শীতের সকালে গ্রামের ফসলের মাঠ ঘুরে আসা
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আজ আবার আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। বেশ কিছুদিন আগে গ্রামে আমার নানু বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম। সময়টা ছিল শীতের শুরুর দিকে। তখন মাত্র শীত শুরু হয়েছিল। একদিন সকালে চিন্তা করলাম গ্রামের ফসলের মাঠ থেকে ঘুরে আসি। কেননা নানুর বাড়িতে গেলে ছোটবেলায় আমরা সব সময় ফসলের মাঠে ঘুরতে যেতাম ।তাই এবার সকাল সকালে বেরিয়ে পড়লাম ফসলের মাঠে ঘোড়ার উদ্দেশ্যে। কাঁচা পাকা ধানের ক্ষেত দেখতে সত্যি চমৎকার লাগছিল। যেদিকে চোখ যাচ্ছিল সেদিকে শুধু ফসলের মাঠই চোখে পড়ছিল।সে এক দারুন অনুভূতি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
শীতের সকালে গ্রামের ফসলের মাঠ ঘুরে আসা
তখন সকাল দশটা বাজে । তখনো মাঠে খুব একটা লোক দেখা যাচ্ছিল না। তবে দূরের কুয়াশা দেখা যাচ্ছিল ।ধানের শীষের উপর শিশির বিন্দু জমেছিল যা দেখতে সত্যি চমৎকার ছিল ।আসলে শীতের সকালে ফসলের মাঠে এক অপরূপ সৌন্দর্য বহন করে যা দেখতে সত্যি ভীষণ ভালো লাগে ।আর গ্রামের মাঠ আমার কাছে সবসময়ই বেশ ভালো লাগে। তাই গ্রামে গেলে সব সময় ফসলের মাঠে ঘুরতে যাবার চেষ্টা করি।
দূর থেকে হাঁটতে হাঁটতে আমি একদম ধানের ক্ষেতের মধ্যে চলে গেলাম ।কেননা কাছ থেকে না দেখলে তার সৌন্দর্য উপলব্ধি করা যায় না ।কাঁচা পাকা ধানের ক্ষেত দেখতে সত্যি চমৎকার ।বহুদূর পর্যন্ত ধানের ক্ষেত দেখা যাচ্ছিল ।দূরের গাছগুলো দেখতেও বেশ ভালো লাগছিল। সব মিলিয়ে এক চমৎকার ভালো লাগার পরিবেশ ছিল।
দূরে ক্ষেতের মধ্যে দেখা যাচ্ছে পানির পাম্পের ঘর ।ওখান থেকেই মূলত পানি বিভিন্ন জমিতে যায় ।আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ওই পাম্পে আমরা গোসল করেছি। দারুন মজা হতো তখন। সব খালাতো ভাইবোনেরা মিলে একসঙ্গে গোসল করতাম ,অন্যরকম অনুভূতি ছিল । ওখানে যাবার পর সেই স্মৃতিই আমার মনে পড়ছিল।
অল্প কিছু সময় নিয়ে আমরা ফসলের মাঠ ঘুরে বেড়ালাম। তবে এভাবে সকালবেলায় ফসলের মাঠে খুব কম আসা হয়েছে। বেশ ভালো লেগেছিল সেদিনের ঘুরে বেড়ানোটা। অন্যরকম একটা ভালো লাগার অনুভূতি ছিল।
তারপর কিছু সময় ঘোরাঘুরি করে আমরা আবার নানু বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। আসলে অনেকদিন পর পর গ্রামে যাওয়া হয় ,যার কারণে গ্রামের এই পরিবেশ আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে ।কেননা শহরে এই ফসলের মাঠ দেখার সুযোগ খুব কম হয় ।যার কারণে আরো অনেক বেশি ভালো লাগা কাজ করে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | OPPO Reno8 T |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি একজন হাউজ ওয়াইফ। সমাজবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করেছি।ঘুরে বেড়াতে , ঘুমাতে এবং গান শুনতে আমি ভীষন পছন্দ করি।বাগান করা আমার শখ।এছাড়াও আর্ট , বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করতেও ভালো লাগে। আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
আপু আপনি দেখছি শীতের সকালে গ্ৰামের ফসলের মাঠ খুব সুন্দর একটা সময় অতিবাহিত করেছেন। এবং সেখান থেকে বেশ চমৎকার কয়েকটি ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া গ্রামের ফসলের মাঠে খুব সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম ।আর ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনাকে।
চমৎকার ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করলেন। আপনি ঠিক বলছেন শীতের দিনে গ্রামের মজাই আলাদা। বিশেষ করে ধান ক্ষেত দেখতে আমার খুব বেশি ভালো লাগে। পাকা ধান গুলো দেখতে খুবই সুন্দর হয়। নানুর বাড়িতে যেয়ে খুব সুন্দর ধান ক্ষেতে ঘুরতে গেলেন। ধান ক্ষেতের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো।
হ্যাঁ আপু নানু বাড়িতে যেয়ে ভালই ধান খেতে ঘুরে বেরিয়েছি ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
গ্রামের পরিবেশটাই অন্যরকম। সোনালী ধানক্ষেত, সবুজ প্রকৃতি সবই যেন চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মতো। আমি যেহেতু গ্রামের ছেলে গ্রামের সৌন্দর্য আমাকে প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে। আপনার নানুর বাড়িতে দারুণ সময় অতিবাহিত করেছেন 🌼
ভাইয়া আমরা গ্রামে না থাকলেও গ্রাম কে ভীষণ ভালোবাসি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।ভালো থাকবেন।
বাহ দারুন তো আপু অনেক সুন্দর সুন্দর প্রকৃতির কিছু ফটোগ্রাফী আজ আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। শীতের দিনে গ্রামের মজাই কিন্তু আলাদা আপু।।আমরা যারা শহরে থাকি তারা কিছুতেই গ্রামের মজা বুঝতে পারিনা। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু শহরে থাকলে গ্রামের আনন্দ বোঝা যায় না। তাইতো যখন গ্রামে ঘুরতে যাই বেশ ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
শীতের সকালের ফসলের মাঠ দেখতে দারুণ লাগছে।কাঁচা পাকা ধান।কেউবা ধান কেটে রেখে দিয়েছে মাঠেই। অপূর্ব দৃশ্য। ঠিক বলেছেন আপনি ধানের কাছাকাছি গিয়ে কাঁচাপাকা ধানের সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন জেনে ভালো লাগছে।ধন্যবাদ সুন্দর ফসলের মাঠের সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু শীতের সকালে ধানের ক্ষেত দেখতে সত্যি ভীষণ ভালো লেগেছিল। কাঁচা পাকা ধানে ভর্তি ছিল ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
আপনি নানু বাড়িতে গিয়ে গ্রামের মাঠে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। শীতের সকালে গ্রামের মাঠে গিয়ে ঐ প্রাকৃতিক দৃশ্য অবলোকন করার মধ্যে আলাদা একটা প্রশান্তি আছে। আপনি ধানক্ষেতের এবং মাঠের ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার করেছেন। সত্যি একেবারে মনমুগ্ধকর। দারুণ করেছেন ফটোগ্রাফি গুলো। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
হ্যাঁ আপু শীতের সকালে গ্রামের ফসলের মাঠে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ অন্যরকম। যদিও এর আগে কবে গিয়েছি মনে নেই ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
এই দারুণ শীতের সকালে গ্রামের ফসলের মাঠ দেখে মন ভরে গেছে। এরকম শীতের সকালে ফসলের মাঠ দেখতে কার না ভালো লাগে। আসলে গ্রামে গেলে মন ভালো হয়ে যায়। এই সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই আপু৷
হ্যাঁ আপু গ্রামে গেলে অন্যরকম মানসিক শান্তি পাওয়া যায়। তাই তো মন ভালো হয়ে যায়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য। ভালো থাকবেন।
নানা বাড়িতে গেলে এরকম সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরে বেড়াতে আসলেই খুব ভালো লাগে । আপনি দেখছি হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূর পর্যন্ত চলে গিয়েছিলেন । এই শীতের ভিতরে ঘোরার কথা চিন্তা করলেই গায়ে কেমন যেন শীত শীত ভাব আসে । যদিও গ্রামে এ সময়টা অনেক রোদ থাকে । ভালো লাগছে আপনার ফসলের মাঠের ছবিগুলো দেখে । খুব এনজয় করেছিলেন মনে হচ্ছে মাঠ দিয়ে হেটে ।
আপু আমি যখন ফসলের মাঠে গিয়েছিলাম তখন শীতের শুরুর দিকে। তখন অতটা শীত ছিল না ।এখন যতটা পড়েছে। তাই তো ভালো লেগেছিল। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।