শৈশবের ঈদ আনন্দ।
আজ - ৪ বৈশাখ |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | গ্রীষ্ম-কাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
যাইহোক আজ কোন এলাকায় বা অঞ্চলে গরমের মাত্রা কতটুকু তা আমার জানা নেই। তবে আমাদের চট্টগ্রামে আজ মনে হচ্ছে গত এক সপ্তাহের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা কম আছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত বলা যায় না তাপমাত্রা কতটুকু স্থায়ী থাকবে কেননা বেলা বাড়ার সাথে সাথে এ তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে । তবে একটি ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে গতকাল থেকে প্রচন্ড বাতাস রয়েছেন। যার কারণে রোদ থাকলেও ওই বাতাসের কারণে কিছুটা প্রশান্তি কাজ করছে। আমাদের বাসাটা যেহেতু পাঁচতলা এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমমুখী আর আশেপাশের পরিবেশটা অনেকটাই ফাঁকা যার কারণে বাতাস আসে প্রচন্ড। আর প্রকৃতির বাতাস এবং ফ্যানের বাতাস কখনো এক হতে পারে না। রোদের সময় ফ্যানের বাতাসটা ও যেন গরম বাতাসে পরিণত হয়। আর অন্যদিকে প্রকৃতির এক ঝটকা বাতাসে মন প্রাণ একেবারে শীতল করে দেয়। আসলে প্রকৃতির সবকিছুই সুন্দর। তবে একটা কথা কি প্রকৃতির আসল সুন্দর উপভোগ করতে হলে সুন্দর একটি পরিবেশ থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের এই নাগরে কোথায় বা আছে এমন পরিবেশ।
যাই হোক, দক্ষিণমুখী এই বাতাসে খুব ভালোভাবে জানান দিচ্ছে যে সামনে সুদিন আসতে চলেছে। এছাড়াও আবহাওয়া অধিদপ্তর ও কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে , সামনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কখন আসবে সে সুদিন এখন সেটি দেখার অপেক্ষায়। তবে রমজান যেহেতু প্রায় শেষের দিকে তাই ধরে নেওয়া যায় যদি বৃষ্টি হয় তাহলে ঈদের আশেপাশের দিনগুলোতেই হবে। তবে আমার একটা জিনিস একদমই ভালো লাগে না সেটা হচ্ছে ঈদের দিনের বৃষ্টি। যদি ও বর্তমানে এই তাপদাহ থেকে মুক্তি পেতে বৃষ্টি হওয়াটা খুবই জরুরী। তবে আমি চাইনা ঈদের দিন বৃষ্টি হোক কেননা ঈদের দিনের বৃষ্টিটা। ঈদের আনন্দটাকে একেবারেই মাটি করে দেয়। বৃষ্টির কারণে সাধারণত ঈদের এই দিনটি খুব একটা বাহিরে বের হওয়া যায়না , আত্মীয়-স্বজন কেউ কারো বাসায় যেতে পারবে না, এরপর বাহিরে ঘোরাফেরা কিংবা আড্ডা দেওয়ার সেই সুযোগ থাকে না। তাই আমার খুব করে চাওয়া বৃষ্টি হলে অন্তত যেন ঈদের আগে বা পরে হয়।
যাই হোক ঈদের কথা উঠতে ছোটবেলায় সেই ঈদগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। কতইনা সুন্দর ছিল আমাদের সেই সময়ের ঈদগুলো। আমি সবসময় বলি আমাদের প্রত্যেকেরই শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো গুলো প্রায় একই। ঈদের সময় গুলোতে আমরা প্রত্যেকেই সে কাজগুলো করতাম অর্থাৎ নতুন জামা কিনলে সেটি লুকিয়ে রাখা, ঈদের সালামি জমানো, ঈদগা গিয়ে নামাজ পড়া, প্রিয় বন্ধুদের ঈদ কার্ডে ঈদের দাওয়াত দাওয়া। এই সুন্দর স্বর্ণালী সময়গুলোকে আসলে খুবই মিস করি। এখন আর ঈদ আসলে আগের মতো ঈদকে ঘিরে সেই আনন্দটুকু আর কাজ করে না। আসলে মানুষ যত বড় হতে থাকে যতদিন যেতে থাকে মানুষের মধ্যে আনন্দ গুলো কমতে থাকে। তবে একটা জিনিস ভেবে ভালো লাগে যে, আমাদের শৈশবের সেই ঈদগুলো আমরা খুব সুন্দর ভাবে আনন্দ উল্লাস এর মধ্যে দিয়ে কাটিয়েছি যার কারনে আমারা এখনো পযন্ত সুন্দর কিছু স্মৃতি বহন করছি। কিন্তু এই জেনারেশন এর বাচ্চাদের মধ্যে আমাদের শৈশবের মতো আনন্দদায়ক সেই বিষয়গুলো আমি খুঁজে পায় না।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
আসলে বর্তমান গরম একটু বেশি পড়ছে। তাই সবাই বৃষ্টির আশায় আছে। কিন্তু সামনে ঈদ। আর এই ঈদের দিন বৃষ্টি হলে অতটা ভালো লাগেনা। কারণ ঈদের দিন বৃষ্টি হলে বাইরে ঘোরাফেরা করা যায় না আবার আত্মীয়-স্বজন একজন আরেকজনের বাসায় যাওয়া আসা হয় না। কিন্তু বৃষ্টিরও দরকার আছে আশা করি আল্লাহ তাআলা খুব শীঘ্রই রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। আর হ্যাঁ একটা কথাও ঠিক বলেছেন আমাদের সবার শৈশবে স্মৃতিগুলো অনেকটাই মিলে যায়। যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
খুব গরম হলেও আজ একটু কম মনে হচ্ছে। ঢাকায় রোদের আধিক্য খুব বেশি।বাতাস হলে বেঁচে যেতাম।যাই হোক খবরে শুনলাম ১৯ তারিখে বৃস্টি হতে পারে।সত্যি ছেলেবেলার ঈদ আর এখনকার ঈদ অনেক তফাৎ আসলে।সেই দিন গুলোই ভাল ছিল।ধন্যবাদ ভাইয়া অনুভূতি গুলো তুলে ধরার জন্য।
ঠিক তাই ভাই শৈশবের ঈদ ভুলা যায় না। তখন সারা বছর ঈদের জন্য অপেক্ষা। ঈদ মানে স্বাধীনতা।যেখানে খুশী সেখানে ঘুরে বেড়ানো। বাসার কোন বারণ নেই। কেবল আনন্দ আর আনন্দ। এখন আর সেই অনন্দ উপভোগ করতে পারে না এ প্রজন্ম ।সুন্দর একটি বিষয় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আজকে গরম থাকলেও বেশ বাতাস আমাদের এখানেও।তাই তাপদাহের প্রভাব অন্যদিনের থেকে কিছুটা কম।ঈদের দিন তো বৃষ্টি হয় প্রতিবছর।আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তা অনুযায়ী তাই হবে মনে হয়।এটা কিন্তু ঠিক বলেছেন,ঈদের দিন বৃষ্টি একদমই ভালো লাগেনা।তবে এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টি জরুরি,ঈদের আগে বৃষ্টি হয়ে প্রকৃতি ঠান্ডা হলে ভালো হবে।শৈশবের ঈদ আর এখনকার ঈদ পুরোপুরি আলাদা।আগের মতো আর মজা হয় না ইদে।মিস করার মতোই বিষয় শৈশবের ঈদ।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া রমজান মাসে এই অতিরিক্ত গরমে সত্যিই আমরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। কবে যে এই আবহাওয়া থেকে আমরা মুক্তি পাব সেই অপেক্ষায় আমরা প্রত্যেকে দিন গুনছি। যাহোক, ভাইয়া সেই শৈশব থেকে এখন পর্যন্ত ঈদের দিনে আমি সবচাইতে বেশি আনন্দ পেয়ে থাকি ঈদগাহে সবাই একত্রে নামাজ আদায়ের মুহূর্তে এবং নামাজ আদায়ের শেষে কোলাকুলির মুহূর্তটুকুতে। ভাইয়া আপনার শৈশবের ঈদের আনন্দের মুহূর্তের কথা গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন ভাই, এই প্রচন্ড গরমে যে কয়জন সুস্থ আছে সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন? গরমের তিক্ততা এক অস্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে! ঠিক বলেছেন দিনের বেলায় ফ্যানের হাওয়া যেন আগুনের মতো গরম। প্রচন্ড গরম থাকলেও এই দুদিন ধরে সত্যিই অনেক হাওয়া বইছে, রাত্রিবেলায় সেটা কাজে লাগলেও দিনের বেলায় খুব একটা কাজে লাগছে না। বৃষ্টি হলে সত্যিই সবাই একটু শান্তি পাবে ,তবে ঈদের দিন বৃষ্টি না হওয়াটাই ভালো তবে সবার আনন্দটা মাটি হয়ে যাবে। শৈশবের স্মৃতিগুলো সত্যিই কখনো ভোলার না। নতুন জামা কেনা, আত্মীয়-স্বজনদের থেকে টাকা নিয়ে সেটা জমানো অনেক মজার ব্যাপারে এগুলো। কিন্তু এখনকার বাচ্চারা সত্যিই হয়তো এগুলো জানে না। আমি তাই অনেক কিছু জানি না যেগুলো আমাদের বাবা-মায়েরা ছোটবেলায় করেছে।
অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকে গরম কিছুটা কম লেগেছে কারণ বাতাস ছিল। খুব শীঘ্রই বৃষ্টি আসবে মনে হচ্ছে। ঈদের দিন বৃষ্টি আসলে মেজাজ খুব খারাপ হয়। কারণ বের হওয়া যায় না। আসলে শৈশবের সময় ঈদের আনন্দ অনেক বেশি ছিল। যাইহোক সবার ঈদ আনন্দে কাটুক সেই প্রত্যাশা করছি। ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা রইল ভাইয়া।