মুচমুচে পিয়াজু তৈরির রেসিপি।
আজ- ১৩, বৈশাখ, | ১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | | মঙ্গলবার |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে মচমচে পিয়াজু রেসিপি শেয়ার করব।
কেউ বলে পেয়াজু কেউ বলে পেয়াজি আবার কেউ বলে ডাল বড়া এসব কিছু কিন্তু একই জিনিস কিন্তু অঞ্চল এবং এলাকাভেদে নামগুলো কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়। যাইহোক ইফতার এর সবথেকে পরিচিত একটি আইটেম হচ্ছে এই পেয়াজু। বিভিন্ন এলাকার মানুষ বিভিন্নভাবে পিয়াজু তৈরি করে থাকে তবে আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমাদের বাসায় যেভাবে এ পেয়াজু তৈরি করা হয় সেই রেসিপিটি। আশা করছি রেসিপিটা আপনাদের ভালো লাগবে। আর এই পেয়াজু গুলো খেতে অনেক মুচমুচে এবং সুস্বাদু। এবং সাইজের অনেকটাই ছোট তাই খেতে বেশ ভালোলাগে।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
- মসুরের ডাল।
- মরিচ ।
- লবণ।
- তেল।
- টমেটো কুচি।
- আদা বাটা।
- রসুন বাটা।
- পেঁয়াজ কুচি
প্রস্তুত প্রণালীঃ
ধাপ-১ঃ
- প্রথমে মসুরের ডাল ভালোভাবে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখব ৪ থেকে ৬ ঘন্টা ।
ধাপ-২ঃ
- এরপর মসুরের ডাল গুলোকে বেটে নিব।
ধাপ-৩ঃ
- ডাল বাটা হয়ে গেলে এতে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, টমেটো, রসুন বাটা, আদা বাটা ও লবণ দিয়ে দিব।
ধাপ-৪ঃ
- এরপর সবগুলো উপকরণ একসাথে ভালোভাবে মেখে নিব।
ধাপ-৫ঃ
- এরপর একটি কড়াইতে তেল গরম করতে দিব। তেল গরম হয়ে গেলে খুবই ছোট ছোট করে পেয়াজু গুলো তেলের মধ্যে দিয়ে দিব।
ধাপ-৬ঃ
- অল্প আঁচে ভালোভাবে পেয়াজুগুলোকে ভেজে নিব।
ধাপ-৭ঃ
- মাঝে মাঝে পেঁয়াজু গুলোকে উল্টে পাল্টে দিব। যখন দেখবে পেঁয়াজুগুলো কিছুটা বাদামী রং ধারণ করেছে তখন এটিকে নামিয়ে নেব।
ধাপ-৮ঃ
সকলকে ধন্যবাদ।
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ভাইয়া আপনি একদম ঠিক বলেছেন পিয়াজি বা পিয়াজু যে নামই হোক না কেন খেতে কিন্তু দারুন লাগে। আসলে অঞ্চলভেদে অনেক খাবারের নামের মধ্যে পার্থক্য আছে। পিয়াজু খেতে আমি অনেক পছন্দ করি। আপনার বাসায় তৈরি করা এই পিয়াজু রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে সুস্বাদু হয়েছে পিয়াজু তৈরিতে টমেটো কুচি দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি। আজকে আপনার কাছে নতুন একটি রেসিপি শিখলাম। অনেক মজার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।❤️❤️
আপনি যেভাবে পেঁয়াজু বানিয়েছেন আমাদের বাড়িতেও একইভাবে পেঁয়াজু বানানো হয়।আমাদের এলাকাতে পেঁয়াজু এবং ডালের বড়া হিসেবে বেশি পরিচিত।রেসিপির প্রস্তুত প্রণালী সম্পর্কে বেশ ভালই আলোচনা করেছেন।শুভকামনা রইলো ভাই।
যত ভাজাপোড়া খাবার আছে তার মধ্যে পেঁয়াজু আমার সবচাইতে বেশি পছন্দ। বেশি করে পেঁয়াজ দিয়ে ছোট ছোট করে পেঁয়াজু ভাজলে সেগুলো অমৃতের মত লাগে। গ্রামের হাটে বাজারে এ ধরনের পেয়াজু কিনতে পাওয়া যায়। যা সত্যিই অতুলনীয়। আপনার পেঁয়াজু গুলো দেখতে অনেকটা সেরকমই হয়েছে।
গরম গরম মুচমুচে পিয়াজু খাওয়ার মজাই আলাদা। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে পিয়াজু তৈরি প্রতিটি ধাপ উপস্থাপনা করেছেন এতে সবার বুঝতে অনেক সুবিধা হয়েছে। এখন যে কেউ ইচ্ছা করলে আপনারই পোস্টটি দেখে নিজেই তৈরি করতে পারবে পিয়াজু। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি খুবই চমৎকার ভাবে মজাদার পিঁয়াজু রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার এই রেসিপি টা দেখেই বোঝা যাচ্ছে রেসিপিটি অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছিল।দেখেই বুঝা যাচ্ছে খুব মুচমুচে হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনেক চমৎকার ভাবে আমাদের সকলের মাঝে ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
পেঁয়াজু আমার সবসময় অনেক মজা লাগে। আমাদের বাসায় সবসময় এভাবে ছোট ছোট করেই পেঁয়াজু বানানো হয়। কারণ এতে খুব মুচমুচে হয় আর খেতেও বেশ মজা লাগে।
ভাইয়া মুচমুচে পিয়াজু রেসিপিটি খুবই দারুন হয়েছে। এরকম মুচমুচে পিয়াজু খেতে খুবই ভালো লাগে। আর এখন তো ইফতারিতে প্রতিনিয়ত এগুলো খাওয়া হয়। আপনার এই মুচমুচে পিয়াজু রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ভাই আমার তো মুচমুচে পিয়াজু রেসিপি গুলো দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। কালার টা খুব সুন্দর ফুটে উঠেছে। মনে হচ্ছে খেতে খুবই মজাদার ছিল। ইফতারির জন্য অপেক্ষা না করে এখনি খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে। প্রতিটি ধাপ আপনি খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন ভাইয়া। সত্যি আপনি খুব ভালো রন্ধনশিল্পী। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া পিয়াজু রেসিপি টা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
পেয়াজু খেতে আসলেই খুবই মজাদার একটা খাবার আর তাই আমাদের বাসায় প্রায়ই পেয়াজু তৈরি করা হয়। কেননা পেয়াজু আমাদের বাসার সবাই পছন্দ করে থাকে। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
প্রতিদিন পিয়াজু খাওয়া হয় কিন্তু তারপরেও পিয়াজু দেখলে যেন লোভ আর যায় না ।আপনার পিয়াজু দেখে সত্যিই আমার জিভে পানি চলে এসেছে। রোজার দিনে আমিও ঠিক এভাবে করে পিয়াজু তৈরি করি তবে আমি কখনো টমেটো দিয়ে করিনি আপনার মত আমিও একদিন টমেটো দিয়ে পিয়াজু করে দেখব। টমেটো দিয়ে নিশ্চয়ই অনেক ভালো লাগে খেতে আপনার পিয়াজুর কালার গুলো কিন্তু খুবই চমৎকার হয়েছে।