জীবনের সত্যিকারের গতি ।
আজ- ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, হেমন্ত-কাল
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
দেখবেন পরিবেশটা যদি একটু অন্ধকার আচ্ছন্ন থাকে তখন আমাদের মধ্যে অলসতা টা খুব বেশি কাজ করে। বিশেষ করে আমার মত অলস ব্যক্তিদের কাছে তো এই মেঘলা ওয়েদার গুলোতে অলসতা আরো বেশি করে চেপে ধরে। তখন সকালে ঘুম থেকে উঠতেই ইচ্ছা করে না। তখন মনে হয় না আরেকটু ঘুমিয়ে নেওয়া যাক একটু পরে না হয়ে উঠবো, এমন করতে করতে অনেকটা সময় কাটিয়ে দেই। আর এভাবেই করে দেখা যায় দিনটা শুরু হয় দেরিতে করে এবং সারাটা দিন সবকিছু থেকে পিছিয়ে পড়তে হয় ।
দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার এই প্রসঙ্গে একজন ব্যক্তির খুব সুন্দর একটি উক্তির কথা মনে পড়ে গেল। উক্তিটি হল - "ভোরের পাখি আর ভোরের সূর্য- দুই টাই যদি আপনার আগে জেগে যায়, তাহলে জীবন নিয়ে জরুরী ভাবে ভাবতে বসুন। জীবনের সত্যিকার গতি থেকে আপনি ইতিমধ্যেই বিচ্যুত হয়ে পড়েছেন। " এই কথাটির তাৎপর্য আমরা যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করে তাহলে বুঝতে পারব।
আমাদের যখন ঘুম ভাঙ্গে সে সময়টাই হচ্ছে আমাদের জন্য সকাল। আমরা যদি অনেকটা দেরি করে ঘুম থেকে উঠি অর্থাৎ দিনের অর্ধেকটার সময়ের পর যখন আমাদের ঘুম ভাঙ্গে তখন ওই সময়টাই আমাদের জন্য সকাল হয়। আর আমাদের ক্ষেত্রে যখন দিনের অর্ধেকটা সময়ের পর সকাল নামে তখন নিশ্চিত ভাবে আমরা সকল কিছু থেকে পিছিয়ে থাকবো। কারন আমাদের ঘুমিয়ে থাকার কারণে তো কোন কিছু থেমে নেই । সবকিছুই চলছে সবকিছু নিয়মে শুধুমাত্র আমরাই পিছিয়ে পড়েছি সেই নিয়মটি থেকে। আর এই সব কিছু থেকে পিছিয়ে পড়ার এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত।
ভোর হওয়ার সাথে সাথে যদি আমরা ও সচল হয়ে পড়তাম তাহলে আমাদের কর্মকাণ্ড গুলো অনেকটাই এগিয়ে নেয়ার সেই সুযোগ থাকতো। কিন্তু আমরা সেই সময়টা শুধুমাত্র ঘুমের মধ্যেই কাটিয়ে দিয়েছি। আমরা যদি সূর্য কিংবা পাখির মত করে খুব ভোরে আমাদের সকালটা শুরু করতাম তাহলে নিশ্চিত ভাবে সবকিছুই আমরা এগিয়ে যেতে পারতাম।
তাই জীবনের সত্যিকারের গতির সাথে চলতে হলে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে। আর তা না হলে বুঝতে হবে জীবনের সত্যিকারে গতিগুলো থেকে আমরা পিছিয়ে পড়েছি।
যাইহোক আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সকালে ভালো থাকবে সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী দিন আবার ও অন্য কোন বিষয় নিয়ে আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আজকের আপনার আজকের পোস্ট পড়তে পড়তে সেই ছেলেবেলার একটি কবিতার কথা মনে পড়ে গেল। ‘’ আমি হবো সকাল বেলার পাখি, সবার আগে উঠবো আমি কুসুম বাগে ডাকি’’। ইস্ কবিতার মত যদি আমরা সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে পারতাম তাহলে হয়তো আমাদের জীবনটাও অনেক সুন্দর হতো। বেশ দারুন ছিল আজকের পোস্টটি।
আপনার আজকের পোস্টের গভীরতা অনেক।
যাইহোক আজকের সকালটা শুরু হয়েছে বৃষ্টি এবং আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা। সত্যি বলতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হয়তো শীত নামিয়ে আনবে।
যাইহোক আমাদের সকালটা সূর্য ওঠার আগে শুরু করা উচিত এতে দিনের কাজের সময়টা বাড়বে।
আমার আলহামদুলিল্লাহ সে অভ্যাসটা আছে, সকাল সকাল বিছানা ত্যাগ করে হাটঁতে বের হয়। সকালের পরিবেশটাই অন্যরকম থাকে। সারাদিন অনেকটা সময় পাওয়া যায় কাজ করার। আশা করছি আপনিও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে পারবেন এবং সুস্থ্য জীবন উপভোগ করতে পারবেন।
ভাই আপনার মতো আমারও মেঘলা ওয়েদারের সময় অলসতা কাজ করে। উক্তিটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। তবে সকাল সকাল এখন ঘুম থেকে উঠতে আসলেই কষ্ট হয়ে যায়। একটা সময় অভ্যাস ছিলো খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠার। এখন প্রায়ই ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করতে করতে বেলা ১১ টা বেজে যায়। এমনিতেই শীতকালে দিন ছোট, তার মধ্যে এতো দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে চোখের পলকেই যেন দিন কেটে যায়। যাইহোক আমাদের সবার অভ্যাস করা উচিত, রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা। পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাই। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে ভোরে ওঠার অভ্যাস তৈরি করা খুবই কঠিন কাজ বিশেষ করে আমার জন্য। আর যখন উঠি তখন কোনো রকমে হয়তো বা নামাজ পড়ে আবার ঘুমিয়ে যায়। ইনশা-আল্লাহ একসময় সকাল ভোরে উঠে নিজের কাজকর্ম শুরু করতে পারব। অনেক আগে যখন দুপুরে ১১ টা ১২টার সময় ঘুম থেকে উঠতাম। তখন মনে হতো দিনটা খুবই ছোট কিন্তু হুট করে যদি কোন একদিন সকাল সকাল উঠে পড়তাম তাহলে মনে হতো যে সেদিনটা কাটতে চাচ্ছে না। তার জন্যই মূলত আমাদের সকাল ভোরে উঠেই নিজের কাজকর্ম শুরু করে দেয়া উচিত যেন অনেক সময় পাওয়া যায়। যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।