দাদা ও দিদিভাইয়ের অ্যানিভার্সারির দিন
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজকের পোস্টটা অনেকটা সময়ের পরেই করছি ,আর আজ আমি দাদা ও দিদি ভাইয়ের অ্যানিভার্সারির দিনের কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি।আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই দাদাও দিদির অ্যানিভার্সারি ছিল। সেই উপলক্ষ্যে আমরা সেই দিনটাতে খুব আনন্দ করার জন্য একটা পিকনিক স্পট বেছে নিয়েছিলাম। আর এই পিকনিক স্পট বেছে নেওয়াটা একদম রাতারাতি বললেই চলে কারণ আমরা যখন কোনো পিকনিকের জায়গা বেছে নিই তখন সেটা অনেকদিন আগে থেকে বুক করে রাখি।আসলে সেরকম কোনো প্রি প্ল্যানিং আমাদের ছিল না ।শুধু অ্যানিভার্সারির দুদিন আগে আমি জানতে চেয়েছিলাম যে সেই দিনটা কোনো প্ল্যান আছে কিনা না হলে আমি নিজেই প্ল্যান তৈরি করতাম ।সেই হিসেবেই দিদি বলেছিল যে কোনো পিকনিক স্পটে দিনটা খুব আনন্দ করে কাটাবে ।তো এই কথাটুকু বলতেই বাকি ছিল এটা শোনার পরেই আমি সঙ্গে সঙ্গে মধ্যমগ্রামের কাছে একটি পিকনিক স্পট দাদাকে দেখাই, দাদার সে জায়গাটা পছন্দ হওয়াতে নিজে গিয়েই সেদিনই বুক করে আসে ।
এইবার হচ্ছে সেই দিনটাতে আমরা কিভাবে মজা করবো। যথারীতি ওখানে ওই পিকনিক স্পটে নিজস্ব একটি জায়গায় খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। তাই খাওয়া দাওয়া নিয়ে সেরকম কোনো চিন্তার কারণ ছিল না ,শুধু বাজারটুকুই করে নিতে হবে এইটুকু আমাদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু রান্না তৈরি করেছিল ওই পিকনিক স্পটেরই রান্নার লোক। এরপর আমরা সেই দিনটাতে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়লাম।ভেবেছিলাম দশটার মধ্যে ঢুকে যাবো আর আমাদের তো সময়ের অনেক জ্ঞান🤭 সেই হিসেবে পিকনিক স্পটে ঢুকতে ঢুকতে প্রায় বারোটা বেজে গিয়েছিল । আমাদের সকলের ব্রেকফাস্ট রেডিই ছিল, কিছুটা সময় পিকনিক স্পটটা ঘুরতে ঘুরতে ব্রেকফাস্ট কমপ্লিট করে নিলাম পাউরুটি কলা আর ডিম দিয়েই। তার কিছুক্ষণ পরেই চিকেন সাসলিক এবং ড্রিংকসের কিছু আইটেম ছিল। সেগুলো খেলাম। তারপরে অনেকটা সময় আমি বোন আর টিনটিন ব্যাডমিন্টন খেলছিলাম। দাদারা ক্রিকেট খেলছিল। এরকম কিছুক্ষণ চলার পরে বাস্কেটবল টাইপের একটা খেলা খেলছিলাম যেটাতে জিতলে গিফট ছিল তো সেটা খেলে আমরা ভীষণ মজা পেয়েছি ।যাইহোক দুটো দলে ভাগ ছিল দাদা আর দিদি মিলিয়ে চারজনের একটা টিম। আর আমি ব্ল্যাকস্ আর বোনকে নিয়ে চার জনের আরেকটা টিম তাতে করে দাদা জিতে যায় এক পয়েন্টে ।তাই গিফট আর আমাদের পাওয়া হলো না । সব থেকে বেশি মজা হয়েছিল এই খেলাটা খেলে ।খেলতে খেলতে মোটামুটি অনেকটাই বেলা হয়ে যায়।
তার মাঝখানে আবার আমরা বোটিং ও করেছিলাম । তারপর সাড়ে তিনটে নাগাদ লাঞ্চ সেরে ফেলেছিলাম। আসলেই পুরো পিকনিক স্পটটা ঘুরতে তার মাঝে খেলাধুলা করতে তার সাথে বোটিং করতে করতে যে কিভাবে সময়টা চলে গেছিল বুঝতেই পারিনি ।আর আমাদের লাঞ্চে ছিল রাইস, মটন কষা ,আলু ভাজা, ডাল ,পাপড় চাটনি এবং মিষ্টি প্রত্যেকটা রান্নাই খুব ভালো ছিল। মোটামুটি সাড়ে চারটের মধ্যে লাঞ্চ কমপ্লিট করে আমরা সবশেষে কেক কেটে মুহূর্তটাকে আরো সুন্দর করে তুলেছিলাম আর শীতের বিকেল বুঝতেই পারছেন তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা হয়ে যায় তাই কয়েকটা ছবি তুলে ওখান থেকে বেরিয়ে ওখান থেকে বেরিয়ে যাই ।আর সেই দিনটা ভীষণ ভীষণ আনন্দ করে কাটিয়েছিলাম ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

দাদা ও দিদির আ্যনিভার্সারির দিনটি খুব ভাল কেটেছে আপনাদের সকলের আগে কোন এক পোস্টে পড়েছিলম।আর দাদা ও হ্যাং আউটে বলেছিল।সুন্দর মুহূর্ত গুলো পড়লেও নিজের মধ্যে ভাল লাগা ফিলটা আসে।আপনারা সবাই মিলে সারাটাদিন খুব বেশি আনন্দে কাটিয়েছেন জেনে ভাল লাগলো। খাবার দাবার ও বেশ ভাল ছিল।লাঞ্চ করার পর কেক কেটে দিনটিকে স্মৃতির পাতায় রেখে আপনারা নিজেদের গন্তব্যে চলে এলেন।সুন্দর মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ দিদি।ভাল থাকবেন।
কালো জামা পরে আপনাকে কিন্তু ভীষণ সুন্দর লাগছে। একেবারে পরীর মত লাগছে। ছোট দাদা নিশ্চয়ই মুগ্ধ হয়ে কপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল😍😍। যাইহোক দাদা ও দিদির অ্যানিভার্সারিতে দারুন সময় কাটিয়েছেন দিদি। আসলে প্রিয় মানুষগুলোর সাথে সময় কাটাতে সত্যিই ভালো লাগে। সব আয়োজন অল্প সময়ের ভিতর হলেও দারুন ভাবেই কিন্তু সবকিছু করা হয়েছে। সবাই মিলে একসাথে খেলার মুহূর্ত সত্যিই দারুণ ছিল। সুন্দর মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি দিদি।
কি সুন্দর সময়,দেখতেই ভালো লাগে।দাদাকে হারানো দেখছি কঠিন ব্যাপার আছে।জায়গাটা বেশ সুন্দর।আর বাঙ্গলী তো,তাই ১০ টার সময় ১২ টায় হওয়া ব্যাপার ই না।
আপু দাদা ও দিদিভাইয়ের অ্যানিভার্সারির দিন আপনারা অনেক মজা করেছেন। যেই দলে দাদা খেলবে সেই দল না জিতে যাবে কোথায়। পুরষ্কার আর আপনাদের পাওয়া হলো না,হি হি হি। যায়হোক অনেক মজা করেছেন এটাই সব থেকে বড় পাওয়া। ধন্যবাদ আপু।