কাঁঠালের মুচি ভর্তা খাওয়ার অনুভুতি আর রেসিপি
হ্যালো বন্ধুরা...
কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভালো আছেন ৷ আমিও বেশ ভালোই আছি ৷ তো প্রতিদিনের মতোই আজও আপনাদের মাঝে চলে আসলাম , নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য ৷ আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে ৷
বিকেল বেলা কিছু খাওয়ার ইচ্ছে হতেই চোখ গেলো কাঁঠাল গাছের কাঁঠাল মুচির দিকে ৷ জানতাম কাঁঠাল মুচি খাওয়া যায় ভর্তা / মাখা করে ৷ তবে আগে কখনো খাওয়া হয়নি আমার ৷ তাই ভাবলাম আজ এই বিকেলে কাঁঠাল মুচি ভর্তা খেয়েই দেখি কেমন স্বাদ লাগে ৷ কাঁঠাল মুচি ভর্তা/মাখা করার ধারাণও জানা ছিলো না তেমন ৷ ইউটিউব থেকে মোটামুটি ধারণা নিয়ে , পাড়ার ছোট বড় কয়েক জন পোলাপান মিলে শুরু করে দিলাম কাঁঠাল মুচি ভর্তা খাওয়ার আয়োজন ৷ ধীরে ধীরে সব উপকরণ নিয়ে হাজির ৷ যদিও কমতি ছিলো তেতুলের একটুখানি ৷ তবে যা ছিলো তা দিয়েই শুরু করে দিলাম বাকি কাজ ৷
তো আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো , কিভাবে আপনি কাঁঠাল মুচি ভর্তা তৈরি করবেন ৷ এবং আমাদের এই ভর্তা কিভাবে তৈরি করেছি আমরা আর খেতে কেমন লেগেছে আমার ৷ তো চলুন শুরু করি..
কাঁঠাল মুচির ভর্তা তৈরির জন্য অল্প কিছু উপকরণের প্রয়োজন হবে ৷
- কাঠালের মুচি ,
- শুকনো মরিচ ,
- সরিষার তেল ,
- তেতুল এবং
- লবন ও চিনি ৷
পরিমাণ মতো সব উপকরণ ব্যবহার করতে হবে ৷
এরপর কাঁঠালের মুচি গুলো প্রথমে ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে হবে ৷
আমরাও কাঁঠালের মুচি গুলো ধুয়ে পরিস্কার করে নিয়েছি ভালো ভাবে ৷
এরপর সেই মুচি গুলো কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে ৷
আমরাও মুচি গুলো কুচি কুচি করে কেটে নিয়েছি ৷
কাঁঠালের মুচি গুলো ছোট ছোট করে কেটে নেওয়ার পর বেশ কিছুক্ষনের জন্য পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ৷
আমরা ও কাঁঠালের মুচি গুলো কেটে নেওয়ার পর ভিজিয়ে রেখেছি ৷ তবে আমরা অল্প সময় ভিজিয়ে রেখেছি ৷
এদিকে অন্য সব উপকরণ ( লবন , চিনি , তেতুল , শুকনো মরিচ এবং সরিষার তেল ) ভালো ভাবে মেখে মিতে হবে ৷ এবং সব কিছুই পরিমাণ মতো ব্যবহার করতে হবে ৷
আমরাও প্রায় সব উপকরণ ব্যবহার করেছি , তবে কাঁঠালের মুচির তুলনায় সব উপকরণ অল্প হয়ে গেছে ৷
এবার সব মাখানো উপকরণ দিয়ে কাঁঠালের মুচি গুলো পুনরায় ভালো ভাবে মেখে নিতে হবে ৷ দেন হয়ে গেলো কাঠাল মুচি ভর্তা অথবা মাখা ৷
আমরাও ভালো ভাবে মেখে নিয়েছি ৷
আমাদের তৈরি কাঁঠালের মুচির ভর্তা ৷
এভাবেই তৈরি করতে হয় , কাঁঠাল মুচি ভর্তা ৷ তবে অবশ্যই সব উপকরণ থাকতে হবে এবং পরিমাণ মতো ৷ তাহলেই খেতে ভালো হবে ৷
তবে আমরা যে ভর্তা তৈরি করেছি , সে ভর্তা খেতে আমার তেমন ভালো লাগেনি ৷ হয়তো সব উপকরণ সঠিক ভাবে দিতে পারিনি এজন্যই ৷ হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত আর হঠাৎ করেই আয়োজন ৷ সব পারফেক্ট ভাবে হয়নি ৷ যাই হোক , সব ঠিকঠাক ভাবে করলে আশা করি খেতে ভালো লাগলেও লাগতে পারে ৷ একবার চেষ্টা করতে পারেন , তবে অবশ্যই নিখুঁত ভাবে করার চেষ্টা করতে হবে ৷ তো আজ এটুকুই ছিলো ৷ ধন্যবাদ সবাইকে , ভালো থাকবেন সবাই ৷
ক্যামেরাঃ realme C11
লোকেশনঃ https://w3w.co/slotted.inward.quartered
আমার বাংলা ব্লগ | 𝙽𝚒𝚛𝚘𝚋 | 27 Apr 2023
কি বলিশ বন্ধু আমি জানি কাঠাঁলের তরকারি খাওয়া যায় ৷ কিন্তু এর মুচি গুলো দিয়ে যে ভর্তা বা মাখা খাওয়া যায় সেটা আজ প্রথম দেখলাম ৷ ভালো লাগলো দেখে একটা নতুন ইউনিক ব্লগ দেখে ৷ একদিন তাহলে বাড়িতে ট্রাই করতে হবে ৷
হুমম দেখিস ভালো লাগবে ৷ ধন্যবাদ তোকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ৷
কাঁঠালের মুচি ভর্তা খাওয়ার অনুভুতি পড়ে আমারও খেতে ইচ্ছা করছে। আপনার রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। দেখে শিখতে পারলাম।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মতামত মন্তব্য করে জানানোর জন্য ৷
কি রেসিপি শেয়ার করলেন ভাই মুখে তো পানি চলে এসেছে। এখন তো মনে হচ্ছে আমাকে এই ভর্তা খেতেই হবে। যদিও প্রায় অনেকদিন আগেই যখন গাছের মধ্যে নতুন নতুন কাঁঠাল ধরেছে তখন এই ভর্তা করে খেয়েছিলাম। আসলেই মুচি ভর্তা খেতে অনেক বেশি মজা। সবাই মিলে একসাথে ভর্তা তৈরি করে খেলে আলাদা মজা লাগে। ধন্যবাদ আমাদের মাঝে এত লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে ও ধন্যবাদ আপু আপনার সুন্দর মতামত মন্তব্য করে জানানোর জন্য ৷
কাঁঠালের মুচি ভর্তা যায় এটা আমি অনেক আগেই শুনেছি। তবে এটা যে কিভাবে করা যায় সেটা জানতাম না। তবে আজ আপনার পোস্টটি পড়ে কাঁঠালের মুচি ভর্তা করার প্রক্রিয়াটি খুব ভালোভাবে জেনে গেলাম। কাঁঠালের মুচি ভর্তা করার ক্ষেত্রে তেতুলের ব্যবহারটি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। নিশ্চয় কাঁঠালের মুচি ভর্তা খেতে খুবই মজাদার ছিল।
হুমম ভাইয়া বেশ ভালোই হয়েছে ৷ ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মতামত মন্তব্য করার জন্য ৷
কাঁঠালের মুচি ভর্তা কখনো খাওয়া হয়নি। তাই এর সুস্বাদু মজাটাও এখনো জানতে পারিনি। তবে আপনার রেসিপি পরিবেশন দেখে শিখে নিলাম, পরবর্তীতে তৈরী করে দেখব এই রেসিপি খেতে কতটা মজাদার হয়।
হুমম ভাইয়া একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন ৷ ধন্যবাদ আপনাকে
কাঁঠালের মুচি ভর্তা অনেক দিন আগে খেয়েছিলাম। অনেক দিন পর আপনার পোস্টের মাধ্যমে কাঁঠালের মুচির ভর্তা দেখে লোভ লেগে গেল ভাইয়া। একটু ঝাল ঝাল করে এমন ভর্তা খেতে খুব ইয়াম্মি লাগে। এমন মুখরোচক একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামত মন্তব্য করার জন্য ৷