অসুস্থতা।
আজ - ৫ই আশ্বিন |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | শরৎকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
তবে সব সময় অবহেলা করা উচিত না অনেক সময় দেখা যায় সামান্য কিছু থেকে অবহেলার কারণে অসামান্য কিছু হয়ে যায়। আর এখন জ্বর হলে আসলে একটা ভয় লাগা কাজ করে কারণ ডেঙ্গু হওয়ার একটা ভয় থাকে। তবে আমার যেহেতু ওরকম মাত্রা অতিরিক্ত জ্বর নেই তাই ওই সব চিন্তা করছি না। আশা করছি ঠিক হয়ে যাবে কয়েকদিনের মধ্যেই। আসলে সুস্থতা অসুস্থতা এটা আমাদের জীবনের নিত্যদিনের সঙ্গী। আর এই নিয়ে আমাদের চলতে হবে। অসুস্থতা থাকলে যে কোন কিছু থেমে থাকবে সেটা তো নই। সুস্থ থাকলে যেমনভাবে প্রত্যহিক কাজ প্রাত্যহিক জীবন যাপন চলতেই থাকবে, অসুস্থ হলেও ঠিক একই ভাবে সবকিছু চলবে। জীবন কখনো কোন কিছুর জন্য থেমে থাকে না জীবন চলতে থাকে জীবনের মত করে।
আমার ছোটবেলা থেকেই ঠান্ডা জনিত একটু সমস্যা ছিল। একদম দুই বছর বয়সে নিউমোনিয়া হয়েছিল একবার। তখন নাকি বেশ খারাপ পরিস্থিতি হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় বেশ অনেকদিন হসপিটালে ও থাকতে হয়েছিল। যদিও এ বিষয়গুলো আমার কোন কিছুই মনে নেই আর মনে থাকাটা তো কোনভাবে সম্ভব ও নয়। ওই দুই বছর বয়সের কথায় বা কিভাবে মনে থাকবে, তবে বিষয়গুলো বড় হওয়ার পর শুনেছি এই আর কি।
আর ওই নিউমোনিয়ার পর থেকে মোটামুটি ছোটবেলা থেকে সর্দি-জনিত সমস্যাটা আমার লেগেই থাকত। একটু উনিশ- বিশ হলেই দেখা যেত সর্দি লেগে যেত। মাসের মধ্যে ছয় মাসের ও বেশি সময় দেখে যেত সর্দি লেগেই থাকতো। তবে একটু একটু করে বড় হওয়ার পর এই সমস্যাটা অনেকটাই কমে আসে। আর আমার এই সমস্যাগুলোতে আমার থেকেও বেশি কষ্ট করেছে আম্মু। কারণ সন্তানদের একটু কষ্ট কিংবা অসুস্থ হলে মায়েরা সব থেকে বেশি কষ্ট এবং পেরেশনের মধ্যে পড়ে যায়।
ছোটবেলায় যখন খুব বেশি জ্বর হতো কিংবা অসুস্থ হয়ে পরতাম তখন দেখা যেত সারারাত ধরে আম্মু বিছানায় হেলান দিয়ে জেগে থাকতো। যতক্ষণ না জ্বর কমছে ততক্ষণ পর্যন্ত গা মুছত, মাথায় পানি দিত, জলপট্টি দিত আর অস্থির হয়ে থাকতো। ভোরবেলার দিকে যখন গেমে গিয়ে জ্বর ছাড়তো তখন একটু স্বস্তি পেত । এরপর আবার কি খাওয়াবে না খাওয়াবে সেসব কিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তো। আসলে প্রতিটি মায়েরা এমনই। তারা তাদের সন্তানদের জন্য সবকিছুই করতে পারে। হাসিমুখে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে পারে। তাদের কোন তুলনাই হয় না। এই দুদিন ধরে আমার একটু শরীর খারাপ লাগছে বলে আম্মু ও অস্থির হয়ে উঠেছে।
যাইহোক আজ অনেক কথা বলে ফেললাম। এখানেই বিদায় নিচ্ছি, সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী দিন আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে আল্লাহ হাফেজ।
একদম ঠিক বলেছেন আপনি ভাইয়া, অল্পেতে মেডিসিনের উপর নির্ভরশীল না হওয়া ভালো আমাদের।তাহলে পরবর্তীতে মেডিসিন ছাড়া আর চলবেনা।তবে আপনার যেহেতু ঠান্ডার সমস্যা ছোট থেকেই।আর এখন ডেঙ্গুর ছড়াছড়ি চারিদিকে তাই মেডিসিন নেওয়া ভালো।আপনার আম্মু অস্থির হয়ে উঠেছে আপনার শরীর খারাপ এজন্য।সব মায়েদের চিন্তা হয় তাদের সন্তানেরা অসুস্থ হলে।আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, দোয়া রইল।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ছোট ছোট সমস্যাগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বিদায় দিলেই ভালো। যেহেতু আপনার জ্বরও কম তাই ডেঙ্গু হবারও চান্স নেই। আসলে মা এমনই হয়। সবসময় টেনশন করে। একটু সমস্যা দেখা দিলেই সেটা নিয়ে টেনশন করতে থাকে।
আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে কম বেশি সকলেই অসুস্থতায় জীবন যাপন করছে। আপনার সুস্থতার জন্য দোয়া করছি সৃষ্টিকর্তা আপনাকে যেন সুস্থ রাখেন। পৃথিবীতে সব থেকে
দামি জিনিস ও আপনজন হচ্ছে মা । মায়ের তুলনা কোথাও মেলে না। আসলে মা এমনই হয় সন্তানের কিছু হলে নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারেনা অস্থির হয়ে পড়ে। সামান্য কিছুতেই ওষুধ খাওয়া আমিও পক্ষ বাদী না। প্রাকৃতিকভাবে যদি সেটা সেরে ফেলা সম্ভব তাহলে এর থেকে আর ভালো কিছু নেই। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।