লাইফস্টাইল|| ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজ আবারও নতুন একটি পোস্ট নিয়ে চলে এসেছি। আজ ভিন্ন এক অনুভূতি শেয়ার করতে এসেছি। আমরা যখনই বাহিরে হাঁটতে বের হই তখনই ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্ট চোখে পড়ে। কিন্তু অন্যদিকে খাওয়া করে চলে আসি, সেখানে আর যাওয়া হয় না। বেশ কিছুদিন আগে আমার হাজবেন্ড বলতাছে চলো ভূতের আড্ডা থেকে ঘুরে আসি। এই কথা শুনে আমার ছেলে খুব খুশি। এরপর সে সবার আগে রেডি হয়ে যায়। আমার বাসা থেকে এই রেস্টুরেন্ট বেশি দূরে নয়। ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্টে দু'তালায় রয়েছে। মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য বাহিরে কঙ্কালের মুখ লাগিয়ে সাজানো হয়েছে। এটা দেখতে যেমন ভয়ংকর লাগছে তেমনি সুন্দর ও লাগছে।
এরপর আমরা সিঁড়ি দিয়ে দু'তলায় উঠে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করি। এর ভিতরে গিয়ে একদমই অবাক হয়ে যাই। যেহেতু ভূতের নাম দেওয়া হয়েছে তাই সম্পূর্ণ রেস্টুরেন্টের ভিতরে লাল লাইটিং করা হয়েছে। ভিতরে গেলে মনে হয় যেন সত্যিই আমরা ভূতের বাড়িতে এসেছি। তাদের এই রেস্টুরেন্ট যেন লাইটিং এর জন্য স্পেশাল লাগছিল। এরপর আরেএকটু সামনে যেতেই ভিতরের ডেকোরেশন দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। ভূতের ঘর বুঝানোর জন্য তারা দেয়ালে সারি সারি কঙ্কালের মাথা সাজিয়ে রেখেছে।
তাছাড়া আরও বিভিন্ন জিনিস দিয়ে ডেকোরেশন করা হয়ছে যা দেখে সত্যিই ভূতের বাড়ি লাগছে। এরপর সেখানে একটি দোলনা রাখা রয়েছে আর দোলনার পাশেই বড় কঙ্কাল রেখে দিয়েছে। এরপর আরও একটি জিনিস চোখে পড়ার মতো ছিল সেটা হলো টিস্যু রাখার জায়গা। তারা নারিকেলের ভিতরের অংশ বের করে সেটাকে খুব সুন্দর ভাবে চোখ মুখ দিয়ে ডিজাইন করে এর ভিতরে টিস্যু রাখার জায়গা বানিয়েছে। প্রতিটা টেবিলে এমন একটি টিস্যু বক্স রাখা।
মোটকথা ভয়ংকর এবং মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য তারা খুব সুন্দর ভাবে রেস্টুরেন্ট কে সাজিয়ে তুলেছে। এরপর আমরা ফ্রাইড রাইস অর্ডার করি। বেশ কিছুক্ষণ পর আমাদের খাবার চলে আসে। আমি এই পর্যন্ত অনেক রেস্টুরেন্টে ফ্রাইড রাইস খেয়েছি কিন্তু আমার কাছে তাদের এই প্যাকেজ একটু ইউনিক লেগেছে। তাদের ফ্রাইড রাইস প্যাকেজে ডিম পুস যোগ করে ইউনিক করেছে। যা অন্য কোনো রেস্টুরেন্টে পাওয়া যায় না। ফ্রাইড রাইস খেয়ে খুব মজা পেয়েছিলাম।
সবমিলিয়ে এই রেস্টুরেন্ট গিয়ে খুব ভালো লেগেছে। এমন সুন্দর জায়গায় এবং নিরিবিলি পরিবেশে বসে খাওয়া দাওয়া করতে খুব ভালো লাগে। আমরা সবাই সেদিন খুব আনন্দ করেছি। বিশেষ করে আমার ছেলে খুব মজা পেয়েছে। যাই হোক অনেক কথা বলেছি আজ আর নয় আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্টের মাধ্যমে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ❤️
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করার অনেক সুন্দর অনুভূতি আজকে আমাদের সবার মাঝে আপনি শেয়ার করেছেন। আপনার খাওয়া দাওয়ার অনুভূতিটা অনেক সুন্দর ছিল। এই রেস্টুরেন্ট অনেক সুন্দর। রেস্টুরেন্টের পরিবেশটা আমার কাছে দেখতে খুব ভালো লেগেছে।
ভাইয়া আপনার কাছে রেস্টুরেন্টের পরিবেশ ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
বাহ এতো ভারি অদ্ভুত রেস্টুরেন্ট! আমরা তো অনেক রেস্টুরেন্টেই খেতে যাই কিন্তু এরকম ভুতের থিম নিয়ে যে রেস্টুরেন্ট হতে পারে ভাবাই যায়নাহ। যুগে যুগে আরও কত যে ইউনিক আইডিয়া দেখব।আমার কাছেও পুরো ভিউ ভালো লেগেছে বাচ্চাদের এবং বড়দের আকৃষ্ট করার মতো।
হ্যাঁ আপু খুবই সুন্দর একটি রেস্টুরেন্ট আর খাবারের মান ও বেশ ভালো। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
ভুতের আড্ডা রেস্টুরেন্টের সৌন্দর্য দেখতে আমার অনেক ভালো লেগেছে। এই রেস্টুরেন্টের খাওয়া দাওয়া করার অনেক সুন্দর অনুভূতি আমাদের মাঝে আপনি শেয়ার করেছেন। বুঝতেই পারছি অনেক আনন্দ করেছিলেন আপনারা ঐদিন। খাওয়া দাওয়াটাও অনেক মজা করে করলেন। আপনার পুরো পোস্ট দারুণ ছিল।
হ্যাঁ আপু আমরা সেদিন খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
রেস্টুরেন্টের নামটি অনেক ভালো লেগেছে ভূতের আড্ডা । আসলেই ভুতুড়ে পরিবেশ আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সেটা দেখে বুঝতে পারলাম। বিভিন্ন ধরনের চিত্রকল্প আঁকা হয়েছে যেগুলো দেখতে অনেক ভয়ানক। এরকম জায়গায় খাওয়া-দাওয়া দারুন সময় পার করেছেন দেখছি।
হ্যাঁ ভাইয়া সম্পূর্ণ রেস্টুরেন্টের পরিবেশ একদমই ভূতুড়ে ছিল। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
ফ্রাইড রাইস এর সাথে ডিম পোস আসলেই এটা ফ্রাইড রাইসের সাথে একটি বাড়তি আইটেম। রেস্টুরেন্ট দেখতেছি একদম অন্য সব রেস্টুরেন্ট এর থেকে আলাদা ডেকোরেশন করেছে তারা। টিস্যু রাখার জন্য নারিকেলের ঠোঙা, আবার বিভিন্ন কঙ্কালের ডিজাইন দেখলাম সব মিলিয়ে দেখতেছি চমৎকার ডেকোরেশন করেছে তারা। ভুতের আড্ডা রেস্টুরেন্টে কাটানোর চমৎকার মুহূর্তের একাংশ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ ভাইয়া ফ্রাইড রাইস এর সাথে ডিম পোস বাড়তি আইটেম ছিল বলে খেয়ে খুব মজা পেয়েছি। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
https://x.com/TanjimaAkter16/status/1877613857797009884?t=Npo4Ww0yy2IFc0OskouWlg&s=19
এত ভূতের থিম। এরকম কোন রেস্টুরেন্ট এর আগে কখনোই আমার চোখে পড়েনি। আমি আবার ভূতে খুব ভয় পাই। দেখে তো খুব ভয় লাগছে আমার, যে খাওয়াতো দূরের কথা। আপনি খুব সাহসী বলতে হবে।ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্টে গিয়ে দারুন সব খাবার দাবার খেয়েছেন দেখছি। আপনার ভয় করেনি এটা ভেবেই অবাক লাগছে আমার। যাইহোক আপু দারুন একটি সময় উপভোগ করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
আপু ডেকোরেশন হয়তো ভয়ঙ্কর ভাবে সাজানো তবে ভিতরে গেলে খুব ভালো লাগে। এমন সুন্দর পরিবেশে বসে খেতে খুব ভালো লাগে। ধন্যবাদ।
এই ধরনের রেস্টুরেন্টগুলোতে গেলে ভালোই লাগে। ভিন্ন ধরনের কিছু ডেকোরেশন দেখা যায়। হরর ডেকোরেশন গুলো ভালোই লাগে দেখতে। আপনারা খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন সেখানে। রেস্টুরেন্টের ডেকোরেশন দেখে ভালো লাগলো। আপনাকে ধন্যবাদ আপু সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপনার কাছেও হরর ডেকোরেশন ভালো লাগে জেনে খুশি হলাম। হ্যাঁ আপু খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি। ধন্যবাদ।
এখনকার রেস্টুরেন্ট গুলো একটু ভিন্ন ধরনের আঙ্গিকে সাজানোর চেষ্টা করে আর নাম গুলো ঠিক তেমনি দিয়ে থাকে। এইজন্য জনপ্রিয়তা লাভ করে আর মানুষের আকর্ষণ বেশি হয়। খুবই ভালো লাগলো দারুন একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করেছেন আর সেই বিষয়গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে।
হ্যাঁ ভাইয়া ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয় বলেই মানুষের আকর্ষণ বেশি থাকে। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।