কাগজ দিয়ে হাত পাখা তৈরি।
আজ - ১৩ই , চৈত্র | ১৪২৮ , বঙ্গাব্দ | সোমবার | বসন্তকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
খুবই গরম পড়ছে আজ কাল। প্রচন্ড রোদের তাপে বাহিরে বের হওয়ার কোন উপায় নেই। আর খুবই একটি বিরক্তিকর বিষয় হচ্ছে গরমে লোডশেডিং। অন্যান্য সময় লোডশেডিং মেনে নেওয়া গেল ও প্রচন্ড গরমে লোডশেডিং অসহ্য লাগে। আর এই লোডশেডিং এর সময় প্রয়োজনীয় একটি জিনিস হচ্ছে হাত পাখার। তাই গতকাল হঠাৎ করে মাথায় আসলো হাত পাখা তৈরি করার। এখন স্বাধীনতার মাস তাই পতাকার মতো করে এই হাতপাখা টি তৈরি করেছি।














তো চলুন আমি কাগজ দিয়ে এই হাত পাখাটি কিভাবে বানিয়েছি তাই আপনার সাথে শেয়ার করি -
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
- কাগজ।
- আঠা।
- কাঁচি।
- আইসক্রিমের কাঠি।
প্রস্তুতিকরণঃ
ধাপ- ১ঃ
- প্রথমে A4 সাইজের লাল কাগজটিকে মাঝ বরাবর কেটে দুই ভাগ করে নেব।
ধাপ- ২ঃ
- এরপর সবুজ রঙের কাগজ কে ছোট করে কেটে নিব।
ধাপ- ৩ঃ
- এরপর লাল রংয়ের কাগজটির কর্নারে সবুজ রঙের কাগজ থেকে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিব ঠিক নিচের ছবির মত করে।
ধাপ- ৪ঃ
- কাগজ দুইটি তৈরি করা শেষে এই রকম দেখতে হয়েছে।
ধাপ- ৫ঃ
- এরপর কাগজটিকে দুই পাশ থেকে ভাজ করে মাঝ বরাবর নিয়ে আসব ঠিক নিচের ছবির মত করে।
ধাপ- ৬ঃ
- এরপর কাগজটিকে আবারও দুই পাশ থেকে ভাঁজ করে নিব।
ধাপ- ৭ঃ
- এরপর কাজটিকে এপাশ-ওপাশ করে চিকন করে ভাগ করে নিব।
ধাপ- ৮ঃ
- এরপর কাগজটিকে মাঝ বরাবর ভাজ করে নেব।
ধাপ- ৯ঃ
- এরপর আঠা দিয়ে কাগজ দুটোকে একসাথে জুড়ে দেবে।
ধাপ- ১০ঃ
- এরপর দুইটা আইসক্রিমের কাঠি নিব।
ধাপ- ১১ঃ
- এরপর কাঠি দুইটিকে আঠা দিয়ে কাগজের সাথে জোড়া দিয়ে দিব।
ধাপ- ১২ঃ
- ব্যাস এইভাবে তৈরি হয়ে গেল কাগজের দিয়ে সুন্দর একটি হাতপাখা।
সকলকে ধন্যবাদ।
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
লাল-সবুজের পাখা দেখে মনটা জুড়িয়ে গেল।এই প্রচণ্ড গরমে প্রাণ টা শীতল হয়ে গেল আপনার সুন্দর লালসবুজ কাগজের হাতপাখা দেখে।সময় উপযোগী আপনার আজকের এই পোস্টটি অনেকেরই কাজে লাগবে বলে আমি মনে করি।আইডিয়াটা দারুণ ছিল♥♥
সময় উপযোগী একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন ভাই। ঢাকা অনেক গরম পড়ছে। এমন একটা রঙিন পাখা হলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও কোনো প্রোবলেম হবে না। হাহাহা তবে যাই হোক পাখাটা অসাধারণ হয়েছে। আগে স্কুলে থাকতে কাগজ দিয়ে পাখা বানাইতাম। তবে এমন আকর্ষনীয় পাখা কাউকে বানাতে দেখি নাই। স্টেপ গুলো আমার কাছে সহজই লেগেছে। আমিও দেখি বানাবো। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই। 💕💕
চমৎকার একটি হাতপাখা তৈরী করেছেন ভাইয়া। দক্ষতার সাথে প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করেছেন। খুব সুন্দর কালার কম্বিনেশন ছিলো। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার এই হয় পাখা দেখে তো সেই গানের কথা মনে পড়ে গেলো হাহা😍।
পাখাটি কিন্তু সুন্দর ছিল তবে বাতাস কতটুকু হবে তা নিয়ে একটু সন্দেহ আছে 😁। আগে তৈরি প্রক্রিয়া গুলো অনেক জোস ছিল অনেক ভালো লেগেছে আমার।
খুব সুন্দর একটি জিনিস তৈরি করেছেন ভাইয়া। গরমে লোডশেডিংয়ের সময় কাজে দিবে অনেক। আমার কাছে আপনার আজকের ডাই প্রজেক্টের কনসেপ্টটা অনেক ভালো লেগেছে। স্বাধীনতার মাস কে ঘিরে পতাকার মতো করে তৈরি করেছেন যা দেখতে অসাধারণ লাগছে। আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি ডাই প্রজেক্ট শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ওয়া, ভাইয়া বেশ সুন্দর হয়েছে তো পাখাটা।স্বাধীনতার মাসে লাল-সবুজের পাখা দেখতে বেশ ভালো লাগছে। লোডশেডিং কথা নাইবা বললাম। যাই হোক প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
কাগজ দিয়ে হাত পাখা তৈরি করেছেন ভাই। সত্যি আপনার পোস্ট দেখে অনেক ভাল লাগল। চমৎকার একটা পাখা তৈরি করেছেন তাও আবার কাগজ দিয়ে। বিষয় টা বেশ মজার। ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন এবং আপনার পরিবার এর জন্য এবং আপনার জন্য সুভ কামনা রইল ভাইয়া। 💞💞
ঠিকই বলেছেন ভাই প্রচন্ড গরম পড়ছে এবং কিন্তু এই তাপদাহের মধ্যে হাত পাকার কোন বিকল্প নাই। তবে অবাক হলাম আপনি রঙিন কাগজ দিয়ে খুব সুন্দর করে হাত পাখা তৈরি করেছেন। আপনার হাতের কারুকাজ টি ছিল অসাধারণ। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন।
এই গরমে এই ধরনের হাতপাখা খুবই প্রয়োজনীয়। খুব সুন্দর করে রঙিন কাগজ দিয়ে হাত পাখা তৈরি করে আমাদের মাঝে তুলে ধরলেন। অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। এক সময়ে ভাবে তৈরি করে শেয়ার করার চেষ্টা করবো।
ধন্যবাদ আপনাকে, এই পাখাটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হয়েছি।
আরিফ ভাই দারুন একটা কাজ করেছেন সত্যি। আমার তো মনে হয় আমাদের পরের প্রজন্ম জানবেই না যে হাতপাখা বলে কিছু ছিল। এই ধরনের পাখা গুলো এখন তো আর দেখতেই পাই না। দারুন ছিল পুরো কাজ টা। লাল সবুজ এই দুই মিলে খুব সুন্দর লাগছে দেখতে।
ঠিকই বলেছেন ভাই কোন একসময় হাতপাখার প্রচলন আর থাকবে না। যাইহোক অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই, আমার এই পাখাটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হয়েছি।