শারদীয় দুর্গোৎসবের চতুর্থী তিথিতে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করার কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি ভালো লাগবে ।
এক বছরের অপেক্ষার অবসান হয়ে মায়ের আগমন। এই একটা বছর আমরা এই দুর্গা উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে থাকি । ছোটো থেকে বড় জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলে এই পুজোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। আজ ছিল চতুর্থী ।কলকাতা শহরে লাস্ট তিন বছর ধরে মহালয়া থেকেই পুজো প্যান্ডেল দেখা শুরু হয়ে যায় ।আর সেই হিসেবে আজ যখন চতুর্থী তাহলে তো কোনো কথাই নেই। কারণ রাস্তাঘাটে এতই মানুষের ভিড় যে ৫ মিনিটের রাস্তা ও ৪০ মিনিট ৪৫ মিনিট যেতে লাগছে।
আজ।কিছু কাজে বাইরে বেরিয়ে ছিলাম ।যেহেতু এখন থেকেই সবাই ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছে ।তাই যাওয়ার পথেই রাস্তায় দুটো প্যান্ডেল আমিও দেখে নিয়েছি।
এই প্যান্ডেলটি খুব ছোট্টোর মধ্যে খুব সুন্দর ভাবে রাস্তার উপর একটা ছোট জায়গার মধ্যে তৈরি করেছে।এখানে মাটির জিনিস দিয়ে প্যান্ডেলটি তৈরি করা হয়েছে। যেমন মাটির লন্ঠন ,মাটির প্রদীপ, মাটির মূর্তি । আমার কাছে তো বেশ ভালো লেগেছে তাই আপনাদের সাথে অবাক করে নিলাম ।এরপর আমি টালা প্রত্যয়ের ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলাম। সেটা আমি পরের পর্বে ভাগ করে নেবো ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

আপু আপনাকে জানাই শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা। দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করার পর আবার ও চলে আসলো শারদীয় দুর্গোৎসব।আর এই দূর্গোৎসব বাঙালিদের সব থেকে বড় একটি উৎসব। আশা করছি আপনার এবার শারদীয় দুর্গাপূজায় বেশ ভালো সময় কাটবে।
এখনই এতো মানুষের ভীড় এটা জাস্ট ভাবা যায় না। আসলে বছরে একটা বার মাএ পূজাটা আসে। এইজন্যই এই অবস্থা হয়। আশাকরি পূজাটা বেশ ভালোভাবে কাটাবেন দিদি।।
দেখতে দেখতে আবারও দূর্গা পূজা এসে পড়েছে। আমার কাছে মনে হয় যে সেদিন দূর্গা পূজা শেষ হলো। আসলে সময় কিভাবে অতিবাহিত হয়ে যায়, সেটা টেরই পাওয়া যায় না। যাইহোক প্যান্ডেলটি ছোট হলেও দারুণ হয়েছে। দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
দুর্গাপূজা বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব।আর কলকাতার দুর্গাপূজা মানেই বিখ্যাত।তবে বৌদি অন্য কাজে বেরিয়ে তুমিও দুটো প্যান্ডেল দেখে নিয়েছো জেনে ভালো লাগলো।মায়ের প্রতিমাসহ অন্যান্য ফটোগ্রাফিগুলি অপূর্ব সুন্দর ছিল,ধন্যবাদ।
দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা রইল দিদিভাই, এবারও কিন্তু আপনার ব্লগের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি ঘুরে দেখবো নানা রংবেরঙের নান্দনিক সব পুজোর প্যান্ডেল। সেই অপেক্ষাতেই থাকলাম।
বেশ তো। আমি এখনও ছবিতেই মাকে দেখছি৷ আপনাদের পোস্টগুলোর মাধ্যমে বাংলার পুজো দেখে নেব জমিয়ে এই আশা রাখি৷