পাহাড়িদের নিজস্ব কাপড় বুনন এর কিছু দৃশ্য উপভোগ | ১০% লাজুক খ্যাঁক এবং ৫% এবিবি-স্কুল
আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সকল সদস্যগণ আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সকলে মানসিকভাবে ভাবে এবং শারীরিক ভাবে সুস্থ আছেন এবং ভাল আছেন। সেই সাথে আপনারা আপনাদের পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে ভালো সময় কাটাচ্ছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু মুহূর্তের প্রতিবেশী শেয়ার করব যা আমি পাহাড়ি অঞ্চলে উপজাতিদের পাড়ায় ঘুরার সময় তাদের নিজস্ব কাপড় বুনন এর দৃশ্য উপভোগ করেছিলাম। আশা করি আপনারা আমার লেখাগুলো এবং ফটোগ্রাফি গুলো উপভোগ করবেন।
আমাদের দেশের পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উপজাতি বসবাস করে। যাদের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে। একেক উপজাতি একেক রকম পোশাক পরিধান করে থাকে। তাই সেই সকল পোশাক বেশিরভাগ সময়ই তারা নিজস্বভাবে তৈরি করে থাকে। কিছুদিন আগে বিকেল বেলা যখন আমি ঘুরতে বের হয়েছিলাম তখন তাদের কাপড় বুননের দৃশ্য গুলো উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই সাথে এই কাপড় সম্পর্কে কিছু জানতে পেরেছিলাম।
সম্ভবত এটি থামি কাপড়। এটি অনেকটা কাপড়ের মত এবং নিজস্ব সুতা দিয়ে তৈরি। সাধারণত মারমা মেয়েরা এই ধরনের থামি কাপড় পরিধান করে থাকে। এই কাপড়টি বিভিন্ন রকম এবং বিভিন্ন বর্ণের সুতা দিয়ে তৈরি। দেখতে খুবই সুন্দর দেখাচ্ছিল। এই কাপড়টি একজন মারমা মহিলা বসে বুনন করছিলেন। তিনি বললেন এই কাপড় তৈরিতে অনেক কষ্ট। এবং আমরা সেটাও স্বচক্ষে দেখলাম।
একটি এই রকম কাপড়ের দাম অনেক বেশি। তিনি যা বললেন সেটা হলো এই কাপড়ের দাম প্রায় ছয় হাজার টাকার মতো। এটি তৈরিতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। তাছাড়া এটি তৈরি করতে কয়েকদিন সময় ব্যয় হয়। তাদের কাপড় বোনার পদ্ধতিটি আমার কাছে ভীষণ ভাল লেগেছিল। তাছাড়া যে মহিলাটি কাপড় বুলনপুর ছিলেন তার সাথে কথা বলতে পেলেও ভালো লেগেছিল। যদিও তাদের বাংলা ভাষা ততটা স্পষ্ট নয়। সেখানে সুন্দর সময় কাটাতে পেরে সেদিনের বিকেলবেলাটা আসলেই অন্যরকম ছিল। এবং সেই সময়ে তার অনুমতি নিয়ে কাপড় বোনার কিছু দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করেছিলাম। আশাকরি দৃশ্যগুলো আপনারা উপভোগ করেছেন।
| ফটোগ্রাফির ধরন | উপজাতীয়দের কাপড় বোনার দৃশ্যের ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ফটোগ্রাফির লোকেশন | রেইছা থলিপাড়া বান্দরবান |
| ডিভাইসের নাম | স্যামসাং গ্যালাক্সি জে 7 |
| ফটোগ্রাফার | @kawsar8035 |
এই ফটোগ্রাফি গুলো আমার নিজের তোলা এবং লেখাগুলো সম্পূর্ণই কপিরাইট মুক্ত। কোন ওয়েবসাইট কিংবা কারো কাছ থেকে কপি করা নয়।
আমি মোঃ কাউছার হাসান। জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশী নাগরিক। তাই নিজেকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করি। কেননা এদেশের প্রকৃতির মাঝে আমার বেড়ে ওঠা এবং এদেশের বুকে আমার বসবাস। পেশায় একজন শিক্ষক এবং ব্যক্তিগতভাবে এক সন্তানের বাবা। সব সময় নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজে পাই এবং সেইসাথে প্রকৃতির মাঝে ভ্রমণ করার মাধ্যমে নিজেকে খুঁজে পাই।
বতর্মানে এই রকম কাপড় তৈরি করার জন্য অনেক আধুনিক প্রযুক্তি বের হয়েছে। কিন্তু এই আদিবাসীরা এখনও তাদের পুরাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তবে তাদের কাজের মান অনেক সুন্দর এবং ভালো। তবে কাপড়ের দামটা অনেক বেশি হলেও তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী ঠিক আছে। অনেক সুন্দর ছিল ছবিগুলো এবং গুছিয়ে লিখেছেন।।
ঠিক ভাই তাদের কাজের মান অনেক ভালো। বিশেষ করে এই কাপগুলো অত্যাধুনিক মেশিনে তৈরি কাপড়ের চেয়ে অনেক উন্নত মানের। তাছাড়া এখানে সুতা গুলো অনেক ভালো। তাই কাপড়ের দাম অনেক বেশি।
অনেক সুন্দর একটা বিষয় দেখিয়েছেন। এখন তো এরকম হাতে কাপড় বোনা দেখাই যায়না। এখনতো কত নানান রকমের ইলেকট্রিক মেশিন বের হয়েছে। কিন্তু এইরকম হাতে কাপড় বোনার সত্যি আলাদা রকমের একটা ভাললাগা আছে। পাহাড়িদের কাপড় বোনার দৃশ্য দেখে খুবই ভালো লাগলো। আমাদের মাঝে এরকম একটা বিষয় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
বর্তমানে টেক্সটাইলস প্রযুক্তির কারণে কাপড় সহজ হয়ে গেলেও পাহাড়িরা এখনও তাদের নিজস্ব কাপড় নিজেরা নিজেদের পদ্ধতি অবলম্বন করে তৈরি করে থাকে। ধন্যবাদ
আমি ছোট থেকে এ বিষয়ে অবগত। জেনে এসেছি এমন ভাবেই কাজ করা হয় কিন্তু কখনো স্বচক্ষে দেখি নাই। তবে আপনার এই সুন্দর ব্লক থেকে যে ফটোগ্রাফি গুলো দেখলাম এবং কিছু বর্ণনার সাথে বুঝতে পারলাম। ওদের জীবন এবং কাজ অনেকটা ভালো লাগলো আপনার এই ব্লগ দেখে।
আপনার ভালো লেগেছে জানতে পেরে আমার খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ
পাহাড়ী দের নিজস্ব কাপড় বুনন আমার খুবই ভালো লেগেছে।এখন এসব কাপড় বুনন করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। আদিবাসী রা এখন ও তাদের পুরাতন পদ্ধতিটি ব্যবহার করে। তাদের কাপড় এর মান বেশি।আর দাম ও বেশি। আপনার এই পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এর জন্য অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমানের কাপড় তৈরি করলেও অনেক পাহাড়িরা তাদের সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মতামতের জন্য
এই বছরের প্রথমদিকে বান্দরবান গিয়েছিলাম ঘুরতে খুব সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করেছি। এবং তাদের কাপড় বোনার দৃশ্য পটভূমি উপভোগ করেছি যা আপনার শেয়ার করা দৃশ্য পটভূমির স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় ধন্যবাদ ভাইয়া।
বান্দরবান আমার খুব পছন্দের একটি জায়গা। বর্তমানে এক বছরের জন্য সেখানে বসবাস করার কিছু পেয়েছি তাই বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়াচ্ছি। ধন্যবাদ
আমি বাস্তবে কখনো সামনা সামনি কাপড় বানানোর দৃশ্য দেখি নাই তবে আপনার পোস্টের মাধ্যমে অনেক তথ্য জানা হলো আর কিছু ভালো ফটোগ্রাফি দেখা হলো। অনেক ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমিও প্রথম সামনাসামনি এই ধরনের কাপড় বোনার দৃশ্য দেখেছিলাম। তাই আমার কাছে খুব ভালো লেগেছিল। ধন্যবাদ ভাই