বয়সের সাথে সাথে মানুষের আনন্দগুলো হারিয়ে যেতে থাকে।steemCreated with Sketch.

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আজ - ৫ই, বৈশাখ |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | গ্রীষ্ম-কাল |


আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।




girl-g5006cf65f_1920.jpg
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।

কেমন আছেন সবাই? আশা করছে ভালো আছেন। গরমের তীব্রতা মনে হয় অল্প একটু হলেও কমছে। গ্রীষ্মকালে গরম অনুভূত হবে এটাই স্বাভাবিক বিষয়। তবে একটু বেশি পড়েছিল মনে হয় গরম। বিগত কয়েকদিনে বেশ নাজেহাল অবস্থায় আছি। এই মুহূর্তে এখানকার তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি । শেষের সপ্তাহখানেক ধরে তাপমাত্রার সর্বনিম্ন বলা যায় এটিকে। কেননা শেষ কয়েক দিন ধরে গড় তাপমাত্রা ছিল 38 থেকে 40 ডিগ্রির উপরে সে হিসেবে আজকের তাপমাত্রা অনেকটাই কম। তবে তাপমাত্রা কম থাকলেও গরম কিন্তু একটুও কমেনি। বাহিরে খুব একটা রোদ না থাকলেও একটা ভাপসা গরম বিরাজ করায় ওয়েদারটাকে একেবারে আদ্র করে দিয়েছে। টাটকা রোদ যুক্ত ওই ওয়েদারটা অসহ্যকর হলেও এই ভাবসা ওয়েদারটা তার থেকে বেশি বিরক্তিকর। যার কারনে আজকে তাপমাত্রা কম থাকলেও এই আদ্রতার কারণে মনে হচ্ছে তাপমাত্রা অনেকটাই বেশি । আসলে খুবই অসহ্যকর লাগছে এই আদ্র ওয়েদারটার কারণে । যাই হোক এই আদ্র ওয়েদার টা বেশ ভালোভাবেই জানান দিচ্ছে সামনে বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আমাদের মন ভালো থাকা খারাপ থাকা অনেকটুকুই ব্যক্তিগত বিষয়ের উপর নির্ভর করলেও কিছু বিষয় ওয়েদারের উপর নির্ভর করে। যেমন বৃষ্টি ভেজা সুন্দর একটি ওয়েদার আমাদের মনটাকে উৎফুল্ল করে দিতে পারে খুব সহজেই। শীতের সময় একটু চকচকে রোদ মনটাকে ভালো করে দেয় অনেকটাই।

যাইহোক, রমজান প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে। কয়েকদিন পরেই ঈদ। আমাদের মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসবগুলোর মধ্যে একটি। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও এবার কিন্তু এখনো মার্কেটে যেতে পারিনি। কারণ বেশ কয়েকটা প্রজেক্ট নিয়ে খুবই ব্যস্ত সময় পার করছি। নতুন নতুন অনেক কিছু শিখছি জানছি কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ছি। বাইরে যে বের হবো তার ও সময় পাচ্ছি না।

আসলে যত বয়স বাড়ছে মনে হচ্ছে সময়ের তত আভাব হয়ে যাচ্ছে। এইতো বেশি দিন আগের কথা নয় পাঁচ থেকে ছয় বছর আগের কথা। যখন ছাত্র অবস্থায় ছিলাম তখন হাতে তেমন কোন কাজ থাকত না। রোজার ঈদের আগে, বেশ কয়েকবার মার্কেটে যাওয়া হতো, এমন কি শুধু কেনাকাটা না করে ঘুরতেই দু-তিনবার যাওয়া হত। আর শেষ দিকে কেনাকাটার জন্য তো কয়েকবারই যাওয়া হতো। বিশেষ করে চাঁদ রাতে অনেক রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করতে যেতাম। কারণ ওই রাতে বেশ ছাড় দেওয়া হত কেনাকাটায়। আসলে ওই সময় গুলোর কথা মন পড়লে এখনো অনেক ভাল লাগে। ওই সময় গুলো কতই না আনন্দের ছিল। নিজের ইচ্ছে মত জীবন উপভোগ করা যেত কোন চিন্তা ছিল না অর্থ করি সম্পদ নিয়ে। কিন্তু এখন সবসময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তাই থাকতে হয়।


skateboard-gd38e10d38_1920.jpg
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।

কারণ এখন আমার হাতে অনেক দায়িত্ব রয়েছে,
আমি চাইলেই এখন হুট করে কোথাও যেতে পারি না। সব সময় নেটওয়ার্ক থাকে এমন জায়গায় যেতে হয়। কারণ কমিউনিটির উইটনেস সার্ভার সহ অনেক কিছুই আমাকে দেখাশোনা করতে হয়। এখন আমরা শুধুমাত্র নিজেদের কমিউনিটিকে নিয়ে চিন্তা করি না। পুরো এইচডি ব্লকচেইনের ডেভলপমেন্টের জন্য কাজ করছি আমরা।

যাই হোক, এখনো পর্যন্ত এই রমজানে একবার ও মার্কেটে যাওয়া হই নিই। অবশ্যই এবার ইন্ডিয়ায় যাওয়াকে উদ্দেশ্য করে বেশ কেনাকাটা করা হয়েছিল। তা এবার তেমন আগ্রহ নেই কেনাকাটার। তবে হয়তো শেষের দিকে একদিন যাওয়া হবে এবং, ওইদিনই সব কেনাকাটা সেরে ফেলব। আগে হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল, কিন্তু বাজেটের সমস্যা ছিল এখন মাশাল্লাহ বাজেটের কোন সমস্যা নেই কিন্তু হাতে সময় কম। যতই বয়স বাড়ছে ততই ব্যস্ততা বাড়ছে। কাজ বাড়ছে, নিজের জন্য সময় কমছে।

এটাই জীবন এটাই প্রকৃতির নিয়ম, জীবনের এক এক সময় এক এক রকম যাবে। আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। বাস্তবতাকে উপলব্ধি করতে হবে। সবশেষে একটা কথাই বলতে চাই যাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় রয়েছে তারা এটি নিজের জন্য নিজের পরিবারের জন্য ব্যায় করুন, ভবিষ্যৎ এ আপনি এমন সময় নাও পেতে পারেন।

সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

Sort:  

Thank you, friend!
I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
image.png
please click it!
image.png
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)

The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.

 3 years ago 

সুন্দর একটি লেখা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি ঠিক বলেছেন, বয়সের সাথে সাথে মানুষের আনন্দ গুলোও হারিয়ে যেতে থাকে। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে আনন্দ পাওয়ার ধরণও পরিবর্তন হয়। আশাকরি সময় বের করে দ্রুতই মার্কেটে ঢু মারবেন। শুভ কামনা আপনার জন্য।

 3 years ago 

সত্যিই তাই সময়ের সাথে সাথে আনন্দ গুলো হারিয়ে যাচ্ছে। একটা সময় হাতে সময় ছিল কিন্তু সামর্থ্য ছিলোনা অনেক কিছু কেনার, এখন হয়তো কিছুটা সামর্থ্য হয়েছে তবে সময়ের বড় অভাব। আপনি বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং এজন্য বেশ ব্যাস্ত হয়ে পরেছেন। দোয়া রইল পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করুন আর সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করুন।

 3 years ago 

এই গরমের মাঝে জনজীবন বেশ অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে। আসলে গরমের মাত্রা এতটাই বেড়ে গেছে যে সহ্য সীমার বাহিরে চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে ঈদ প্রায় চলে এলো। কিন্তু ছোটবেলার মতো সেই আনন্দ এখন আর নেই। আসলে সময়ের সাথে সাথে আনন্দ গুলো যেন ফ্যাকাসি হয়ে গেছে।

 3 years ago 

ঠিক বলেছেন ভাইয়া যতই দিন যাচ্ছে ততই আনন্দ কমে যাচ্ছে। কারণ দিন অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে আমাদের কাঁধে দায়িত্ব অনেক বেড়ে যাচ্ছে। আর সেজন্যই আনন্দ হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের জীবন থেকে। যাইহোক শত ব্যস্ততার মাঝে ঈদের আগে একদিন সময় বের করে শপিং করে নিবেন সেই আশা করছি। পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাইয়া। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

গরমে সবার জীবন অতিষ্ঠ।এবার একটু বৃষ্টি দরকার।সামনে ঈদ।এই ঈদের আনন্দ ঠিকই হয় তবে ধরন টা কিছুটা বদলে গেছে।আগে ঈদী পেতাম আর এখন পাওয়ার চাইতে দিয়েই আনন্দ পাই।

 3 years ago 

এমনিতেই গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের এলাকায় তো গরম একটুও কমেনি।
হ্যাঁ ভাইয়া বড় হওয়ার সাথে সাথে দায়িত্ব বেড়ে যায়। তাছাড়া বয়সের সাথে সাথে নিজের লাইফ সেটেল হওয়া নিয়ে আলাদা মাথা ব্যথা থাকে। ছোট বেলায় সবার থেকে ঈদের আগে অনেক পোশাক পেতাম আবার ঈদের দিন সকালে অনেক টাকা ঈদ বোনাস পেতাম। অনুভূতি গুলো এখনো অনেক মিস করি।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.104
BTC 63427.77
ETH 1877.48
USDT 1.00
SBD 0.37