স্টেডিয়ামের সামনে রকমারি জিনিসের দোকান

in আমার বাংলা ব্লগ4 years ago

আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।



বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সামনে স্টেডিয়ামের গেটের সামনের রকমারি জিনিসের দোকান নিয়ে আলোচনা করতে এসেছি। আপনারা হয়তো জানেন বিজয় দিবসের দিন আমি স্টেডিয়ামে সকালবেলায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে রীতিমতো অবাক হয়েছিলাম এত লোক দেখে ।স্টেডিয়ামের উপর থেকে স্টেডিয়ামের গেটের সামনে বসে থাকা কিছু জিনিসপত্রের ছবি তুলেছিলাম ।আবার সেগুলোর সামনে থেকেও বেশ কিছু ফটোগ্রাফি নিয়েছিলাম। বেশ ভালো লেগেছিল।সেই বিভিন্ন রকম ফটোগ্রাফি নিয়ে আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগবে।

স্টেডিয়ামের সামনে রকমারি জিনিসের দোকান


20221216_105826.jpg

20221216_100532.jpg


স্টেডিয়ামের গেটের সামনে যে এত জিনিসপত্রের দোকান থাকে সে সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল না। আমি যেয়েতো রীতিমত অবাক হয়েছিলাম এত জিনিসপত্র দেখে। বিভিন্ন রকমের জিনিসপত্র ছিল ।খেলনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাবার আইটেমও ছিল সেখানে। বাচ্চারা তো বিভিন্ন জিনিস কেনায় ব্যস্ত ছিল। সাধারণত সব ধরনের মেলায় এই বেলুন ও বাবল গুলো দেখতে পাওয়া যায় ।এখানেও দেখলাম এগুলো বিক্রি করছে।আমার মেয়ে তো নেওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠলো।

20221216_100652.jpg

20221216_100655.jpg


এখানে দেখলাম বেশ কিছু খাবারের দোকান। একটি দোকানে দেখলাম চিকেন দিয়ে অনেক কিছু তৈরি করছে ।বেশ সুস্বাদু এবং লোভনীয় দেখে মনে হল। যদিও আমি ওখান থেকে কিছু খাইনি। তারপর একটি দোকানে দেখলাম চটপটি ফুচকা বিক্রি করছে। আরো একটি দোকানে আখের শরবত বিক্রি করছে। এছাড়াও বিভিন্ন জুসের দোকান ছিল। বেশ কিছু খাবার আইটেম ওখানে দেখলাম।

20221216_100704.jpg

20221216_100701.jpg


তারপর দেখলাম একটি লোক ভ্যানে করে ডাব বিক্রি করছে ।অনেকে ওখানে দাঁড়িয়ে ডাব কিনে খাচ্ছে আসলে ডাব খাওয়াটাই অনেক বেশি নিরাপদ। এখানে ভেজাল নেই, স্বাস্থ্যসম্মতও বটে। এটি খাওয়াই হয়তো তাদের কাছে সব থেকে বেশি নিরাপদ মনে হয়েছে।

20221216_105754.jpg

20221216_105805.jpg


এই দোকানগুলোতে দেখলাম বেশ কিছু প্লাস্টিকের খেলনা বিক্রি করছে। অনেক বাচ্চারা এই প্লাস্টিকের খেলনা কিনছে। বাচ্চারা এই খেলনাগুলো বেশ পছন্দ করে এবং ক্রয় করে থাকে। এখানে তাদের খেলনার হাঁড়ি পাতিল থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর জিনিসপত্র ও থাকে। দেখতে বেশ ভালই লাগে।

20221216_105925.jpg

20221216_110017.jpg


এখানে একটি বয়স্ক লোক কিছু সোনালী ও রুপালি কালারের ময়ূর নিয়ে বসে ছিল। এই ময়ূর গুলো দেখে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। ছোটবেলায় এ ধরনের ময়ূর আমরা মেলা থেকে কিনেছিলাম। আমার মেয়ে তো এগুলো দেখে বেশ পছন্দ করলো ।এগুলোতে এখন সামান্য একটু পরিবর্তন এসেছে। ময়ূর গুলোতে লাইট জ্বলে।মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলাম কোন কালারের ময়ূর নিবে ? সে সোনালী কালারের ময়ূর নিতে চাইল। লোকটি ময়ূরটি মেয়ের হাতে দিয়ে সুরে সুরে বারবার বলতে থাকলো বলো সোনার পাখি, সোনার বাংলাদেশ। ব্যাপারটা বেশ ভাল ছিল।

20221216_105852.jpg


এখানে আরও একটি লোক দেখলাম ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি ভেবেছিলাম এই ফুলগুলো হয়তো বিক্রি করে। পরে দেখলাম লোকটি চিৎকার করে বলছে এই ফুলের সামনে এসে ছবি তুলে যান, ছবি তুলে যান। খুবই সুন্দর ছবি আসবে। পরে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম যে, এখানে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা যায়। বেশ অন্যরকম লাগলো ব্যাপারটি।

আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ফটোগ্রাফার:@wahidasuma
ডিভাইস:স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০

🔚ধন্যবাদ🔚

@wahidasuma

আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।

logo.gif

VOTE@bangla.witness as witness witness_proxy_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_vote.png

Sort:  
 4 years ago 

আপু অনেক কিছুর দোকান,আসলে বাচ্চাদেরকে আকর্ষণীয় করার জন্য রংবেরঙের খেলনার দোকান। বাবল গুলোর কথা কি বলবো,আমার ছেলেও দেখলে নেওয়ার জন্য পাগল হয়ে যায়।আসলে ময়ূর গুলো সুন্দর লাগছে দেখতে। একটা ব্যপার বেশ ইন্টারেস্টিং লাগলো ফুলের সামনে ছবি তোলার জিনিস টা,এর আগে এমন কখনোই দেখিও নি শুনিও নি।

 4 years ago 

হ্যাঁ আপু আমার মেয়েও এই বাবল গুলো যেখানেই দেখবে সেখানেই তাকে কিনতেই হবে। যদিও বাসায় থাক না কেন । আর ফুলের ব্যাপারটি আমার কাছেও বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

 4 years ago 
আপনার শেয়ার করা ছবিগুলো দেখে অনেকটা মেলার মত মনে হয়েছে। অনেক জিনিসপত্র দেখতে পেলাম। ময়ূর গুলো আমার খুব ভাল লেগেছে। ঠিক বলেছেন ডাব তুলনামূলক অনেক নিরাপদ। তবে দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফুলের সামনে ছবি তোলার ব্যাপারটি পড়ে খুব মজা পেয়েছি। ফুলগুলো দেখতও খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। ধন্যবাদ আপু।
 4 years ago 

হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন ডাবের দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। তার পরেও খেতে বেশ ভালই লাগে। আর ওই জায়গাটই প্রায় মেলার মতোই হয়েছিল। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

 4 years ago 

এর আগে আপনার পোষ্টের মাধ্যমে জেনেছিলাম যে বিজয় দিবস উপলক্ষে আপনি স্টেডিয়ামে ঘুরাঘুরি করতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে খুবই চমৎকার একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন। আসলে আপনি অবাক হয়ে গিয়েছেন স্টেডিয়ামের সামনে গিয়ে হয়তোবা এরকম এর আগে কখনোই দেখেননি। আসলে এরকম কোন অপ্রত্যাশিত কিছু দেখলে নিজের কাছে অবাক লাগবে এটাই স্বাভাবিক। সেখানে গিয়ে আপনি কিছু চমৎকার ফটোগ্রাফি করেছেন এবং প্রতিটি ফটোগ্রাফির নিচের সুন্দর বর্ণনা করেছেন যার কারণে বুঝতে খুবই সুবিধা হয়েছে। সুন্দর মুহূর্তের পাশাপাশি সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 4 years ago 

ভাই আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ।আর আপনি আমার আগের পোস্টটিও পড়েছেন জেনে সত্যিই ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.106
BTC 64716.05
ETH 1912.55
USDT 1.00
SBD 0.37