রেসিপিঃ গুড়া চিংড়ির দোপেয়াজা।প্রিয় লাজুক খ্যাকের জন্য ১০% বরাদ্দ।
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -২১মাঘ| ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শুক্রবার| শীতকাল|
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
তাহলে চলুন শুরু করি
আজ আপনাদের মাঝে ইউনিক একটা রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম।।আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।
গুড়া চিংড়ির দোপেয়াজা।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
- ছোট চিংড়ি।
- পেঁয়াজ কুচি।
- কাচা মরিচ।
- রসুন বাটা।
- লবন পরিমান মত।
- তেল পরিমান মতো।
- ধনিয়া পাতার কুচি।
- হলুদ গুঁড়া।
- মরিচ গুঁড়া
প্রস্তুত প্রণালী
ধাপঃ-১ঃছোট চিংড়ি মাছ গুলো পরিস্কার করে রাখা হয়েছে।
ধাপঃ-২ঃকড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা সামান্য লবন দিয়ে ভেঁজে নিচ্ছি।
ধাপঃ-৩ঃপেঁয়াজ হলদে হয়ে এলে তাতে চিংড়ি গুলো দিয়ে দেয়া হয়েছে।
ধাপঃ-৪ঃকয়েক মিনিট পরে মরিচ গুড়া ও হলুদ গুড়া দেয়া হল, আগুন মাঝারি আঁচে থাকবে।
ধাপঃ-৫ঃভাল করে নাড়িয়ে মিশিয়ে নিই, কয়েকটা কাঁচা মরিচের কুচি দিয়ে দিই।
ধাপঃ-৬ঃসামান্য সময়ের জন্য ঢাকনা দিই, আগুন কম আঁচে থাকবে। কারন পানি ছাড়া রান্না, ফলে মাছের থেকে পানিতেই রান্না হবে।
ধাপঃ-৭ঃএমন অবস্থায় এসে যাবে।
ধাপঃ-৮ঃলবন স্বাদ দেখতে হবে। লাগলে দিতে হবে না লাগলে ওকে। ধনিয়া পাতার কুচি দিই, আমরা বিলাতি ধনিয়া পাতার কুচি দিয়েছিলাম। না থাকলে নাই, এটা স্বাদ ও ঘ্রান বাড়ায়।
ধাপঃ-৯ঃকিছুক্ষণ নেড়ে নিই।এই তো হয়ে গেল।
ধাপঃ-১০ঃপরিবেশনার জন্য প্রস্তুত, গরম ভাতের সাথে স্বর্গীয় খাবার!
ধন্যবাদ সবাইকে
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

আল্লাহ হাফেজ
তাহলে চলুন শুরু করি
আজ আপনাদের মাঝে ইউনিক একটা রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম।।আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
- ছোট চিংড়ি।
- পেঁয়াজ কুচি।
- কাচা মরিচ।
- রসুন বাটা।
- লবন পরিমান মত।
- তেল পরিমান মতো।
- ধনিয়া পাতার কুচি।
- হলুদ গুঁড়া।
- মরিচ গুঁড়া
প্রস্তুত প্রণালী
ধাপঃ-১ঃছোট চিংড়ি মাছ গুলো পরিস্কার করে রাখা হয়েছে।
ধাপঃ-২ঃকড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা সামান্য লবন দিয়ে ভেঁজে নিচ্ছি।
ধাপঃ-৩ঃপেঁয়াজ হলদে হয়ে এলে তাতে চিংড়ি গুলো দিয়ে দেয়া হয়েছে।
ধাপঃ-৪ঃকয়েক মিনিট পরে মরিচ গুড়া ও হলুদ গুড়া দেয়া হল, আগুন মাঝারি আঁচে থাকবে।
ধাপঃ-৫ঃভাল করে নাড়িয়ে মিশিয়ে নিই, কয়েকটা কাঁচা মরিচের কুচি দিয়ে দিই।
ধাপঃ-৬ঃসামান্য সময়ের জন্য ঢাকনা দিই, আগুন কম আঁচে থাকবে। কারন পানি ছাড়া রান্না, ফলে মাছের থেকে পানিতেই রান্না হবে।
ধাপঃ-৭ঃএমন অবস্থায় এসে যাবে।
ধাপঃ-৮ঃলবন স্বাদ দেখতে হবে। লাগলে দিতে হবে না লাগলে ওকে। ধনিয়া পাতার কুচি দিই, আমরা বিলাতি ধনিয়া পাতার কুচি দিয়েছিলাম। না থাকলে নাই, এটা স্বাদ ও ঘ্রান বাড়ায়।
ধাপঃ-৯ঃকিছুক্ষণ নেড়ে নিই।এই তো হয়ে গেল।
ধাপঃ-১০ঃপরিবেশনার জন্য প্রস্তুত, গরম ভাতের সাথে স্বর্গীয় খাবার!
ধন্যবাদ সবাইকে
গুরা চিংড়ির দো পেয়াজা কখুনো এভাবে খাওয়া হয়নি রেসিপিটা দারুন লাগলো বাসায় ট্রাই করতে হবে।আপনি অনেক সুন্দর ভাবে গুছিয়ে ধাপ উপস্থাপন করেছেন।শুভ কামনা রইলো।
রেসিপিটা তৈরি করে খেয়ে দেখবেন অনেক সুস্বাদু একটা খাবার ।মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
খুব সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আমার কাছে একটি সম্পূর্ণ নতুন একটি রেসিপি। ছোট চিংড়ি মাছ দিয়ে এত সুন্দর রেসিপি করা যায় তা জানা ছিল না। কারণ ছোট চিংড়ি মাছ গুলো আমরা সবসময় তরকারির সাথে খেয়ে থাকি। দেখে তো মনে হচ্ছে ভীষণ সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
চিংড়ি মাছ গুলো দেখতে খুব অসাধারণ দেখাচ্ছে। দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে এই রেসিপিটি উপস্থাপন করেছেন। আপনার উপস্থাপনা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ছোট চিংড়ি মাছগুলো খেতে বেশ ভালো লাগে। আর গতকালকেও একজন ভাইয়া এই ছোট চিংড়ি মাছ গুলোর ভাজি রেসিপি দিয়েছিল। সত্যি ভাই আমার কাছে খুবই ভালো লাগে ছোট চিংড়ি মাছ গুলো। বিশেষত পুকুরে ছোট চিংড়ি হলে তো কথাই নেই।
চিংড়ি মাছ খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
চিংড়ি মাছ খুবই মজাদার রেসিপি,আমি চিড়িং খেতে অনেক পছন্দ করি। মাঝে মাঝে ছোট চিংড় দিয়ে আমি নুডলস রান্না করে খাই অনেক ভালো লাগে।রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ,শুভ কামন রইল আপনার জন্য
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
উৎসাহমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
চিংড়ি মাছ ছোট হোক অথবা বড় হোক আমার তো খেতে ভীষণ ভালো লাগে। বেশিরভাগ চিংড়ি মাছের দোপেয়াজা খেতে তো অনেক সুস্বাদু লাগে। তেমন আপনার রেসিপিটাও দেখে মনে হচ্ছে খুব ইয়াম্মি হয়েছে। এরকম প্রিয় খাবারের রেসিপি দেখলে খুব লোভ হয় আমার।
😋😋 অনেক সুন্দর একটা রেসিপি আজকে আমাদেরকে উপহার দিলেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল 🤗🤗
রেসিপিটা অনেক সুস্বাদু হয়েছিল ।আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
গুড়া চিংড়ির দোপেয়াজা রেসিপি টা দেখতে আসলেই অনেক লোভনীয় লাগছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে চিংড়ি মাছ খেতে অনেক ভালোবাসি চিংড়ি মাছ দিয়ে তৈরি করা যেকোনো রেসিপি আমার অনেক প্রিয়। আপনার চিংড়ি মাছের গুড়া দিয়ে তৈরি করা দোপিঁয়াজি রেসিপি টা খেতে মনে হয় খুবই সুস্বাদু হবে । আপনি রেসিপিটা আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুস্বাদু রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল ।মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
চিংড়ি মাছ কার না প্রিয়, হয়তো অনেকেই স্বাস্থ্যগত কারণে খেতে পারেন না। তবে এই মাছের স্বাদ সত্যিই অতুলনীয়। এটি যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন এটি খেতে খুবই মজা লাগে। এর যে সুগন্ধ রয়েছে এটির মাধ্যমে মনে হয় যেন সবগুলো খেয়ে ফেলি। আপনার রেসিপিটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে ভাই।এভাবে সহজেই শর্টকাট রান্না করে খেয়ে নেয়া যায়।
গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
চিংড়ি মাছ সব থেকে আমার কাছে প্রিয় একটা খাবার।কারণ আমি চিংড়ি মাছ খেতে খুবই ভালোবাসি।আর বিশেষ করে ছোট চিংড়ি মাছ আমি একটু বেশি পছন্দ করি।আর ছোট চিংড়ি মাছ বত্য করে খেতে খুবই দারুণ লাগে।আপনি রেসিপি খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে এতো সুন্দর একটা চিংড়ির রেসিপিটা শেয়ার করার জন্য। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।