আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সামনে আমার কুয়াকাটা ভ্রমণের আরও কিছু গল্প নিয়ে হাজির হয়েছি।আজ আমি রাতের বেলায় বীচে কাটানো কিছু মুহূর্ত ও অন্যান্য কিছু মুহূর্ত নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। আসলে রাতের বেলায় বীচে চেয়ার গুলোতে শুয়ে শুয়ে সমুদ্রের গর্জন শুনতে অসাধারণ লাগে। এছাড়াও বীচে বেশ কিছু দোকান রয়েছে যেগুলোতে হরেক রকম খাবার পাওয়া যায়। আসলে সব কিছু মিলিয়ে এই কুয়াকাটার রাতের সমুদ্র দেখার অনুভূতি সত্যিই চমৎকার ছিল।সেই মুহূর্ত গুলোই আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব। |
কুয়াকাটায় ঘুরে আসা দিন গুলি

ফটোগ্রাফি-১

ফটোগ্রাফি-২

রাতে আমরা যখন সমুদ্রের কাছে গেলাম সে এক চমৎকার অনুভূতি। সমুদ্রের গর্জন শুনতে বেশ ভালো লাগছিল ।আমরা কিছুক্ষণ সমুদ্রের পানিতে পা ভেজালাম ।তারপর পানির ভেতর দিয়ে একটু হেঁটে বেড়ালাম। এভেবে হেঁটে বেড়াতে বেশ ভালো লাগছিল।সমুদ্রের ঢেউ এসে পায়ে লাগছিল বেশ চমৎকার লাগছিল। অন্ধকারে রাতের সমুদ্র একটু অন্যরকম লাগে আমার কাছে ।কেমন যেন একটু ভয় ভয় কাজ করে। |
ফটোগ্রাফি-৩

ফটোগ্রাফি-৪

বেশ কিছুক্ষণ সমুদ্রের পানিতে পা ভেজানোর পর আমরা বীচের বসার যে চেয়ার গুলো থাকে সেগুলো ভাড়া করলাম ।যেখানে একটি সিট এক ঘন্টা ৪০ টাকা করে নেয়া হয় ।আমরা দুটি সিট নিলাম। শুয়ে শুয়ে রাতের সমুদ্র উপভোগ করতে লাগলাম। এখানে আশেপাশে খাবার জন্য প্রচুর ভ্যান ছিল ।সেখানে বিভিন্ন রকমের খাবার পাওয়া যায়। চটপটি, ফুচকা, চা ,কফি, বাদাম আরও বিভিন্ন রকমের খাবার। আমরা সেখান থেকে সেদিন রাতে প্রথমে চটপটি খেলাম তারপর আমাদের চেয়ারে বসার পর চায়ের অর্ডার করলাম। সিটে বসে বসে চা খেলাম আর সমুদ্রের গর্জন শুনলাম ,সে এক চমৎকার অনুভূতি। |
ফটোগ্রাফি-৫

সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার ,তারপর আমরা হ্যাংআউট জয়েন করলাম। বীচে শুয়ে হ্যাংআউট উপভোগ করছিলাম ।সত্যি সেদিন কার হ্যাং আউট আমার কাছে চমৎকার লেগেছিল। একদিকে সমুদ্রের গর্জন অন্যদিকে হ্যাং আউট সত্যিই চমৎকার একটি মুহূর্ত ছিল সেদিন। |
ফটোগ্রাফি-৬

ফটোগ্রাফি-৭

কুয়াকাটায় বেশ কিছু দোকান ছিল। যেখানে হরেক রকমের ঝিনুকের তৈরি জিনিসপত্র ছিল। আমরা সেখান থেকে কিছু জিনিস কিনেছিলাম ।মেয়ের জন্য ঝিনুকের একটি হেয়ার ব্যান্ড কিনেছিলাম ।এছাড়াও আরো ছোট ছোট কিছু জিনিস কিনেছিলাম। তবে এখানকার জিনিসপত্রের প্রাইস কিন্তু খুব একটা কম নয় বরং বেশিই রাখে এরা। |
ফটোগ্রাফি-৮

এই দোকানটিতে বেশ কয়েক রকমের আচার ছিল। আমরা কয়েক রকমের আচার খেয়ে দেখলাম, তার মধ্যে আমাদের দুই রকমের আচার খেতে বেশ ভালো লাগলো ।তেতুলের আচার ও বড়ই এর আচার। সেগুলো আমরা বেশ কিছু প্যাকেট কিনে নিলাম। |
ফটোগ্রাফি-৯

ফটোগ্রাফি-১০

উপরের ফটোগ্রাফি দুটিতে দেখা যাচ্ছে যে অসংখ্য মানুষ সমুদ্র স্নান করছে। এদিন আমরাও সমুদ্রের পানিতে বেশ কিছু সময় ধরে গোসল করেছিলাম। প্রায় দুই ঘন্টা হবে। আমরা প্রথম যেদিন সমুদ্রের পানিতে নেমেছিলাম সেদিন পানি বেশ দূরে ছিল। কিন্তু আজ জোয়ারের সময় পানি একদম তীরে এসে আঁছড়ে পড়ছে ।সত্যিই বেশ উপভোগ করেছিলাম এই দিনে গোসল করে। |
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

🔚ধন্যবাদ🔚

আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।

Preserve and don't disturb!🙏👍
ওয়াও অসাধারণ আপনি কুয়াকায় বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন৷তা আপনার করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বুঝা যাচ্ছে ৷রাতের বেলার দৃশ্য নদীতে মানুষের ভিড় ৷সবনমিলে খুব সুন্দর একটি পোষ্ট করেছেন ৷
ধন্যবাদ আপু এতো সুন্দর একটি পোষ্ট শেয়ার করার জন্য
আপনার কাছে আমার ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো ।ভালো থাকবেন ।আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
সমুদ্রের পাড়ে রাতের বেলায় বেশি মজা দায়ক। আমি কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে রাতের বেলা সমুদ্রের পাড়ে গিয়ে দারুন অতিবাহিত করেছিলাম। সত্যি এত ভাল লাগে সেখান থেকে কোথাও যেতে ইচ্ছে করে না ।অনেক সুন্দর মুহূর্ত পার করেছেন কুয়াকাটাতে ভালো লাগলো।
হ্যাঁ আপনি ঠিকই বলেছেন রাতের বেলায় অসাধারণ লাগে ।সত্যিই কোথাও যেতে মন চায় না আর। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমাদের সাগরকন্যা কুয়াকাটা কে এত সুন্দর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।
লেখাগুলো পড়ে তো মনে হচ্ছে সেদিন রাতের বেলায় সমুদ্রের পাশে দারুন সময় পার করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালো লেগেছে। দোকানগুলোর মধ্যে কিছু কিছু ঝিনুকের জিনিসপত্র দেখা যাচ্ছে। ঝিনুকের জিনিসপত্র আমার কাছে ভালো লাগে। দারুন সময় পার করেছেন কুয়াকাটাতে। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ আপু দোকানগুলোতে ঝিনুকের অনেক জিনিস ছিল। ঝিনুক আপনার পছন্দ জেনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
কুয়াকাটার নাম অনেক শুনেছি এবং অনেক ফটোগ্রাফি দেখেছি, তবে যাওয়ার খুব ইচ্ছা পোষণ করছি আপনার এই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো পর্ব আকারে দেখতে পেয়ে, ধন্যবাদ আপনাকে।
একবার সময় নিয়ে যেয়ে ঘুরে আসবেন। বেশ ভালই লাগবে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপনি খুবই চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে ষষ্ঠ পর্ব শেয়ার করেছেন এর আগের পর্বগুলো আমি দেখেছিলাম আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আপনার এই পোস্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন কুয়াকাটাতে। সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ভাই আপনি আমার আগের পর্বগুলো পড়েছেন জেনে বেশ ভালো লাগলো। এভাবেই পাশে থাকবেন আশা করছি ।আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
কুয়াকাটা সমুদ্র বন্দরে আপনার অনেক আনন্দঘন একটি সময় কাটিয়েছে তা আপনার বিভিন্ন ফটোগ্রাফ থেকে বুঝতে পারলাম। একথা সত্য সমুদ্রের তীরে বেড়াতে গেলে মন এমনই অনেক ভালো হয়ে যায় ।সমুদ্রের বিশাল জলরাশি দেখে মনের গভীরতা খুলে যায়। পর্যটন এরিয়ায় রাত্রিবেলা দোকানগুলোতে অনেক ভিড় জমে যা আপনার ফটোগ্রাফ দেখে বুঝতে পারলাম। ধন্যবাদ আপু কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ।ভাল থাকবেন।
কুয়াকাটায় ভ্রমণের গল্প শেয়ারের পাশাপাশি বেশ কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন, যেগুলির প্রত্যেকটি খুবই ভালো। তবে আমার সবথেকে ভালো লাগলো বীচে বসে রাত উপভোগ করা। সত্যিই এক পুরো অন্যরকম অনুভূতি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিকই বুঝতে পেরেছেন রাতে সমুদ্রের পারে থাকার অনুভূতি সম্পন্ন অন্যরকম ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার কুয়াকাটা ভ্রমণের আনন্দঘন মুহূর্তের কথাগুলো জানতে পেরে আমার অনেক ভালো লেগেছে। পাশাপাশি কুয়াকাটা বিভিন্ন ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে অনেক সুন্দর লেগেছে। বিশেষ করে সমুদ্রে গোসল করার দৃশ্যটি আমার কাছে সবচেয়ে মজার মনে হয়েছে।
মনোযোগ দিয়ে আমার পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন ।আপনার জন্য শুভকামনা রইল।