মেলায় ঘোরাঘুরি।
আজ - ১৮ই, মাঘ |১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | শীতকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
মেলাটি আমাদের বাসার খুব কাছেই, হেটে গেলে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট এর মত সময় লাগে। ইতিমধ্যে আমার কয়েকবার এই মেলাতে যাওয়া হয়ে গিয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যদের এখনো পর্যন্ত মেলাতে যায়নি। তাই ঠিক করলাম পরিবারের সকলকে নিয়ে মেলা থেকে ঘুরে আসার। আসলে পরিবারের মানুষগুলোর সাথে যখন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় তখন তার মজা যেন আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার সে মজাটা থেকে অনেকটাই ভিন্নরকম।
যাইহোক যেমন চিন্তা তেমন কাজ আমরা আসরের নামাজের পর পরই বেরিয়ে যায় মেলার উদ্দেশ্যে। মেলা যেহেতু খুব কাছেই তাই ঠিক করলাম রিক্সা না নিয়ে হেঁটে হেঁটে যাওয়ার। বিকেলের টাইম খুব একটা রোদ ছিল না তাই সকলে মিলে হাঁটতে বেশ ভালো লাগছিল। আর একসাথে সকালে মিলে গল্প করতে করতে কখন যে মেলায় এসে পৌঁছে গিয়েছে বুঝতেই পারলাম না। খুব অল্প সময়ই আমরা রাস্তাটা পার করে ফেললাম।
মেলাতে পৌঁছেই টিকিট কেটে ফেললাম। বিকেলের টাইম তাই মেলাতে খুব একটা ভিড় ছিল না। আর তাই অল্প সময়ের মধ্যে মেলায় প্রবেশের টিকিট গুলো নিয়ে নিতে পেরেছি।
মেলার প্রবেশ করলে প্রথম দিকে যেটি চোখে পড়ে সেটি হচ্ছে একটি কৃত্রিম ঝর্ণা। যেটি প্রত্যেকটি মেলার খুবই সাধারণ একটি দৃশ্য। বেশিরভাগ লোকই ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে। যেহেতু সময়টা বিকেল ছিল, দিনের আলোতে তখনো পর্যন্ত থাকায় ঝর্ণার লাইটিং গুলো খুব একটা আকর্ষণীয় লাগছিল না। তবে অন্ধকার বারার সাথে সাথে ঝর্ণাটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল ।
ঝর্ণার পাশে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে। আমরা মেলার ভিতরের দিকে প্রবেশ করতে লাগলাম। আর চার পাঁচটা মেলাতে যে ধরনের স্টল গুলো বসে এই মেলাতেও ঠিক সে সব ধরনের স্টলগুলো বসেছে। মেলার বেশি ভাগ স্টল হচ্ছে ঘরের আসবাবপত্র, জামা কাপড় , কসমেটিক্স ও খাবারের দোকান।
বিভিন্ন ধরনের পিঠা বিক্রি হয়েছে এই স্টাইল টিতে। নাম না জানা অনেক নতুন ধরনের পিঠা দেখলাম স্টলটিতে।
এখানে এ ফুলগুলো দেখতে বেশ সুন্দর। এবং ফুলগুলোকে পিস হিসেবে বিক্রি করা হয়। ফুল গুলোর দাম কত করে ঠিক তা মনে নেই।
মেলার বেশিরভাগটা জুড়ে রয়েছে এরকম জুয়েলারি কসমেটিক্স এর স্টল । এখানে প্রত্যেকটি জিনিসের মূল্য ফিক্স। যার ফলে ক্রেতারা তাদের পছন্দের জিনিসটি কোনরকম দাম দর ছাড়াই কিনতে পারে।
যেহেতু শীতের বিকেল বেলা খুব ছোট তাই মেলায় বেশ কয়েকটি স্টল ঘুরতে ঘুরতে প্রায় সন্ধ্যা নেমে এসেছিল। এবং সন্ধ্যা হওয়ার পরপরই মেলায় মানুষের ভিড়ও বাড়তে শুরু করল।
এখানে শেষ করছি মেলায় ঘোরাঘুরি প্রথম পরবর্তী। পরের দিন দেখা হচ্ছে মেলার পরবর্তী পর্ব নিয়ে যেখানে থাকছে আমাদের খাওয়া দাওয়া এবং কেনাকাটা নিয়ে।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @moh.arif,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
পরিবারের সবাইকে নিয়ে মেলায় গিয়ে বেশ আনন্দ করেছেন। যদিও প্রথম পর্বে আপনাদের পরিবারের সকলের মুহূর্ত গুলো দেখিনি। তবে মেলায় প্রবেশ করা এবং অন্যান্য সবকিছু দেখে ভালো লাগছে। মেলায় সব সময় ভিন্ন রকম কিছুই উপস্থাপন করার জন্য নিয়ে আসা হয়। পিঠার দোকানগুলোতে বেশি ভালো লাগে। আমাদের এদিকে যে মেলা হতো এখন সেটা আর হয় না। মাঝেমধ্যে অন্যান্য যে মেলাগুলো হয় সেখানে ঘুরতে যাওয়া হয়, তবে এবার বাণিজ্য মেলায় যাওয়া হয়নি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম ভাই।
প্রত্যেক বছর আমাদের এখানেও শহরে মেলা হয়। করোনার সময় মেলা বন্ধ ছিল। আজকে থেকে আমাদের এখানেও মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় ঘুরতে ভীষণ ভালো লাগে। আশা করছি খুব শীঘ্রই যাব। আমাদের এখানে মেলার ভেতরেও একটি কৃত্রিম ঝর্ণা থাকে। যেটি দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। আর কসমেটিকসের দোকানের জিনিস গুলো ফিক্সড রেটের হওয়াতে কিনতে সুবিধা হয়। ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার মেলায় ভ্রমণের পোস্ট পড়ে।
আসলে ঠিক বলেছেন ভাইয়া, বন্ধু বান্ধবদের সাথে মেলায় যেতে অন্য রকমের অনুভূতি। আর পরিবারের সাথে গেলে অনুভূতিটা যেন দ্বিগুণ হয়ে যায়। মেলায় যেতে ভীষণ ভালোই লাগে। যেহেতু মেলা আপনাদের বাসা থেকে কাছে এই জন্য রিক্সা না নিয়ে ভালোই করেছেন। মাঝেমধ্যে একটু হেঁটে যাওয়া ভালো। মেলায় খুব সুন্দর সুন্দর কিছু জিনিসপত্রের স্টল দেখতে পেলাম। আসলে বেশিরভাগ মেলায় এই ধরনের স্টল বসে থাকে। পিঠার স্টলে দেখলাম বিভিন্ন ধরনের পিঠা। অবশ্য আপনি বলছেন নাম না জানা অনেক পিঠা রয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো উপভোগ করেছেন।
বাসার পাশে মেলা হলে খুবই ভালো লাগে কিন্তু আমাদের পাশে কোন মেলা হয় না। মেলা দেখতে হলে অনেক দূরে দূরে যেতে হয়। অবশেষে কিছুদিন পর আমাদের পাশের এলাকায় একটি মেলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০ মিনিট লাগে আপনার বাসা থেকে এজন্য রিকশা নিলেন না খুবই ভালো হয়েছে । মাঝে মাঝে এ ধরনের উদ্দেশ্যে হেঁটে হেঁটে যাওয়ার অনুভূতিটা অনেক বেশি ভালো লাগে।
আশা করি ভাইয়া ভালো আছেন? বাণিজ্য মেলায় খুব সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। আসলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে মেলায় ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ অসাধারণ। মেলা থেকে কিছু কেনা যাক বা, না যাক মেলাতে ঘুরাঘুরি অনুভূতি খুবই অন্যরকম হয়ে থাকে। মেলা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগলো। আর্টিফিশিয়ালি ফুল, বিভিন্ন কসমেটিক এবং খাবারের দোকান বসেছে। মেলাতে কাটানো এত সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
পরিবারের সবার সাথে মেলায় গিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন ভাইয়া।যেহেতু আপনার বাসার খুব কাছেই তাই আপনি অনেকবার গিয়েছেন মেলায়।আর মেলাতে এই ব্যাপার টা ভালো লাগে প্রত্যেক কসমেটিকস এর প্রাইজ একদর থাকে।যার ফলে দামাদামি করতে হয়না।সুন্দর ব্লগটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
মেলা মানেই নানা রকন দোকান ৷ যা হোক ভাই পরিবার নিয়ে ঘোরাঘুরি করার আনন্দ টাই আলাদা ৷ ভালো লাগলো আপনার মেলায় ঘোরাঘুরি আর তার সাথে করা ফটোগ্রাফি গুলো ৷ বেশ নিত্য নতুন নানা ধরনের দোকান বসেছে ৷ অনেক ভালো লাগলো মেলায় ঘোরাঘুরি করার মূহুর্ত গুলো ৷ অনেক ধন্যবাদ ভাই ভালো থাকবেন ৷