আলু ও ধুন্দল দিয়ে পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
আজ আমি আপনাদের সামনে একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে এসেছি। আমার আজকের রেসিপিটি হচ্ছে আলু ও ধুন্দুল দিয়ে পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি। আলুর উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি।আর ধুন্দুল দেখতে অনেকটা ঝিঙের মতোই। আমার কাছে এই দুইটা সবজির স্বাদ প্রায় একই রকম লাগে। এই ধুন্দুলের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর । এটি আমাদের হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় এবং হার্ট ভালো রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।এছাড়া এটি আমাদের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখতেও সাহায্য করে। সুতরাং এই সবজিটি আমাদের জন্য খুবই উপকারী একটি সবজি। বেশি বেশি আমাদের এই সবজি খাওয়া উচিত ।তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করছি আমার আজকের রেসিপি ধুন্দুল দিয়ে পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি। |
|---|
| উপকরণ | পরিমান |
|---|---|
| পাবদা মাছ | ৬টি |
| আলু | ২টি |
| ধুন্দুল | ৩টি |
| পেঁয়াজ কুচি | ৩ টি |
| কাঁচা মরিচ | ৪ টি |
| পেঁয়াজ বাটা | ৩ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১ চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১ চা চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | ২ চা চামচ |
| লাল মরিচ গুঁড়া | ১ চা |
| ধনিয়া গুঁড়া | ২ চা চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| ধনিয়া পাতা | পরিমাণমত |
| লবন | স্বাদমতো |
| তেল | পরিমাণমত |
প্রুস্তুতপ্রণালী
ধাপ-১
প্রথমে ধুন্দুল ও আলু ভালোমতো কেটে ধুয়ে নেই। তারপর একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই।
ধাপ-২
তারপর তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দেই ।পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজা হলে সব বাটা মশলা ও লবণ দিয়ে দেই।
ধাপ-৩
তারপর সব গুড়া মসলা দিয়ে ভালোমতো নেড়েচেড়ে মসলাটা কষিয়ে নেই।
ধাপ-৪
তারপর মাছগুলি দিয়ে দেই ও মসলার সঙ্গে ভালো মতো নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে নেই।
ধাপ-৫
তারপর একটু পানি দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করি।
ধাপ-৬
তারপর মাছগুলি কষানো হয়ে গেলে একটি বাটিতে তুলে রাখি। তারপর ওই মসলার মধ্যে সবজিগুলো দিয়ে দেই।
ধাপ-৭
তারপর সবজিগুলো মশলার সঙ্গে ভালো মত নেড়ে চেড়ে একটু পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রান্না করি।
ধাপ-৮
তারপর সবজিগুলো সিদ্ধ হয়ে গেলে ঝোলের জন্য বেশি পানি দিয়ে দেই।
ধাপ-৯
তারপর কাঁচামরিচ দিয়ে দেই ও আরো কিছুক্ষণ রান্না করি।
ধাপ-১০
পানি ফুটে উঠলে মাছগুলি ও ধনেপাতা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করি।
ধাপ-১১
তারপর জিরার গুড়া দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্না করি ।ব্যাস এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আমার আলু ও ধুন্দুল দিয়ে পাবদা মাছ রান্না।
ধাপ-১২
এখন একটি বাটিতে বেড়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
পাবদা মাছ আমার পছন্দের মাছের মধ্যে একটি । এটি দিয়ে দেখছি অনেকেই ঔষধ তৈরি করে আপু । আবার রান্না করে খেতেও খুবই মজা হয় । বিশেষ করে এই যে আপনি যে আলু আর ধুন্দল দিয়ে রান্না করেছেন দেখেই মনে হচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে । আপনি ধাপে ধাপে আপনার রেসিপিটি দেখিয়েছেন । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য ।
ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার রেসিপি টি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভীষণ ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন এই শুভকামনা রইল।
এই ধুন্দল সবজিটা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে ভাজি করে খেতে আবার এরকম পাবদা মাছ দিয়ে সাথে আলু মিশিয়ে ঝোল ঝোল করে খেতে খুব ভালো লাগে। আপনি পাবদা মাছ আলু ও ধুন্দুল দিয়ে চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন খুব ভালো কালার হয়েছে তরকারির কালারটাও।
হ্যাঁ আপু এই ধুন্দুল ভাজি করে খেতেও ভীষণ মজা লাগে আবার এভাবে ঝোল করে খেতেও বেশ ভালো লাগে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
আপনি খুব সুন্দর ভাবে সবজি এবং মাছের সমন্বয়ে নিরামিষ তরকারি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখি আমার খুবই ভালো লেগেছে। করে ধুন্দল সবজিটা শরীরের জন্য খুবই উপকার।
হ্যাঁ ভাইয়া ধুন্দল সবজিটা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী ।এভাবে আপনিও খেয়ে দেখবেন আপনার কাছেও ভালো লাগবে ।ধন্যবাদ আপনাকে।
খুবই মজাদার একটি পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন পাবদা মাছ পছন্দ করে না এরকম মানুষ খুব কমই আছে। আপনার এই রেসিপিটি আমার কাছে অনেক বেশি লোভনীয় মনে হয়েছে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ ভাইয়া আপনি ঠিকই বলেছেন পাবদা মাছ অনেকেই পছন্দ করে ।আর আপনার কাছে আমার রেসিপি ভালো লেগেছে জেনে বেশ ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে।
পাবদা মাছ খুবই সুস্বাদু মাছ যেটা আমার ফেভারিট। খুব সুন্দর করে পাবদা মাছের রেসিপি তৈরি করেছেন। যেটা দেখে খাওয়ার ইচ্ছে জাগলো খুব সুন্দর উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
পাবদা মাছ আপনার ফেভারিট মাছ টেনে বেশ ভালো লাগলো। আসলে পাবদা মাছ এভাবে ঝোল করে খেতে বেশ ভালোই লাগে।ধন্যবাদ আপনাকে।
পাবদা মাছ আমার ফেভারিট একটা মাছ ।যদি নদীর পাবদা হয় তাহলে খেতে আরও অনেক টেস্ট হয় ।আপনি আলু ও ধুন্দুল দিয়ে পাবদা মাছ রেসিপি তৈরি করেছেন দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে ।আর প্রতিটা ধাপ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন যা রান্না ধরন বুঝতে সুবিধা হয়েছে ।শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া আপনি ঠিকই বলেছেন নদীর পাবদা মাছ খেতে ভীষণ সুস্বাদু হয়ে থাকে ।আর এভাবে রান্না করলে খেতে ভালই লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু ও ধুন্দল দিয়ে পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি খুবই সুন্দর হয়েছে দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। আমিও কিছুদিন আগে পাবদা মাছের রেসিপি শেয়ার করেছিলাম। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনার কাছে আমার রেসিপি টি লোভনীয় লেগেছে যিনে ভীষণ ভালো লাগলো ভাই ।এভাবেই মন্তব্য করে পাশে থাকবেন আশা করছি। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ধুন্দুল সবজিটা যখন প্রথম প্রথম বের হয় তখন খেতে মোটামুটি ভালোই লাগে। কিন্তু এখন খেয়ে খুব একটা শান্তি পাই না, কেমন যেন মিষ্টি মিষ্টি লাগে। তবে আমরা ধুন্দুল ও আলু দিয়ে চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করে খেয়েছি, পাবদা মাছ দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি।
আপনার আজকের রেসিপিটি দেখতে যেরকম অসাধারণ, খেতেও নিশ্চয় অনেক সুস্বাদু হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাই আপনি যেহেতু এভাবে কখনো পাবদা মাছ খেয়ে দেখেননি তাহলে অবশ্যই একবার ট্রাই করে দেখবেন ।এই গরমে এই ধরনের পাতলা ঝোল খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু ও ধুন্দল দিয়ে পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি দারুন হয়েছে। ধুন্দল সম্পর্কে আজকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা জানতে পারলাম। এই সবজিটি খেতে যেমন ভালো লাগে তেমনি অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর। আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা এবং মজার রেসিপি তুলে ধরেছেন এজন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ।
আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মনোযোগ দিয়ে আমার পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য। আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা। সব সময় ভালো থাকবেন এই শুভকামনা রইল।
আপু আলু ও ধুন্দল দিয়ে পাবদা মাছ রান্নার রেসিপি দেখে একবারই লোভ লেগে গেল। কারন আমার খুবই পছন্দের রেসিপি। আপনার রেসিপি কালারটা অনেক সুন্দর হয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপু এটি আপনার পছন্দের রেসিপি জেনে বেশ ভালো লাগলো। আসলে এভাবে রান্না করে খেতে বেশ ভালো লাগে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।