডি ড্যামেজ হয়ে গেলে পরবর্তী রোগ নিরাময় পরিস্থিতি হবে খুবই লাজুক।সুতরাং সচেতন হওয়া জরুরি।
উপলব্ধি মুলক দারুন মন্তব্য করেছেন শ্রদ্ধেয়।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.091
BTC 62700.21
ETH 1756.63
USDT 1.00
SBD 0.39