পটেটো চিজ বল রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সামনে বিকেলের নাস্তার দারুণ একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি ।আমার আজকের রেসিপিটি হচ্ছে পটেটো চিজ বল ।দারুন মজার খেতে। বিকেলের নাস্তায় একদম পারফেক্ট একটি খাবার ।মুচমুচে পটেটো চিজ বল খেতে খুবই চমৎকার। আসলে বিকেল বেলায় একটু ভাজাপোড়া খেতে সবারই ভীষণ ভালো লাগে। আর সেটা যদি হয় মুচমুচে চিজ বল তাহলে তো কোন কথাই নেই। যে কেউ অনায়াসে খেয়ে ফেলতে পারবে। তাই ভাবলাম এই মজার রেসিপিটি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করি। যাতে আপনারাও বানিয়ে খেতে পারেন। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন চলে যাই মূল রেসিপিতে।
পটেটো চিজ বল রেসিপি
- আলু
- চিজ
- ডিম
- বিস্কুট গুঁড়া
- লাল মরিচ গুঁড়া
- ধনিয়া গুড়া
- জিরা গুঁড়া
- গরম মসলা গুড়া
- লবণ
- বিট লবণ
- গোল মরিচের গুঁড়া
প্রুস্তুতপ্রণালী
প্রথমে আলুগুলোকে ভালো মতো ধুয়ে মাঝখান থেকে কেটে নেই। তারপর একটি প্রেসার কুকারে দিয়ে সিদ্ধ করে নেই ।আলু সিদ্ধ হয়ে এলে খোসা ছাড়িয়ে নেই।
এখন আলু গুলোকে ম্যাশ করে নেই।আলু ম্যাশ করে নেওয়ার পর জিরা গুঁড়ো, লবণ, বিট লবণ দিয়ে দেই।
তারপর বাকি মসলাগুলো দিয়ে ভালো করে আবারো ম্যাশ করে নেই।
তারপর আলুগুলোকে গোল করে মাঝখানে চিজ দিয়ে ঢেকে দেই।
এভাবে সবগুলো বলের মত বানিয়ে নেই।
তারপর একটি ডিম ফেটে নেই ।তারপর লবণ, গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ডিমটাকে ভালো করে ফেটে নেই ও একটি আলুর বল দিয়ে দেই।
তারপর আলুর বলটিকে ডিমের মধ্যে ভালোমতো এপাশ ওপাশ উল্টিয়ে বিস্কুটের গুঁড়োর মধ্যে গড়িয়ে নেই।
এভাবে সবগুলো বল বিস্কুটের গুঁড়ার মধ্যে এপাশ ওপাশ উল্টিয়ে নেই।
তারপর একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই ।তেল গরম হলে আলুর বল গুলোকে দিয়ে দেই এবং এপাশ ওপাশ ভালো মতো উল্টিয়ে লাল করে ভেজে নেই।
ব্যাস এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আমার পটেটো চিজ বল ।এখন টমেটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করি। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার রেসিপিটি ভালো লেগেছে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি একজন হাউজ ওয়াইফ। সমাজবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করেছি।ঘুরে বেড়াতে , ঘুমাতে এবং গান শুনতে আমি ভীষন পছন্দ করি।বাগান করা আমার শখ।এছাড়াও আর্ট , বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করতেও ভালো লাগে। আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
আপু আজ দারুণ একটি বিকালের নাস্তার রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন। বিকেল বেলায় গরম গরম পটেটো চিজ বল আসলেই দারুণ নাস্তা আইডিয়া, বিশেষ করে যাদের বাসায় ছোট পিচ্চি আছে তাদের জন্য।
হ্যাঁ আপু এ ধরনের খাবার বাচ্চারা অনেক বেশি পছন্দ করে। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার বানানো পটেটো চিজ বল দেখতে ভীষণ লোভনীয় হয়েছে।আমি চিকেন চিজ বল করেছি। পটেটো চিজ বল করা হয়নি। খেতে ভীষণ মজার হয়।এ ধরনের খাবার বিকেলের নাস্তায় বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু মজার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আপু আপনি পটেটো চিজ বল যেহেতু কখনো করেননি তাহলে একবার করে দেখবেন ।ভালো লাগবে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পটেটো চিজ দেখেই খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। আসলে এত চমৎকার রেসিপি দেখলে খাওয়ার লোভ কন্ট্রোল করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়ে। আজ আপনি খুব সুন্দর করে চমৎকার ভাবে পটেটো চিজ বল রেসিপি তৈরি করেছেন । পটেটো চিজ বল দেখতে ভীষণ লোভনীয় লাগছে। জিরা গুঁড়া এবং গরম মসলা গুড়া দেওয়াতে খেতে খুবই দরকার হবে। এত সুন্দর পটেটো চিজ বল তৈরি করে আমাদের মাঝে সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে ভাইয়া এটি বেশ কিছু উপকরণ দিয়ে তৈরি যার কারণে খেতে বেশ সুস্বাদু হয়ে থাকে ।আপনিও একবার খেয়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পটেটো চিজ বল তৈরি করার দারুন একটা রেসিপি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এর আগে আমি কোনদিন এমন রেসিপি দেখেছিলাম না তাই আমার কাছে এটা ভিন্ন ধরনের একটা রেসিপি মনে হয়েছে।
ভাইয়া এটি যেহেতু কখনো এর আগে খাননি তাহলে একবার অবশ্যই ট্রাই করে দেখবেন। খেতে ভীষণ ভালো লাগবে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
খুব সুন্দর হয়েছে পটাটো চিজ বল, বিশেষ করে উপস্থাপন খুবই চমৎকার ছিল সেই সাথে ডেকোরেশনটাও খুব সুন্দর হয়েছে, প্লেটের মধ্যে খুব সুন্দর করে পরিবেশন করেছেন দেখতে খুব সুন্দর লাগছে।
ভাইয়া আপনার কাছে আমার রেসিপিটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য। ভালো থাকবেন।
পটেটো চিজ বল রেসিপি বাহ্ আপু খুব চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। এধরনের খাবার গুলো কম বেশি সবাই পছন্দ করেন। তার মধ্যে আমিও একজন। আমার কাছে তো মনে হচ্ছে পটেটো চিজ বল গুলো আমার দিকে তাকিয়ে আছে। নতুন একটি রেসিপি শিখতে পেয়ে ভীষণ ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
ভাইয়া এটি খেতে কিন্তু বেশ মজার ।আপনি একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পটেটো চিজ বল রেসিপি দেখিয়ে তো লোভ ধরিয়ে দিলেন আপু। দেখে মনে হচ্ছে পরিবেশনের প্লেট থেকে চট করে তুলে খেয়ে ফেলি। কেননা আপনার তৈরি পটেটো চিজ বল রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় হয়েছে। আমার বিশ্বাস খেতেও খুবই মজার হয়েছিল। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু,খুব মজার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া প্লেট থেকে উঠিয়ে নিয়ে খেয়ে নিন। খেতে কিন্তু বেশ মজার ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পটেটো চিজ বল রেসিপি খুবই লোভনীয়। একদিন আমাদের বাসায় বানিয়ে ছিল খুব সুস্বাদু হয়েছিল খেতে। সত্যি বলতে চিজ নিয়েছিলাম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য। প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করা শেষে কিছু চিজ বেচে গিয়েছিল। সেই চিজ
দিয়েই পটেটো চিজ বল বানিয়েছিল। আজকে আপনার এই রেসিপি দেখে পুরনো সেই কথা মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ আপু ভালো থাকবেন।
ভাইয়া আপনি যেহেতু এটি খেয়েছেন তাহলে তো জানেন এটি খেতে কেমন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
পটেটো চিজ বল আগে কখনো খাওয়া হয়নি। তবে আপনার রেসিপিটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটা খেতে অনেক সুস্বাদু। আমি অবশ্যই বাসায় একদিন রেসিপিটা ট্রাই করব। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ আপু এটা খেতে বেশ সুস্বাদু ।আপনি অবশ্যই একদিন বাসায় ট্রাই করে দেখবেন ।নিশ্চয়ই ভালো লাগবে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আমাদের কমিউনিটিতে মাঝে মাঝে কিছু রেসিপি দেখলে নিজেকে কন্ট্রোল করা খুবই কঠিন। আজকে আপনার পটেটো চিজ বল রেসিপিটা তেমন। খুবই ইউনিক একটি রেসিপি হয়েছে। সিঙ্গারার পরিবর্তে পটেটো চিজ বল খেলে বেশি ভালো লাগবে। ধন্যবাদ।
আসলে ভাইয়া সিঙ্গারা এবং পটেটো চিজ বল দুটি সম্পূর্ণই আলাদা জিনিস। তবে এটির স্বাদ খুবই চমৎকার ।আপনি একবার খেয়ে দেখতে পারেন ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।