যেকোন ক্ষেত্রে হিসাবটা বুঝে নেওয়া জরুরি।
আজ - ৫ই ভাদ্র |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | শরৎকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
যার কাছে এই প্রকল্পটি লাভজনক ভালো মনে হবে সে এটা করবে। আর যার কাছে এটি লাভজনক মনে হবে না সে এই প্রকল্প অংশগ্রহণ করবে না। এখানে প্রত্যেকের প্রত্যেকের ব্যক্তি স্বাধীনতার উপর নির্ভরশীল । কথায় আছে অন্যের বুদ্ধিতে বড়লোক না হয়ে নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়াটা অনেক ভালো। আর আমিও এই কথাই বিশ্বাসী। জীবনের সব সময় নিজের সিদ্ধান্তই চলা শ্রেয়। তবে পরিবার কিংবা কাছের মানুষদের মতামত সিদ্ধান্তে প্রাধান্য দাওয়া সেটা হচ্ছে অন্য বিষয়।
যাইহোক আজকে মূলত একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করতে এসেছি। গল্প ঠিক না বরং শিক্ষনীয় বিষয় ও বলতে পারেন।
দুইজন লোক একটি চুক্তিবদ্ধে আবদ্ধ হয়। চুক্তিটা ছিল এমন যে, একজন আরেকজনকে প্রতিটা দিন একটা নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিবে। আমরা ধরেনি ওই টাকাটা পঞ্চাশ হাজার। আর অপর দিকে অন্যজন সে প্রথম দিন এক টাকা থেকে শুরু করবে এবং প্রতিটা দিন সে দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ ফেরত দিবে । অর্থাৎ আজ ১ টাকা, কাল দুই টাকা এর পরের দিন চার টাকা এর পরের দিন আট টাকা এর পর ১৬, ৩২ এভাবে করে প্রতিটা দিন দিগুণ হারে বাড়বে। আর এই চুক্তিতে তারা দুজনই বেশ খুশি।
প্রথম ব্যক্তি যিনি কিনা প্রতিদিন একই এমাউন্টের অর্থ দিবে সে তো বেশ খুশি এই চুক্তিতে। আর অন্যদিকে যে কিনা দ্বিগুন হারে টাকা দিবে সে আরো বেশি খুশি কেননা সে প্রতিদিন পঞ্চাশ হাজার টাকা করে পাবে আর তার বিনিময়ে তাকে দিতে হবে এক দুই টাকা করে। আপনাদের কি মনে হয় এখানে কে বেশি লাভবান এই চুক্তিতে। যে কিনা একই অর্থ প্রতিদিন দিবে সে আর নাকি যে কিনা দুই গুণ হারে অর্থ দিবে সেই লাভবান?
প্রথমে আমাদের মাথায় আসতে পারে যে দ্বিতীয় ব্যক্তি যে কিনা দ্বিগুণ হারের প্রতি দিন টাকে দিবে সেই সব থেকে বেশি লাভবান। কিন্তু বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল। বরং সে বেশি লাভবান যে কিনা একই পরিমাণ অর্থ প্রতিদিন দিয়ে যাবে। কারণ একটা জিনিস চিন্তা করে দেখুন এক টাকা দুই টাকা করে এভাবে দ্বিগুণ হারে বাড়তে বাড়তে কোন এক সময় ৫০ হাজার এগিয়ে পৌঁছাবে তখন ঠিক তার পরের দিন দ্বিগুণ হারে ১ লাখ টাকায় গিয়ে পৌঁছাবে। আর এভাবে একদিনে তার অর্থ প্রতিনিয়ত দ্বিগুণ হারে বাড়তে থাকবে।
অন্যদিকে যে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে আসছে তাই তার প্রথম কিছুটা লস হলেও একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর তার কয়েক গুণ বেশি অংকের টাকা ফেরত আসছে । তো এই হিসেবে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এই ছুটিতে কে বেশি লাভবান। এ রকমই কিছু হিসাবের মতো করে আমারা জীবনে এমন অনেক হিসাবে লাভের মুখ দেখে লসে পড়ে যায়। তাই যে কোন ক্ষেত্রে আগে হিসাব বুঝে নেওয়াটা জরুরী।
যাইহোক আজকের ঘটনাটি জানি না কতটুকু স্পষ্ট ভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পেরেছি। তবে চেষ্টা করেছি বুঝিয়ে বলার। তো আজ এ পর্যন্তই সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী দিন অন্য কোন বিষয় নিয়ে আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
জি আমিও শুনেছি পেনশন স্কিম এর কথা। আপনি বেশ সুন্দর একটি উদাহরনের মাধ্যমে আমাদের কে সম্পন্ন বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করেছেন। তবে আমি মনে করি যে নিজের বুদ্ধিতে চলে যদি কেউ না খেয়েও থাকে তাও শান্তি আছে। পরের বুদ্ধিতে চলে নিজের সর্বনাশ করার দরকার নেই। ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ভাই পেনশন স্কিম নিয়ে দারুন একটি গল্পের মাধ্যমে যুক্তি দিয়ে দিলেন। আসলে যে কোন কাজের ক্ষেত্রে নিজের বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়েই সেই কাজে প্রবেশ করা উচিত। আমি মনে করি নিজের বুদ্ধিতেই ফকির হওয়া ভালো। গল্পের মাধ্যমে যুক্তি টি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে চিন্তা ভাবনারও অনেক কারণ আছে।
পেনশন স্কিম কে কেন্দ্র করে খুব সুন্দর একটি গল্প বলে আমাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করলেন।আসলে আমি মনে করি নিজের বুদ্ধিতে পাগল হলেও ভালো। পরের বুদ্ধিতে রাজা হয়েও লাভ নেই।নিজে বুঝে শুনে যেকোনো কাজ করা ভালো।
ঠিক তাই নিজের বুদ্ধিতে যা ভালো মনে হবে ,তাই করা উচিৎ । বেশ সুন্দর একটি গল্পের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন, নিজের হিসাব বুঝে নেয়ার।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ।
বাহ্! চমৎকার একটি উদাহরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিষয়টি খুব সুন্দর ভাবে আমাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছেন ভাই। আমি আগে থেকেই একটা নীতিতে বিশ্বাসী। সেটা হচ্ছে নিজের কাছে যেটা ভালো লাগবে সেটা করার চেষ্টা করি সবসময়। কারণ অন্যের বুদ্ধি নিতে গেলেই অবস্থা খারাপ। এই যুগে ভালো বুদ্ধি দেওয়ার মানুষের সংখ্যা খুবই কম। যাইহোক এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে দারুণ একটি পোস্ট লিখে শেয়ার করেছেন আপনার লেখা পোস্টে পড়তে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে ভাই। জি ভাই আমিও শুনেছি পেনশন স্কিম এর কথা। আপনি আজকে আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর ভাবে উদাহরণের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন বিষয়টা। ঠিক বলেছেন ভাই নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভালো পরের বুদ্ধিতে কোটিপতি হওয়া ভালো না আমি মনে করি। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
পেনশন স্কিম কেন্দ্র করে সুন্দর একটি শিক্ষানীয় গল্প আমাদের মাঝে শেয়ার করেছে। আসলে এটি গল্প বলা যায় না কারণ এটি একটি শিক্ষনীয় একটি বিষয় যেটি আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের বুদ্ধিতে কাজ করা উচিত কারণ কাজটি ভুল হলেও নিজেকে বুজ দেওয়া যায়। কিন্তু অন্যের বুদ্ধিতে কাজ করলে সেটি ভুল হলে সেটি কখনোই মানা সম্ভব নয়। যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে হিসাব করা উচিত।ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলেই বর্তমান সময়ে এই পেনশন স্কিম টা প্রত্যেকটি মানুষের মাঝেই অন্য রকমের একটা চিন্তাভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গল্পের মাধ্যমে দারুন ভাবে আপনি আমাদেরকে বিষয়টা সম্পর্কে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন। এই জন্যই তো সব সময় নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভালো।
গল্পটা ভালই লেগেছে। আপনার যুক্তিটাও দারুন লেগেছে। বাঙ্গালী সবসময় সামনের লাভটাই বেশি দেখে। যার ফলে সব জাগায় ঠকে। ধন্যবাদ।
যুক্তির মাধ্যমে একটি শিক্ষানীয় গল্প আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রত্যেকটি কাজে নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই ভালো। এতে যদি নিজের লস হয় তবুও ভালো। কারণ অন্যের বুদ্ধিতে সর্বনাশের পরিমাণটাই বেশি। অনেক শিক্ষানিয় একটি বিষয় আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।