বেকারত্বের অভিশাপ।
আজ - ১২ই শ্রাবণ |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | বর্ষা-কাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
তবে যতই যাই বলি না কেন একটা নির্দিষ্ট বয়সে এসে কিন্তু এই বেকারত্ব একটা অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় একজন পুরুষ মানুষের জীবনে। এতক্ষণ নিজেকে বেকার হিসেবে আপনাদের সাথে মজা করলেও আলহামদুলিল্লাহ নিজের জীবন থেকে এই বেকারত্ব অভিশাপটাকে মুছে দিতে পেরেছি । আর এইসবটাই কিন্তু সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র আমাদের সকলের প্রিয় মানুষটার জন্য। শুধু আমার জীবনে নয় বরং এখানে অনেকের জীবনে এ মানুষটা আমাদের বেকারত্ব নামের অভিশাপ টা থেকে মুক্তি দিয়েছে।
আমি আমাদের ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে দেখি কিনা আমার সাথে পড়েছে তারা সেভাবে করে নিজেকে তেমন একটা প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। কেউ বিদেশে পারি জমিয়েছে শিক্ষার জন্য। কেউবা পারিবারিক বিজনেসে বসেছে আবার কেউ কেউ ছোটখাটো প্রাইভেট কোম্পানিগুলোতে চাকরি করছেন তাও খুবই সামান্য বেতনে। আবার কেউ এখনো বাবার হোটেলে বসে খাচ্ছে।
আসলে বর্তমানে আমাদের চাকরির বাজারের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ নিশ্চয়ই তা আমরা বুঝতে পারছি। বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করে ও বেকার হয়ে ঘুরতে হচ্ছে শত শত মানুষের । পরিবার চালানো তো দূরের কথা নিজের খরচটা পর্যন্ত জোগাড় করতে গিয়ে এই সকল বেকার সমাজের মানুষগুলোর হিমশিম খেতে হচ্ছে। গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেও অনেক যুবককে শুধুমাত্র টিউশন করেই তার হাত খরচাটা মেটাতে হচ্ছে। কি করবে এত এত পড়াশোনা করে এত এত টাকা খরচ করে প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোতে পড়ে শেষ পরিণতি কি? আসলে তা কেউ জানে না।
বাবা -মারা ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখে তাদের সন্তানরা এক সময় উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হলে বড় বড় অফিসে চাকরি করবে। মা-বাবার সে স্বপ্ন অনুসারে সন্তানরা ঠিকই বড় বড় ডিগ্রী অর্জন করছে। তবে পরিবার চালানোর মতো সে সামর্থ্য তাদের গড়ে উঠছে না । আসলে কিভাবে হবে দেশেতো ডিগ্রি ধারি মানুষের সংখ্যা কম নয়।
তাইতো বর্তমানে মানুষ এই সকল একাডেমিকাল পড়াশোনা গুলোর কোন ধার ধারে না। আমি নিজেও একাডেমিকাল পড়াশোনা গুলোকে খুব একটা গুরুত্ব দেই না। কেননা এই সকল একাডেমিক পড়াশোনাগুলো আমাদের জীবনের শুধুমাত্র কয়েকটি সার্টিফিকেট ছাড়া আর কিছুই আনতে পারে না। তার থেকে বরং বাস্তব জীবনের, প্র্যাকটিক্যাল পড়াশুনা গুলোই জীবনে অনেক বেশি কাজে আসে। তাই বলে কি পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিব? না আমি সেটা কখনোই বলবো না। পড়াশোনা করতে হবে, তবে শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের আশায় নয় বরং নিজেকে শিক্ষিত করার জন্য এবং জ্ঞান অর্জনের জন্য।
আর শিক্ষার পাশাপাশি পরিশ্রমী হাওয়াটা আবশ্যক। নিজের জীবনটাকে পরিবর্তন করতে হলে অনেক পরিশ্রমী হতে হবে। যেকোনো কাজে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে। কোন কাজকে ছোট করে দেখলে চলবে না। প্রত্যেকটা কাজেরই গুরুত্ব দিতে হবে।
আমি একটি জিনিস ভেবে দেখলাম আসলে জীবনে পরিশ্রম ছাড়া কখনোই কোনো কিছু পাওয়া সম্ভব না। যে ব্যক্তি যত বেশি পরিশ্রমী সে ততো বেশি সফলতার দারে পৌঁছাবে।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @moh.arif,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
বর্তমান সময়ের মেজর একটি টপিক নিয়ে আজকের পোস্ট শেয়ার করেছেন। আসলেই বেকারত্ব একটি অভিশাপ আর এই অভিশাপ কতটা মারাত্মক সেটা একজন বেকার ছেলেই বুঝতে পারে। হ্যাঁ এখানে আমাদের প্রিয় দাদার অনেক বড় অবদান আছে যার কারণে অনেকেই এই বেকারত্ব অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছে।
অনেক অনেক সুন্দর একটি টপিক্স নিয়ে আপনি আলোচনা করেছেন। হুম আমিও আপনার সাথে একমত যে আমাদের সকলের প্রিয় দাদা আমাদের কে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। আর তাই আমাদের উচিত সেই পথটিকে পরিশ্রমের মাধ্যমে সহজ সরল ভাবে পাড়ি দেওয়া। কি হবে কয়েকটি সার্টিফিকেট দিয়ে। যদি না থাকে প্র্যাকটিকাল কোন অভিজ্ঞতা। বেশ সুন্দর হয়েছে ভাইয়া
একদম বাস্তব একটা কথা বলেছেন বেকারত্ব আসলেই অনেক বড় অভিশাপ। তবে আমি মনে করি এটার জন্য আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় অনেক বড় সমস্যা রয়েছে। যার কারণে আমাদের বাংলাদেশে বেশিরভাগ বেকারত্ব খুঁজে পাওয়া যায়।শিক্ষা ব্যবস্থার দিক থেকে বলতে গেলে শিক্ষার হার বাড়ছে কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত লোক বেরোচ্ছে না। আবার যোগ্য লোকদেরও ঠিকঠাক চাকরি হচ্ছে না রাষ্ট্রের কুনীতির কারণে। যাইহোক বাস্তবিক একটি পোস্ট করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।