" এ বছর নিজেদের গাছের প্রথম কাঁঠাল "
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।
বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।
এ বছর নিজেদের গাছের প্রথম কাঁঠালঃ
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল হলেও আমি দেখেছি বেশীর ভাগ মানুষ কাঁঠাল খেতে একদমই পছন্দ করেন না।তবে আমার কিন্তু কাঁঠাল খেতে ভীষণ ভালো লাগে।তবে শক্ত কাঁঠাল খেতে ভালো লাগে।প্রতিবারের মতো এবার ও আমার শ্বশুরবাড়ির গাছে অনেক কাঁঠাল ধরেছে।এখন যেহেতু জৈষ্ঠ্যমাস শেষ।তাই কাঁঠাল গুলো ও পাকতে শুরু করেছে।আমার শ্বশুরবাড়িতে আম গাছ ২/৩ টা হলেও কাঁঠাল গাছ বেশী আছে।আম তো এবার সব গাছে ধরেনি।শুধুমাত্র একটি গাছে আম ধরেছিল ১১/১২ টা।কিন্তু কাঁঠাল ধরেছে অনেক।গত কয়দিন আগে গাছ থেকে একটি কাঁঠাল পেরে আনা হলো।
কাঁঠাল নিজেদের গাছে হওয়াতে এবার ফরমালিনমুক্ত কাঁঠাল খাওয়া যাবে।তাই আমার খুব ভালো লাগলো গাছের এই কাঁঠালটি দেখে।এরপর হাতে সরিষার তেল লাগিয়ে কাঁঠাল ভাঙা হলো।কাঁঠালের কোষ গুলো দেখে মনটা ভালো হয়ে গেলো আমার।কারন আমি এমন শক্ত শক্ত কাঁঠাল খেতে খুবই পছন্দ করি।
আমি কাঁঠালের কয়েকটি কোষ খেয়ে নিয়েছিলাম।এতো মিষ্টি আর শক্ত কাঁঠাল খেতে খুবই ভালো লেগেছিল আমার।আমার আব্বু ও কাঁঠাল খেতে খুবই পছন্দ করতেন।আজ বাবা নেই।কিন্তু আব্বু মারা যাওয়ার আগে আব্বুকে কাঁঠাল খাওয়াতে পেরেছিলাম।সেদিনের কাঁঠালটিও খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল।আমাদের বাসায় আমি আর আব্বুই কাঁঠাল খেতে পছন্দ করি।বাকি সদস্যরা তেমন একটা পছন্দ করেন না কাঁঠাল খেতে।আর শ্বশুরবাড়িতে আমার শ্বশুর ও কাঁঠাল খেতে ভীষন পছন্দ করতেন।শ্বশুর আজ বেঁচে নেই।এখন শুধুমাত্র আমার হাসবেন্ড আর আমার বড় ননদ কাঁঠাল খেতে পছন্দ করেন।আর বাকিরা কাঁঠাল খেতে পছন্দ করেন না।
কাঁঠাল যতই পছন্দ করি না কেন ৩ থেকে ৪ কোয়া কোষ কাঁঠাল খেয়ে নিলেই আর খাওয়া যায় না।এখন বাজারে প্রচুর আম,কাঁঠাল উঠেছে।আর যাদের বাড়িতে গাছ আছে তাদের তো আর কথাই নেই।গাছ থেকে কাঁঠাল পেরেই খেয়ে নেওয়া যায়।এবার বর্ষায় সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফলের ও সবজির গাছ লাগাবেন।আমি ও চেষ্টা করবো এ বছর গাছ লাগানোর যেহেতু বাড়িতে আছি এখন।গাছ লাগালে আমরা যেমন অক্সিজেন পাই,তেমনি এই গাছ থেকে আমরা ফরমালিন মুক্ত ফল ও পেতে পারি।
নিজেদের গাছের এ বছরের প্রথম কাঁঠাল খেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।গাছে আরো কাঁঠাল আছে।এরপর আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীদেরকেও দিব।সবাইকে দিয়ে খাওয়ার মাঝে আনন্দ থাকে।আশাকরি আমার আজকের ব্লগটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।আবার হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্টে অন্য কোন অনুভূতি নিয়ে।
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| ক্যামেরা | Galaxy A16 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আজ এখানেই ইতি টানছি।সবাই সুস্থ থাকবেন,ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আমি আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি এম এস সি ( জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। ভালোবাসি বই পড়তে, নানা রকমের রান্না করতে,আর সবাইকে নতুন নতুন রান্না করে খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসি।ফটোগ্রাফি করতে আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।