নদীর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা বেশ কিছুদিন আগে নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম । তখন নদীর পাড়ে নদীকে কেন্দ্র করে মানুষের জীবনযাত্রা লক্ষ্য করলাম । আর নদীর পাড়ের মানুষেরা নদীর উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল থাকে । এই নদীর পারেই মানুষের বসতি রয়েছে । যার কারণে নদীর পরিবর্তী মানুষেরা নদীর পানি বাড়লে একদিকে যেমন সুবিধার সম্মুখীন হয় আবার অন্যদিকে অসুবিধার সম্মুখীন হয় । নদীর পানি পারলে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় । আবার নদীর তীরবর্তী লোকেরা তীরে দাঁড়িয়েই বেশ ভালো মাছ ধরতে পারে। আবার নৌকা নিয়ে একটু দূরে গেলেই প্রচুর পরিমাণে মাছ ধরা পড়ে। আসলে নদীকে কেন্দ্র করেই মানুষের জীবন যাপন।
নদীর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা
এতদিন নদী বেশ দূরে ছিল । নদীতে চড় জেগেছিল, যার কারণে এভাবে তীরে থেকে বস্তা নৌকায় তোলা বেশ অসম্ভব ছিল । তখন ঘোড়ায় করে নদী পর্যন্ত মালামাল নিয়ে যেতে হতো। কিন্তু এখন নদীর পানি তীরের কাছে চলে আসায় খুব সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিস নৌকায় করে দূরে কোথাও নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।
এখানে দেখা যাচ্ছে একজন মহিলা নদীর পাড়ে বসে বসে কাপড় ধুতছেন । আসলে নদীর পাশেই তাদের বাড়ি যার কারণে প্রয়োজনীয় কাজবাজ এখানেই নদীর পানি দিয়ে তারা করে থাকেন।পাশে একটি নৌকা ও বাধা আছে।
এখানে আরও একজন মহিলা হাড়ি পাতিল পরিষ্কার করছে দেখা যাচ্ছে । আসলে নদীর পানি দিয়ে এসব মানুষজন হাড়ি পাতিল, কাপড়-চোপড় পরিষ্কার করে । যদিও নদীর পানি এখন খুব একটা পরিষ্কার না । আর থালা বাটি নদীর পানিতে ধোঁয়া একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয় । তারপরেও এই নদীর পাড়ের মানুষগুলো এখনো যথেষ্ট পরিমাণে স্বাস্থ্য সচেতন হতে পারেনি। যার কারনে তারা এখনো নদীর পানি দিয়ে গৃহস্থালির যাবতীয় কর্মকান্ড সম্পাদন করে।
এই নদীকে কেন্দ্র করে আবার অনেকে নদীর পাড়ে চটপটি ফুচকার দোকান দেয় । কেননা এই নদীতে যখন পানি বাড়ে তখন শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন আসে নদীর পাড়ে ঘুরতে। তখন এই চটপটি ফুচকা গুলো বেশ ভালো বিক্রি হয়। নদীকে কেন্দ্র করে এটিও মানুষের অন্যতম একটি আয়ের মাধ্যম।
এছাড়াও নদীর পাড়ের মানুষগুলোকে হাঁস- মুরগি, গরু -ছাগল পালন করতে দেখা যায় ।নদীর পাড়ে এগুলো খোলা পরিবেশে ছেড়ে রাখে। বেশ ভালোভাবে এগুলো বেড়ে ওঠে । প্রাকৃতিক খাবার খেয়েই এগুলো বেড়ে ওঠে । আসলে এরকম প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়াতে আমার বেশ ভালো লাগে । আর নদীকে কেন্দ্র করে মানুষের জীবন জীবিকা দেখতেও বেশ ভালো লাগে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | OPPO Reno8 T |
| লোকেশন: | ধলার মোড়,ফরিদপুর |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
নদী কেন্দ্রিক মানুষ গুলো নদীর উপরেই নির্ভর করে বেঁচে থাকে। তবে হ্যাঁ নদী কেন্দ্রিক মানুষ গুলোর আবার বন্যার আশঙ্কা থাকে যাইহোক নদীর পারে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ঘুরতে যায় এই জন্যই সেখানে চটপটির দোকান বসানো হয়েছে।
হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন নদীকেন্দ্রিক মানুষগুলো নদীর উপরে নির্ভর করেই বেঁচে থাকে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ভালো থাকবেন।
যারা নদীর পাড়ে বসবাস করে তাদের জন্য এই নদী হচ্ছে অনেক বড় সম্বল। অনেক মানুষ রয়েছে যারা নদী থেকে মাছ ধরে সেগুলো বিক্রি করে নিজেদের সংসার চালায়। আর সেই নদীর উপর নির্ভরশীল হয়ে তারা বেঁচে থাকে। আপনি নদীর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে অনেক সুন্দর একটা পোস্ট লিখেছেন আপু। আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে আপনার লেখা এই পোস্টটা পড়তে
হ্যাঁ আপু আপনি ঠিকই বলেছেন এই নদীর পারের মানুষগুলো নদীর মাছ বিক্রি করে সংসার চালায় । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমি যখন নদীর পাড়ে ঘুরতে যাই তখন আমারও চোখে পড়ে এরকম দৃশ্যগুলো। আসলে নদীর পাড়ের মানুষগুলো সব সময় নদীর উপরে নির্ভরশীল থাকে। আর তারা নদীতে মাছ ধরে পুরো ফ্যামিলিটা চালায়। সেই সাথে বন্যার সময় কিন্তু তারা অনেক আশঙ্কায় থাকে বন্যার। অনেক সময় তো নদী ভাঙ্গন দেখা দেয় যা তাদের জন্য খুবই বিপদজনক। নদীর পাশে যাদের বাড়ি ঘর রয়েছে তাদের ঘরে অনেক সময় পানি ঢুকে যায় বন্যার কারণে। তাদের জীবনযাত্রা একেবারে অন্যরকম। এই টপিকটা নিয়ে পোস্ট করেছেন দেখে ভালো লেগেছে।
হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন নদীর পাড়ে গেলে এরকম দৃশ্যগুলো দেখা যায় । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য । ভালো থাকবেন।
যারা নদীর পাড়ে বসবাস করে তাঁরা মুক্ত বাতাস খেতে পারে। তবে নদীগুলো যখন গরম থাকে তখন নদীর পাড়ে মানুষের গুলোর জন্য অনেক ভয় থাকে। এবং নদীর পাড়ের মানুষগুলো তাজা মাছ খেতে পারে। তাদের নিত্যদিনের কাজ এবং গরু ছাগল পালন করে থাকে। তবে সবচেয়ে বড় কথা নদীর পাড়ে ঘুরতে অনেক মজাই লাগে। আর আপনি নদীর পাড়ের খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার পোস্টটি পড়ে অসম্ভব ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ, আপু নদীর পাড়ে ঘুরতে গেলে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে ।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
নদীর পাড়ের মানুষের জীবন যাত্রা নিয়ে খুব সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করলেন আপু।পড়ে খুব ভালো লাগলো। আসলে নদীই তাদের একমাত্র সম্বল।এই নদীতেই সবকিছু তাদের।তবে তারা সচেতন খুব কমই।এই নদীর পানিতে ই তাদের প্রতিদিনকার কাজকর্ম করা।নদীর পাড়ে হাঁস,মুরগি,গরু,ছাগল ছেড়ে দেয়া।এটাই তাদের নিত্যদিনের কাজ।খুব সুন্দরভাবে অনুভূতিগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
আসলে আপু নদীর পাড়ের মানুষদের সকল কর্মকান্ডই নদীকেন্দ্রিক। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
নদীর পাড়ে ঘুরতে ভীষণ ভালো লাগে। নদীর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে অনেক সুন্দর একটি ধারা দিয়েছেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগলো। চমৎকার একটি পোস্ট উপহার দিয়েছেন ভালো লাগলো আপু। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
ভাইয়া আপনার মত আমারও নদীর পাড়ে ঘুরতে ভীষণ ভালো লাগে । তাই তো সময় সুযোগ হলেই নদীর পাড়ে চলে যাই ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা। আমাদের বাড়ির পাশে ছোট ফেনী নদী আছে। তাই সকাল বিকাল আমরা নদীর ধারে ঘুরতে যাই। তবে নদীর ধারে যারা আছে তারা তাজা মাছ খেতে পারে। তবে অনেক সময় বর্ষার সময় নদীর ধারে মানুষগুলোর জন্য অনেক বিপদ। যখন পানিগুলো অতিরিক্ত বেড়ে যায়। বর্ষার সময় নদীতে পানির কারণে থৈই থৈই শব্দ করে। সবচেয়ে বড় কথা নদীর ধারে মুক্ত বাতাসে ঘুরতে অনেক ভালোই লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য।
ভাই আপনাদের বাড়ীর পাশেই নদী আছে এবং সেখানে মাঝে মাঝে ঘুরতে যান জেনে বেশ ভালো লাগলো ।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
নদীর পাড়ে যাদের বাড়িঘর রয়েছে, তাদের সুবিধা অসুবিধা দুটোই রয়েছে। সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে নদীর পানি অতিরিক্ত বাড়লে ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার অনেক সময় ট্রলার নিয়ে ডাকাতরা আসে ডাকাতি করতে। তবে অনেক সুবিধাও রয়েছে। যেমন ফুরফুরে বাতাস অনুভব করতে পারে, অনেক মাছ ধরতে পারে। যাইহোক চমৎকার একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপু। সেজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে ভাইয়া আপনি ঠিকই বলেছেন নদীর পাড়ে যাদের বাড়ি ঘর রয়েছে তাদের সুবিধা অসুবিধার দুটোই রয়েছে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
নদীর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা সবসময় নদীময়ী হয়ে থাকে কারণ তাদের সকল কর্মযজ্ঞ হয়ে থাকে নদীর মাধ্যমে। নদীর পাড়ে অধিকাংশ জেলেদের বাড়ি হয়ে থাকে এবং নদী থেকে মাছ মেরে তারা জীবিকা নির্বাহ করে। নদীর পাড়ে মানুষের জীবনযাত্রার আপনার অনুভূতি পড়ে খুবই ভালো লাগলো।
হ্যাঁ ভাই আপনি একদম ঠিকই বলেছেন নদীর পারে জেলেদের বাসস্থান হয় এবং তারা নদীর মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করে । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।