মায়ের হাতের পিঠা তৈরি(লাজুক খ্যাকের জন্য ১০% এবং এবিবি স্কুলের জন্য ৫% পে আউট)
আজ - শুক্রবার।
১৬ জুন ২০২৩ ইংরেজি।
২ আষাঢ় ১৪৩০ বাংলা।
২৬ জিলক্বদ ১৪৪৪ হিজরি।
হ্যালো বন্ধুরা
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি দেখতে দেখতে ২ বছর অতিক্রম করে ফেলেছি। @rme দাদাকে ধন্যবাদ জানাই আমার বাংলা ব্লক কমিটির মাধ্যমে আমাদের সকলকে নিজেদের ক্রিয়েটিভিটি ও সৃজনশীলতা সকলের মাঝে শেয়ার করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।আশা করছি সামনে আমরা সকলেই একসাথে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।যাই হোক আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি আমার মায়ের হাতের তৈরি পিঠা নিয়ে কিছু ফটোগ্রাফি।
প্রথম একটি পিঠা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব। পিঠাটি আপনারা সকলেই চিনবেন পিঠার নাম হল তাল পিঠা বা আমাদের ওদিকে বলে থাকে তালের বড়া।এখন তালের সময় বিভিন্ন জায়গায় তার পাওয়া যায়।আমাদের নিজেদের গাছ থেকে পাড়া তাল থেকে পিঠা তৈরি করা হয়েছে। তাল দিয়ে বিভিন্ন রকমের পিঠা তৈরি করে খাওয়া যায়।আমার বাবা তাল, দুধ, চিনি ও নারিকেল একসঙ্গে জ্বালিয়ে চিড়া দিয়ে খেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন।খেতে অনেক সুস্বাদু এবং মজা আমার অনেকটাই পছন্দ।ফটোগ্রাফীতে দেখতে পাচ্ছেন তালের বড়া।তাহলে বডি তৈরি করা হয়েছে দুধ, চিনি ও গমের আটা মেসিয়ে তেলেভাজা তাল বড়া।
গ্রামাঞ্চলে কমবেশি সব সময় পিঠা তৈরি করে থাকেন।নবান্নের উৎসবে যখন নতুন ধান প্রতিটি কৃষকের ঘরে তখন একটু বেশিই পিঠা তৈরি হয়ে থাকে।বেশ কিছু দিন আগে আমি বাড়িতে গিয়েছিলাম সেসময় মা ভিজানো পিঠা তৈরি করেছিলেন। দুধ চিনি জ্বালিয়ে পিঠাটি রাতে ভিজিয়ে রাখে এবং সকালবেলা দেখা যায় পিঠাটি নরম হয়ে গিয়েছে। মিষ্টি রোদের আলোয় বসে পিঠা খেতে খুবই ভালো লাগে। আমাদের গ্রামে দুধ ও চিনি দিয়ে ভেজানো আগে শুকনা সরাপিঠা বলে এবং দুধ ও চিনি জ্বালিয়ে ভিজিয়ে রাখার পরে ভিজানো পিঠা বলে।পিঠা তৈরির কয়েকটি ধাপ ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখানো হল।
এখন যে পিঠা সম্পর্কে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করবো পিঠা টির নাম হল ভাপা কুলসি পিঠা।বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের নাম হতে পারে তবে আমাদের ওখানে বাবা কলসি পিঠা পরিচিত। আর যেটা তেলে ভাজা হয় সেটাকে তেলেভাজা কুলিপিঠা বলে।ভাপা কুলিপিঠা আমার অনেক পছন্দের একটি পিঠা।ভাপা কুলিপিঠা তৈরি প্রথমে একটি পাত্রের মধ্যে পানি দিয়ে উপরের জাল বা পাতলা কাপড় দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। যাতে পানির ভাবটা বাষ্পাকারে বের হতে পারে। তারপরে নারিকেল, গুড় ও তিল একসঙ্গে জ্বালিয়ে নিতে হবে।এরপরে সিদ্ধ করা আটা রুটির মতো গোল করে বেলে নিতে হবে।তার মাঝখানে তিল নারিকেল জালানো বসিয়ে বসিয়ে মুখ বন্ধ করেদিতে হবে। এরপর পাতিলের উপরে বসিয়ে পানি জ্বাল দিলে পিঠা সিদ্ধ হয়ে যাবে। খেতে অনেক মজাদার হটেস্ট।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ছিল আমার আজকের পোষ্ট।আমার বাংলা ব্লগ সকল মেম্বারের জন্য রইল শুভ কামনা।আমার পোস্টটি আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।
| সমস্ত ছবির | তথ্য |
|---|---|
| লোকেশন | কুমারখালী,কুষ্টিয়া,বাংলাদেশ 🇧🇩 |
| ডিভাইস | স্যামস্যাং এম ২১ |
| ফটোগ্রাফার | মোঃ তৌফিক ইসলাম(@kosto) |
| w3words | https://w3w.co/blameless.bipeds.systemic |
মায়ের হাতের প্রস্তুত করা পিঠা মানেই অনন্য সাধের এক ভরাডুবি।। শীত আসলেই পিঠার ধুম পড়ে যেত। আপনি এই সময়ে এসেও অনেকগুলা পিঠা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা এবং ফটোগ্রাফি তুলে ধরেছেন।
সবগুলা পিঠে অনেক লোভনীয় ছিল বিশেষ করে শেষের ওই পিঠা তো আমার খুব বেশি ভালো লাগে খেতে।।
সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ভাই আপনার মায়ের হাতের পিঠা গুলো দেখে কিন্তু নিজের একটু খেতে ইচ্ছা করছে। যাহোক মা বানিয়েছে তো। মায়ের হাতের প্রত্যেকটা জিনিসের খেতে অনেক সুস্বাদু। কারন মা যখন বানায় তখন খুব যত্ন করেই বানায়। এ পিঠাগুলো আমার অনেক পছন্দের। তবে তাল দিয়ে যে বড়া তৈরি করেছে এটা খেতে আমি খুব বেশি ভালোবাসি। ভালো লাগলো ভাই মায়ের হাতের পিঠার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপনার মায়ের হাতের প্রত্যেকটি পিঠা অসাধারণ।আপনারা যাকে সরাপিঠা বলেন আমরা তাকে সাচের পিঠা বলি।আর এটি খেজুর রসের মধ্যে দিয়ে ও খাওয়া যায়।আমার কাছে আপনার সরাপিঠা বেশি ভালো লেগেছে।আর শেষের পুলিপিঠাগুলিও বেশ লোভনীয় ছিল।ধন্যবাদ ভাইয়া।
বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের নামকরণ করা হয়েছে পিঠার।সুন্দরভাবে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ আপু।