ক্ষমা একটি মহৎ গুণ।
আজ- ১৫ই কার্তিক ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, হেমন্ত-কাল
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
যাইহোক আমাদের জীবনে চলার পথে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়, অনেক মানুষের সাথে ওঠাবসা হয়, অনেক মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু সেসব সম্পর্ক গুলো যে সবসময় ভালো তা কিন্তু না। অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝি কিংবা অন্য যেকোনো কারণে হোক না কেন সম্পর্কের মধ্যে একটি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হতে পারে। অনেক সময় ভালো সম্পর্ক গুলো খারাপ সম্পর্কে পরিণত হয়।
আমরা আমাদের রাগের কারণে অনেক সময় অনেক কথাই বলে ফেলি। কিংবা রাগের কারণে অনেক কথাই শুনতে হয় । কিন্তু সেই সকল কথা গুলোকে আমরা যদি সব সময় মনের মধ্যে পুষিয়ে রাখি। তাহলে যে কোন সম্পর্কে ধীরে ধীরে মরীচিকা ধরতে পারে ফলে যে কোন এক সময় সুন্দর সুন্দর সেই সম্পর্কগুলো ভেঙে যেতে বাধ্য হয়। যেকোনো সম্পর্কের মধ্যে রাগ অভিমান এসব কিছু থাকবে আর এটি স্বাভাবিক। কিন্তু এসব কিছু অস্বাভাবিক হয়ে উঠবে কখন জানেন? যখন এই রাগ অভিমান জেদগুলোকে আপনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত মনে মধ্যে গেঁথে রাখবেন।
আমাদের জীবনের রাগ অভিমান দুঃখ এসব কিছুকে যত তাড়াতাড়ি মন থেকে ভুলে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল । কেননা দিনশেষে এসব রাগ অভিমান আমাদের জীবনে কোন কাজে আসে না বরং এগুলো যেকোনো সুন্দর সম্পর্কটাকে নষ্ট করে দেয়।
কারো কোন বিষয়ের উপর যদি রাগ ওঠে তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিন। দেখবেন আপনি যদি ওই মানুষটাকে ক্ষমা করে দেন তাহলে আপনার মনে প্রশান্তি কাজ করবে। আপনি নিজেও অনেকটা হালকা হবেন। কারোর উপরে খুব বেশি অভিমান করা কখনোই ভালো নয় ওই মানুষটাকে একেবারে নিঃস্বার্থভাবে ক্ষমা করে দিলে মানুষটা যেমন ভালো থাকবে ঠিক আপনিও খুব ভালো থাকবেন। কিন্তু তা না করে যদি আপনি ওই রাগ অভিমানটা মনের মধ্যে গেঁথে রাখেন তাহলে আপনি যেভাবে অশান্তিতে থাকবেন ঠিক অন্য মানুষটা ও অশান্তিতে থাকবে।
তাই আগে আমাদের ক্ষমা করাটা শিখতে হবে। আমরা সকলেই জানি ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে বর্তমানে আমাদের অন্যকে ক্ষমা করা এই প্রবণতাটা অনেকটাই কমে গিয়েছে। বর্তমানে আমরা ক্ষমা করা তো দূরের কথা কেউ যদি দোষী হয় তাহলে আমরা আরও রাগ পুষে রাখি কিভাবে এর বদলা নিব। এভাবে করে আসলে আমরা অনেক ছোট ছোট দোষ গুলোকে খুব বড় করে ফেলি। কেউ কারো ওপরে ছাড় দিতে চাইনা। যে যেভাবে পারছে বদলা নিচ্ছে। আর এভাবেই সমাজের এত দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হচ্ছে।
আপনারা নিশ্চয়ই প্রত্যেকেই জানেন আমাদের ইসলাম ধর্মে ও আছে অন্যকে ক্ষমা করে দেওয়ার বিষয়টি। তাই বলছি অন্তত ধর্মের দিক থেকে হলেও আমাদের ক্ষমা করা এই মহান গুনটি আয়ত্ত করা উচিত।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলে ভাই কারো উপর রাগ অভিমান যাই থাকুক না কেন মন থেকে যদি তাকে ক্ষমা করতে পারা যায় তাহলে নিজের কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। কাউকে ক্ষমা করার মাধ্যমেও নিজের ভেতরে শান্তি অনুভব করা সম্ভব। আমাদের সবার উচিত ক্ষমাশীল হওয়া। আপনি সত্যি বলেছেন ভাই আসলেই ক্ষমা মহৎ গুণ। আর এই মহৎ গুণটা আমাদের সবার ধারণ করা উচিত।অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
মানুষকে ক্ষমা করে দেওয়ার মত মহৎ কাজ আর নেই। তবে সত্যি বলতে আমরা যতই বলি যে ক্ষমা করে দিলে প্রশান্তি মিলে, কিন্তু নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কিছু কিছু অন্যায়, খুব সহজে ক্ষমা করে দেয়া যায় না। তবে এটা ঠিক যে ক্ষমা করে দেওয়াটাই ভালো এতে করে হালকা অনুভব হয়। কিন্তু সেটা কয়জনে পারে। যাই হোক অনেক ভালো লিখেছেন ভাই ধন্যবাদ।
মহৎ হতে হইলে অবশ্যই ক্ষমাশীল হতে হবে। ক্ষমা একটি মহৎ গুন। যিনি ক্ষমা করতে জানে তিনি ভালোবাসতেও জানে। যে কোন পরিস্থিতি তে আমাদের কে ক্ষমা করা শিখতে হবে। যদি আমরা অনেক সময় নিজের রাগ নিজে ধরে রাখতে পারি না, তবুও আমাদের নিজেদের জন্যই ক্ষমা করা শিখতে হবে।
আসলেই ক্ষমা মহা একটি গুণ। তবে এটি সবার মধ্যে থাকে না। আর যদি মানুষকে খুব সহজে ক্ষমা করে দেয়া হয় নিজের মনের প্রশান্তি মেলে।আমাদের সবারই উচিত সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া। তবে এতে কতটুকু কার্যকর সেটা সবার মনই ভালো জানে। ধন্যবাদ ভাইয়া আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সত্যি ভাইয়া শহর অঞ্চলে শীতের আগমন খুব দেরিতে ঘটে। গ্রামে গেলে শীত অনুভব করা যায়। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজেরকে পাল্টানো। ক্ষমা করে দেওয়া সত্যি অনেক মহৎ একটি গুন। আর এই গুণটি সবার থাকা উচিত। তাহলে সবার মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক যেমন ভালো হবে তেমনি অন্যজন নিজেকে বদলানোর সুযোগ পাবে।
আপনি ঠিক বলেছেন ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। কিন্তু বর্তমান সময় আমি অনেককে লক্ষ্য করেছি নিজের অ্যাটিটিউড এতটাই বেশি দেখায় যে ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা পরবর্তীতে তার সাথে কথাই বলতে চায়না। কিন্তু আমাদের সবসময় উচিত নিজের ভুলকে স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া। আর যদি তার ভুল হয় তাহলে উচিত তার সাথে তর্কে না জড়িয়ে ভুলটাকে ধরিয়ে দেওয়া। যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর বিষয়টা নিয়ে আমাদের মাঝে আলোচনা করার জন্য।
ক্ষমা আসলেই একটি মহৎ গুণ। কাউকে ক্ষমা করে দিলে মনটা শান্তিতে একেবারে ভরে যায়। আমরা যদি একে অপরকে ক্ষমা করে দেই, তাহলে সমাজের মধ্যে এতো দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় না। তাহলে আমাদের জীবনটা আরও সুন্দর হয়ে যেতো। সুতরাং আমাদেরকে অবশ্যই ক্ষমা করা শিখতে হবে। তাহলে আমাদের পরবর্তী জেনারেশনও আমাদের কাছ থেকে সেই শিক্ষাটা পাবে। যাইহোক পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাই। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ক্ষমা করে দিতে পারলেই দুজনেরই শান্তি ।তবে মানুষ কি সেটা করে।একটা থেকে আর একটা প্রবলেম এর সৃষ্টি করে।আপনার আজকের পোস্টটি ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক বললেন ভাই, জেদ জিনিসটা অনেকদিন ধরে মনের মাঝে পুষে রাখতে নেই। এর ফলটাও ভালো হয় না। একটি দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ছোট্র একটি অভিমানের কারণে ভেঙে যায়। কিন্তু আমরা যদি ক্ষমা করতে পারতাম তাহলে হয়তো ব্যাপারটা অন্যরকম হতো। বর্তমানে এটা অনেকটাই লোপ পেয়েছে।