রেসিপিঃ বিকেলের নাস্তায় ফুড কেসাদিয়া||১০% প্রিয় খ্যাকের জন্য||
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -২১ শে, বৈশাখ||১৪২৯ বঙ্গাব্দ||বুধবার||গ্রীষ্মকাল||
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
তাহলে চলুন শুরু করি
বিকেলর নাস্তা
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ
- পেয়াজ কুচি,
- ক্যাপ্সিক্যাম কুচি,
- ধনিয়া পাতার কুচি,
- কাচা মরিচ কুচি,
- পরিমান মত লবন,
- গোল মরিচ গুড়া
- ময়দার রুটি
রান্নার প্রয়োজনীয় ধাপ
ধাপঃ-১ঃ ভিতরের স্টাফ তৈরী, পেয়াজ কুচি, ক্যাপ্সিক্যাম কুচি, ধনিয়া পাতার কুচি, কাচা মরিচ কুচি, পরিমান মত লবন, গোল মরিচ গুড়া দিয়ে মিশিয়ে নিই। আপনি চাইলে, আরো কিছু দিতে পারেন, টমেটো কুচি সহ আরো কিছু।
ধাপঃ-২ঃআগেই রুটি বানিয়ে রাখতে হবে বা এমন রুটি এখন অনেকেই আগে বানিয়ে ফ্রীজে রাখেন।
ধাপঃ-৩ঃতাওয়াতে পরিমান মত ঘি দিয়ে গরম করি। এবং তাতে রুটি দিন।
ধাপঃ-৪ঃ এবার রুটির উপর ফাটানো ডিম দিই, তাতে আগে বানিয়ে রাখা ষ্টাফ ছিটিয়ে দিই।
ধাপঃ-৫ঃএবার গ্রেডিং করা চীজ ছিটিয়ে দিই, এই সব আপনার পরিমান মত দিতে থাকুন, তেমন বেশি হলেও বা কি আসে যায়।
ধাপঃ-৬ঃআগুন মাঝারি। উলটে দিন। চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না। কিছুক্ষন পরেই হয়ে যাবে।
ধাপঃ-৭ঃ এবার আবার উলটে নিই এবং ভাজ করে ফেলি। ব্যস হয়ে গেল।
ধাপঃ-৮ঃমাঝ বরাবর কেটে নিই, খাওয়ার সুবিধার জন্য।এভাবে বানিয়ে জমিয়ে ফেলুন।
ধাপঃ-৯ঃআপনি চাইলে এর সাথে আরো কত কি যোগ করতে পারেন।বিকেলের নাস্তায় আপনি চা পছন্দ না করলে এক গ্লাস লেবুর শরবত বা শুধু লেবু চিপে রস বের করে, সামান্য লবন দিয়ে গুলে আরো কিছু ঠান্ডা পানি যোগ করে নিয়ে বস্তে পারেন। মন্দ লাগবে না।
ধন্যবাদ সবাইকে
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
💞 আল্লাহ হাফেজ 💞
তাহলে চলুন শুরু করি
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ |
|---|
- পেয়াজ কুচি,
- ক্যাপ্সিক্যাম কুচি,
- ধনিয়া পাতার কুচি,
- কাচা মরিচ কুচি,
- পরিমান মত লবন,
- গোল মরিচ গুড়া
- ময়দার রুটি
রান্নার প্রয়োজনীয় ধাপ |
|---|
ধাপঃ-১ঃ ভিতরের স্টাফ তৈরী, পেয়াজ কুচি, ক্যাপ্সিক্যাম কুচি, ধনিয়া পাতার কুচি, কাচা মরিচ কুচি, পরিমান মত লবন, গোল মরিচ গুড়া দিয়ে মিশিয়ে নিই। আপনি চাইলে, আরো কিছু দিতে পারেন, টমেটো কুচি সহ আরো কিছু।
ধাপঃ-২ঃআগেই রুটি বানিয়ে রাখতে হবে বা এমন রুটি এখন অনেকেই আগে বানিয়ে ফ্রীজে রাখেন।
ধাপঃ-৩ঃতাওয়াতে পরিমান মত ঘি দিয়ে গরম করি। এবং তাতে রুটি দিন।
ধাপঃ-৪ঃ এবার রুটির উপর ফাটানো ডিম দিই, তাতে আগে বানিয়ে রাখা ষ্টাফ ছিটিয়ে দিই।
ধাপঃ-৫ঃএবার গ্রেডিং করা চীজ ছিটিয়ে দিই, এই সব আপনার পরিমান মত দিতে থাকুন, তেমন বেশি হলেও বা কি আসে যায়।
ধাপঃ-৬ঃআগুন মাঝারি। উলটে দিন। চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না। কিছুক্ষন পরেই হয়ে যাবে।
ধাপঃ-৭ঃ এবার আবার উলটে নিই এবং ভাজ করে ফেলি। ব্যস হয়ে গেল।
ধাপঃ-৮ঃমাঝ বরাবর কেটে নিই, খাওয়ার সুবিধার জন্য।এভাবে বানিয়ে জমিয়ে ফেলুন।
ধাপঃ-৯ঃআপনি চাইলে এর সাথে আরো কত কি যোগ করতে পারেন।বিকেলের নাস্তায় আপনি চা পছন্দ না করলে এক গ্লাস লেবুর শরবত বা শুধু লেবু চিপে রস বের করে, সামান্য লবন দিয়ে গুলে আরো কিছু ঠান্ডা পানি যোগ করে নিয়ে বস্তে পারেন। মন্দ লাগবে না।
নাস্তা দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। সত্যি অসাধারণ হয়েছে। আপনি খুব সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন । ধাপসমূহ খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। এত অসাধারণ রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।
এতই যদি খেতে ইচ্ছা করে তাহলে আমার বাসায় চলে আসেন আপনাকে তৈরি করে খাওয়াবো ।।আপনার মন্তব্য আমার কাছে ভালো লাগলো ভাইয়া ।।
শুভকামনা রইল আপনার জন্য।।
নাজনে ডাটা খুবই সুস্বাদু একটি খাবার আপনি দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আমাদের মাঝে দারুন হয়েছে গুছিয়ে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করেছেন তবে অন্য একটা রেসিপি করতে গিয়ে আমারটায় করেছেন সমস্যা নেই।
বিকেলের নাস্তা ফুড কাসাদিয়া😋 আমার ছবি দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। মনে হচ্ছে এটি খেতে খুবই টেস্টি হবে। আপনার কাছ থেকে খুব সুস্বাদু একটি রেসিপি শিখে নিয়েছি ভাইয়া
আমি অবশ্য এটা একদিন বাসায় ট্রাই করে দেখব। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
বিকেলের নাস্তায় খাবারটা তৈরি করে দেখবেন খেতে অনেক সুস্বাদু লাগবে।। আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।।
একজন ভোজন প্রিয় মানুষ হিসেবে ডিমের তৈরি রেসিপি গুলো একটু বেশি পছন্দ করি।বিকেলের নাস্তায় ফুড কেসাদিয়া রেসিপি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন বিশেষ করে প্রতিটা ধাপে ধাপে পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছেন এবং পরিশেষে লোভনীয় একটি রেসিপি পরিবেশন করেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভাইয়া।
এতই যদি পছন্দ করেন তাহলে একদিন তৈরি করে আমাকে দাওয়াত দিয়ে নিজে খেয়ে আসবো।।
অভিজ্ঞ মানুষের হাতের খাবার একটু টেস্টি বেশি হয় কারণ আপনি অলরেডি এই রেসিপি একবার তৈরি করেছেন।
আপনার রেসিপির নামটি ইউনিক লেগেছে আমার কাছে। কিন্তু রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে যে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। আপনার রান্নার পদ্ধতি দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে কতটা মজাদার হয়েছিল খাবারটি। ধন্যবাদ আপনাকে ইউনিক কেসাদিয়ার রেসিপি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য।
জি আপু বিকেলের নাস্তায় এই খাবারটা খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে ।।আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন দোয়া রইল আপনার জন্য।।
বিকেলের নাস্তার জন্য একদম পারফেক্ট একটি রেসিপি তৈরি করলেন। এরকম নাস্তা আমার কাছে খেতে বেশি ভালো লাগে। আমি তো মাঝে মাঝেই তৈরি করে থাকি বাড়িতে। বিশেষ করে আপনার নাস্তার উপস্থাপনাটা আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো।
এই ধরনের খাবার সকাল অথবা বিকেলের নাস্তায় খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে।।। আপনার মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।।
এই খাবারটা বিকেলের নাস্তা হিসেবে খুবই ভালো সকালের নাস্তা হিসেবেও এটি খাওয়া যেতে পারে। নামটা তো খুব সুন্দর দিয়েছেন ফুড কাসাদিয়া।এই ধরনের একটা খাবার আমি অনেকদিন আগে তৈরি করেছিলাম। আমারটা অবশ্য আরো ভিন্ন ভাবে তৈরি করেছিলাম। আপনার খাবারটি দেখে মনে হচ্ছে খাবারটি অনেক মজাদার লেগেছে খেতে।
আমার বিকেলের নাস্তায় এই খাবারটা খাওয়া হয়ে থাকে।। আপনার মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।।
বিকেলের নাস্তার খুব সহজ সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপনি অনেক সুস্বাদু মনে হচ্ছে বেশ গুছিয়ে প্রতিটা ধাপ উপস্থাপনা করেছেন শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
জি ভাইয়া খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল আমার বাসায় একদিন আসবেন আপনাকে তৈরি করে খাওয়াবো মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।।
জি ভাইয়া খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল আমার বাসায় একদিন আসবেন আপনাকে তৈরি করে খাওয়াবো মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।।
ভাইয়া বিকেলের নাস্তায় ফুড কেসদিয়া রেসিপিটি গরম গরম চা বা কফির সাথে খেলে সত্যিই মন্দ হবে না। রেসিপিটি দেখেই মনে হচ্ছে খেতে অনেক অনেক মজার হয়েছে। আপনার তৈরি এই রেসিপিটি আমার কাছে খুবই পরিচিত তবে আপনার টাইটেলে নাম দেয়াটা একদম অপরিচিত। কেসাদিয়া নামটি আমি আগে কখনো শুনিনি। তবে আপনার তৈরি রেসিপি দেখে খুবই ভালো লাগলো। আর এই ভালোলাগার রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
জি ভাইয়া রেসিপিটি খেতে অনেক মজা হয়েছিল ।।আর প্রায় দিন বিকেলের নাস্তায় আমি এই খাবারটা খেয়ে থাকি। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।।
ভাই আপনার রেসিপি দেখে লোভ সামলানো অনেক কঠিন কাজ। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আপনার রেসিপিটি তৈরি করেছেন। আসলে আমি আপনার রেসিপিটি অবশ্যই তৈরি করে খাবো। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ভাই।
রেসিপিটি আপনি তৈরি করে খাবেন জেনে ভালো লাগলো। খুবই সুস্বাদু লাগে রেসিপি টা আমার কাছে ।।আপনার সুগঠিত মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।