রঙিন কাগজ দিয়ে Bookmark তৈরি।
আজ - ৭ ই,মাঘ | ১৪২৮ , বঙ্গাব্দ | শুক্রবার | শীতকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছোটবেলার কিছু কিছু স্মৃতি আসলেএমনভাবে মনের মধ্যে গেঁথে থাকে যা চাইলেও কখনো ভুলা যায় না। পড়ার টেবিলে বসে কাগজ দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানানো, বইয়ের উপর আজেবাজে সব আঁকাআঁকি করা। যদিও ছাত্র জীবন পার করেছি কয়েক বছর আগে তবে ওইসব স্বভাব গুলো এখনো আমার মধ্যে রয়ে গেছে । আমর এখানো ভালোলাগে কাগজ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জিনিস বানাতে। তাইতো আপনারা দেখেন মাঝে মাঝে আমি কাগজ দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানিয়ে আপনাদের কাছে হাজির হয়।











ছোটবেলায় যে এইরকম কত Bookmarks বানিয়েছে তার কোন হিসাব নেই। যদিও তখনকার Bookmarks গুলো রঙিন কাগজ দিয়ে তৈরি করতাম না তবে রং দিয়ে কালার করে নিতাম। দেখতে তেমন খারাপ লাগতে না ভালোই লাগতো। আর সব থেকে বড় কথা হচ্ছে এটি খুবই কাজের জিনিস। আমার বন্ধুদের মধ্যে কেউ ই Bookmarks বানাতে পারত না আমি সবসময় তাদেরকে বানিয়ে দিতাম।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
- কাগজ।
- আঠা।
- কাঁচি।
প্রস্তুতিকরণঃ
ধাপ- ১ঃ
- প্রথমে চারকোনা একটি কাগজ কেটে নেব।
ধাপ- ২ঃ
- এরপর কাগজটিকে কোনাকুনি করে মাঝ অংশে ভাঁজ করে নিব নিচের ছবির মত করে।
ধাপ- ৩ঃ
- এরপর দুই পাশ থেকে ভাজ করে নিব।
ধাপ- ৪ঃ
- এরপর নিচের অংশটি কে উপরের দিকে ভাঁজ করে নিব।
ধাপ- ৫ঃ
- এরপর উপরের অংশ দুটিকে ভাঁজ করে ভেতরে ঢুকিয়ে দিব।
ধাপ- ৬ঃ
- এরপর পিকাচুর মত করে চোখ, নাক, ঠোট কলম দিয়ে একে নিব।
ধাপ- ৭ঃ
- এরপর কাগজ কেটে দুটি কান তৈরি করে নিব। নিচের ছবির মত করে কাগজটিকে কেটে নিব।
ধাপ- ৮ঃ
- এরপর কলম দিয়ে কানের কর্নারটিকে কালো করে নিব।
ধাপ- ৯ঃ
- এরপর কান দুইটিকে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিব। ব্যাস এইভাবেই তৈরি হয়ে গেল সুন্দর একটি bookmarks।
সকলকে ধন্যবাদ।
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
বুক মার্কটা অসম্ভব কিউট হয়েছে।যা আমি না বলেই পারলাম না।একদম পিকাচুর মতো দেখতে।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
খুব কিউট একটি বুকমার্ক বানিয়েছেন ভাইয়া।আপনি বরাবরই অসাধারন ডাই করেন অন্যদের থেকে ইউনিক। এটাও ঠিক তেমন ই হয়েছে ধন্যবাদ উপস্থাপন এর জন্য
ভাইয়া রঙিন কাগজ দিয়ে অনেক সুন্দর বুক মার্ক তৈরি করেছেন আপনি। অনেক ভালো লাগে ভাইয়া। অনেক সুন্দর হয়েছে দেখতে। প্রত্যেকটা ধাপ নিখুঁত ও সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি করে শেয়ার করেছেন আমাদের সাথে। ভালোবাসা অবিরাম রইল ভাইয়া আপনার জন্য।
ছোটবেলায় আমিও এইকরম কাগজ দিয়ে অনেক জিনিস বানাতাম এবং খাতাতেও বিভিন্ন ধরনের আঁকাআকি সম্পন্ন করতাম। বুকমার্ক বানানো অনেক সহজ হলেও বেশ কার্যকর।অনেকদিন ধরে বই সংরক্ষণ করে রাখা যায়।বুকমার্ক বানানোর পদ্ধতি অনেক সুন্দর ভাবে দেখিয়েছেন।শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
ভাইয়া,ছোটবেলার এই অভ্যাসটা আমারও ছিল পড়ার সময় অকারণে অযথাই আঁকাজোকা বিভিন্ন রকমের জিনিস তৈরি করা এগুলো যেন একটা অভ্যাস হয়ে গিছিল।আর এর জন্য মায়ের অনেক বকা শুনতে হতো।তবে ভাইয়া, এই অভ্যাসগুলো সত্যিই এখন কাজে লাগছে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে পারছি ঐ ছেলে বেলার অভ্যাস গুলোর জন্য।যাইহোক ভাইয়া,আপনার তৈরি করা বুক মার্ক দেখে সত্যি অনেক ভালো লেগেছে। বুক মার্কটি এতো কিউট লাগছে যা বলে বোঝাতে পারবোনা।রঙিন কাগজ দিয়ে আপনি সত্যিই অসাধারণ সুন্দর একটি বুকমার্ক তৈরি করেছেন। বুকমার্ক তৈরি করা প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি বুকমার্ক আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার সাথে সহমত প্রকাশ করছি ভাইয়া। ছোটবেলায় আমরা কাগজ দিয়ে অনেক কিছুই তৈরি করেছি। খুবই আনন্দ করেছি বইয়ের পাতায় এখনো আকিবাকি করি। আপনি রঙিন কাগজ দিয়ে সুন্দর একটি বুকমার্ক তৈরি করেছেন যা দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। আপনি প্রায় প্রায়ই সুন্দর সুন্দর ডাই আমাদের উপহার দিয়ে থাকেন যেগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। এবারেরটাও তার ব্যতিক্রম নয়।এত সুন্দর একটি ডাই প্রজেক্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভালোবাসা অবিরাম ভাইয়া💖💖💖।
রঙিন কাগজ দিয়ে আপনি খুবই সুন্দর একটি বুকমার্ক তৈরি করেছেন এটা দেখতে খুবই কিউট এবং সুন্দর লাগছে। এককথায় আমার কাছে এটা অনেক ভালো লাগছে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ভাই।
ভাইয়া,বেশ ভালো লাগলো এই বুকমার্ক দেখে।আমি নিজেও বিভিন্ন রকম বুকমার্ক তৈরি করতাম,যখন বেশি গল্পের বই পড়তাম৷ তবে সাধারণভাবেই সেগুলো তৈরি করে নিতাম।কিন্তু আপনার তৈরি করা এই বুকমার্ক আমার খুবই ভালো লেগেছে,ইউনিক একটা কাজ এটি।