দুপুর বেলা নদীর পাড়ে কাটানো কিছু মুহূর্ত
আজ--১৭ চৈত্র | ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | রবিবার | বসন্তকাল |
আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
- প্রিয় কমিউনিটি,আমার বাংলা ব্লগ
- দুপুর বেলা নদীর পাড়ে কাটানো মুহূর্ত।
- আজ--১৭ইচৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
- রবিবার
তো চলুন শুরু করা যাক...!
শুভ দুপুর সবাইকে......!!
নদীর পারে সময় কাটাতে পছন্দ করেনা এরকম মানুষ হয়তোবা এই কমিউনিটিতে খুঁজেই পাওয়া যাবে না। ব্যক্তিগতভাবে আমার এটাই মনে হয় যে নদীর পারে সময় কাটাতে শুধুমাত্র আমি নয় এই কমিউনিটির প্রত্যেকটা সদস্যই নদীর পাড়ে সময় কাটাতে অনেক বেশি পছন্দ করে। পছন্দ করলেও আপনারা কি কেউ দুপুরবেলা নদীর পাড়ে সময় কাটাতে ভালোবাসেন..?? এই প্রশ্নের জবাবে হয়তো বা অনেকেই এখন বলবেন দুপুরবেলা আবার নদীর পাড়ের সময় কাটাতে কারো ভালো লাগে নাকি..!! হ্যাঁ আমরা নদীর পাড়ে সময় কাটাতে ভালবাসি কিন্তু সেটা দুপুরবেলা খুবই কম। বিশেষ করে মানুষ নদীর পাড়ে সময় কাটাতে ভালবাসে বিকেলবেলা অথবা সন্ধ্যা লাগার আগ মুহূর্তে অথবা সকাল বেলা। এই তিনটার সময় মানুষ নদীর পাড়ে সময় কাটাতে ভালবাসলেও দুপুর বেলায় খুব একটা বেশি নদীর পারে সময় কাটাতে মন চায় না। এরপরেও যাদের বাসা নদীর আশেপাশে তারা ইচ্ছে করলে দিনের যে কোন সময়ই নদীর পাড়ে গিয়ে সময় কাটাতে পারে। কিন্তু ঘুরাঘুরির উদ্দেশ্যে দুপুরবেলা সময় কাটাতে অনেকেই অপছন্দ করে। সত্যি বলতে নদীর পারে যে কোন সময় আমার অতিবাহিত করতে অনেক বেশি ভালো লাগে কেননা নদীর পাশেই আমাদের বাসা যদিও সেখানে সারা বছর পানি থাকে না বর্ষা মৌসুমে পানি থাকে আর অন্যান্য মৌসুমে নদীটা শুকিয়ে যায়।
বর্ষা মৌসুমের নদীটা শুকিয়ে গেলেও খুব ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি এই নদীতে তেমন একটা স্রোত বা ঢেউ নেই, বলতে পারেন এটা প্রায় মৃত নদী শুধুমাত্র বছরের নির্দিষ্ট একটা সময়ে এই নদীতে পানি আসে এবং নির্দিষ্ট একটা সময়েই পানি এখান থেকে চলে যায়। যাইহোক অনেক কথাই বলে ফেললাম এখন আসল কথা বলে, যদিও এখন খুব একটা বেশি বাসায় থাকা হয় না তার পরেও মাঝে মাঝে যখন বাসাতে ঘুরতে যাই তখন আপনারা সকলেই জানেন যে ভাই ব্রাদারের সঙ্গে খুব বেশি ঘুরাঘুরি করা হয়। বাসায় যে কয়দিন থাকি সেই কদিন আমার মনে হয় এজন্য ঈদের দিন, প্রত্যেক দিনই কোন না কোন জায়গায় আমরা ঘুরতে যাই নতুন নতুন জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে বেশ ভালই লাগে। বেশ কয়েকদিন আগে বাসায় গিয়েছিলাম, বাসায় যাওয়ার পরে হঠাৎ সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই বাজারে চলে গিয়েছিলাম সেখানে গিয়ে এই মূলত আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে কোথা থেকে ঘুরে আসি, কিন্তু কোথায় ঘুরতে যাবো এটাই ভেবে পাচ্ছিলাম না কারণ তখন প্রায় ১০ টা থেকে ১১ টা বেজে গিয়েছিল।
অনেক কিছু ভাবতে ভাবতেই অবশেষে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে গোপগ্রাম সুখবিলাস নামক একটা জায়গা আছে আর এই জায়গাটা আমাদের এলাকার বাজার থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয়। সর্বোচ্চ চার থেকে পাঁচ কিলো দূরে হবে আর যেতে খুব একটা বেশি সময় লাগবে না যেহেতু বাইক আছে আমাদের সাথে। যেমন ভাবা তেমনি কাজ আমরা বাইক নিয়ে গোপগ্রাম সুখলাসের উদ্দেশ্যে রওনা করলাম। সুখবিলাস মূলত এই জায়গাটা একটা ছোট্ট পার্ক আর এই পার্কটা গড়ে উঠেছে নদীর একদমই সাথে, যার কারণে অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে সকাল বিকেল এবং সন্ধ্যে অবধি মানুষ এখানে থাকে। তবে সেদিন আমরা দুপুরবেলা গিয়েছিলাম যার কারণে মানুষ জনের তেমন একটা ভিড় ছিল না।
নদীর পাড়ে যে মানুষ দুপুরবেলা খুব একটা বেশি সময় কাটাতে পছন্দ করে না সেদিন দুপুরবেলা নদীর পাড়ে গিয়েই বুঝতে পেরেছিলাম। আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না যে এই একই জায়গাতে বিকেলবেলা কতটা ভিড় হয়। আর যেহেতু এটা একটা ছোট্ট পার্ক যার কারণে অনেক দূর দুরান্ত থেকেও মানুষ এখানে চলে আসে শুধুমাত্র এই নদীর পাড়ে কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করবে বলে। এরকম জায়গায় বসে সময় কাটাতে অনেক বেশি ভালো লাগে, মনে করুন আপনার প্রিয় মানুষকে নিয়ে যদি আপনি এই নদীর পারে এসে বসেন আর সাথে যদি এক কাপ চা থাকে তাহলে ব্যাপারটা কতটা রোমান্টিক। মাঝে মাঝে আমরা এখানে গিয়ে এই ব্যাপারটাই ভাবি যে যারা কাপল তাদের জন্য এই সময়টা কতটা রোমাঞ্চকর। যাইহোক, সুখবিলাসে গিয়ে বাইক রেখেই আমরা চলে যাই ছোট্ট একটা ঘরে যেই ঘরটা কিছুদিন আগেই তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রচন্ড রকমের বাতাস বহে, নদী থেকে স্নিগ্ধ বাতাস উঠে আসে আর এই বাতাস যখন গায়ে লাগে তখন নিজের কাছে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে।
দেখতেই পাচ্ছেন এখন নদীর পানি কতটা দূরে কিন্তু যখন বর্ষা মৌসুম চলে আসে তখন নদীর পানি খুবই কাছে চলে আসে আর আমরা যে জায়গাতে বাইক রেখেছিলাম সে জায়গাতেও পানি হয়ে যায়। যেহেতু আমরা দুপুরবেলা গিয়েছিলাম তাই সেখানে খাবারের মেনু তেমন কিছুই ছিল না শুধুমাত্র ছোট্ট একটা দোকান খোলা ছিল। সেই দোকান থেকেই আমরা কিছু ফাস্টফুড এবং চিপ স কিনে খাচ্ছিলাম আর একে অপরের সঙ্গে কত রকম ভাবে কত কি নিয়ে যে গল্প করেছিলাম সেটা আপনাদেরকে বলে বোঝাতে পারবো না। মূলত ভাই ব্রাদার একত্রে হলে যা হয় আর কি আপনারা হয়তোবা বুঝতে পারছেন। এরকম মুহূর্ত বারবার অতিবাহিত করতে মন চায় কিন্তু যখন নির্দিষ্ট একটা সময় পার হয়ে আর এই মুহূর্ত অতিবাহিত করতে পারি না তখন নিজের কাছে অনেক বেশি খারাপ লাগে তবে মাঝে মাঝে এরকম কিছু মুহূর্তের কথা যখন মনে পড়ে তখন নিজের কাছে অন্যরকম আর ভালো লাগার কাজ করে।
আপনারা গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, দুপুরবেলা কিন্তু এখানে তেমন কোন মানুষজন নেই পুরো জায়গাটা একদম ফাঁকা ছিল। আর পুরো জায়গার মধ্যে আমরা মাত্র কয়েকজন। নদীর সাথেই এরকম ছোট্ট একটা পার্কের মধ্যে আমরা কয়েকজন এতটা বেশি আনন্দ করেছিলাম সেদিন যেই মুহূর্তগুলো এখন শুধুই স্মৃতি। স্মৃতি হলেও এইরকম মুহূর্ত অতিবাহিত করতে বেশ ভালই লাগে। আমরা এই জায়গার মধ্যে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় অতিবাহিত করেছিলাম, যখন যোহর এর আজান হচ্ছিল তখন হঠাৎ করেই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা এখন বাসায় চলে যাব যেহেতু দুপুর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিশ্বাস করুন কখন যে দুপুর হয়ে গিয়েছে এটা আমরা বুঝতেই পারিনি, সুন্দর সময় গুলো যে আমাদের জীবন থেকে খুব দ্রুত চলে যায় সেদিন আমরা বুঝেছিলাম। বুঝতেই পারিনি সেদিন কখন দেড় থেকে দু'ঘণ্টা সময় কাটিয়ে ফেলেছি।
যাইহোক যেহেতু দুপুর হয়ে গিয়েছে এখন তো আর এখানে থাকা সম্ভব নয়, যার কারণে আমরা বাইক স্টার্ট দিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলাম। আপনাদেরকে আগেই বলেছিলাম বাসায় যেতে আমাদের খুব একটা বেশি সময় লাগে না যার কারণে আমরা দশ মিনিটের মধ্যেই বাসায় পৌঁছে গিয়েছিলাম। বাসায় পৌঁছে গিয়ে দুপুরের খাওয়া দাওয়া আর একটু রেস্ট করে বিকেল বেলা আবার বের হয়েছিলাম কোন এক অজানা উদ্দেশ্যে। সেই অজানা উদ্দেশ্যের পোস্ট নিয়ে দেখা হবে নতুন কোন ভাবে নতুন রূপে। আজ আর নয় এখানেই শেষ করছি, সকলেই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি পরিবারের সঙ্গেই থাকুন। ধন্যবাদ সকলকে...!!
আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্ট খুবই ভালো লেগেছে। আমার এই পোস্ট পরে সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন বলে আশা রাখি। আপনার সুন্দর মন্তব্যই আমার কাজ করার অনুপ্রেরণা
| বিভাগ | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| বিষয় | দুপুর বেলা নদীর পাড়ে কাটানো কিছু মুহূর্ত |
| পোস্ট এর কারিগর | @jibon47 |
| অবস্থান | [সংযুক্তি]source |
আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নেম @jibon47। আমি মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসি। আব্বু আম্মু আর ছোট বোনকে নিয়েই আমার পরিবার। এই তিনজন মানুষকে কেন্দ্র করেই আমার পৃথিবী।একসাথে সবাইকে খুশি করা তো সম্ভব নয়, তারপরও আমি চেষ্টা করি পরিবারের সবাইকে খুশি রাখার। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে।আমি বর্তমানে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং লেখাপড়া করছি। আমি গান গাইতে, কবিতা লিখতে, এবং ভাই ব্রাদারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে অনেক বেশি ভালোবাসি। সত্যি বলতে আমি প্রচন্ড রকমের অভিমানী, হতে পারে এটা আমার একটা বদ অভ্যাস। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব,"আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি।
@jibon47
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলে ভাইয়া নদীর পাড়ে দুপুরের চেয়ে বিকেলের সময়টা উপভোগ করা খুবই মজার হয়ে থাকে। আর এখন যত রমজান মাসের জন্যই হয়তো আপনি দুপুরের সময়টা পেয়েছেন এই জন্য নদীর পারে সেই সময়টা অতিবাহিত করেছেন। আপনার পোষ্টের কোয়ালিটি এবং ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে খুবই দারুন একটা মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মুহূর্ত উপভোগ করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমিও সেটাই মনে করি দুপুরবেলা থেকে বিকেল বেলা নদীর পাড়ে সময় কাটাতে অনেক বেশি ভালো লাগে। বিকেলবেলাতেও আমরা মাঝে মাঝে সময় কাটাতাম তবে সেদিন হঠাৎ করেই দুপুরবেলা চলে গিয়েছিলাম তবুও বেশ ভালোই লেগেছিল। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
দুপুরবেলায় নদীর পাড়ে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা আমার নেই। তবে আজকে আপনার এই পোস্টটি পড়ে আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। আসলে এরকম সুন্দর পরিবেশে সময় কাটানোর মজাই আলাদা। বিশেষ করে এরকম পরিবেশের সময় অতিবাহিত করলে মনটা বেশ প্রফুল্ল থাকে। দুপুরবেলায় নদীর পাড়ে কাটানো চমৎকার একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
যদিও দুপুরবেলা নদীর পাড়ে কাটানোর অভিজ্ঞতা এর আগে আমার কখনোই ছিল না তবে সেদিনের সেই নতুন অভিজ্ঞতা অনেক বেশি ভালো লেগেছিল আমার। দুপুর বেলাতে সবাই মিলে অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত কাটিয়েছিলাম। সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি যদি কখনো নদীর পাড়ে উপস্থিত হই তাহলে সেখান থেকে মন চায় না যে উঠে বাড়ি ফিরি। তাহলে বুঝতে পারছেন কতটা নদীর পাড় আমার ভালো লাগে। আজকে আপনি নদীর পার্কে ঘিরে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এমনিতে দুপুর টাইমে সব জায়গায় মানুষ থাকে না তবে নিজেদের সেই মুহূর্তটা কিন্তু স্মৃতি হয়ে থাকে। আর নদীর পাড়ে উপস্থিত হলে তো আমার কবিতা লিখতে বেশি ভালো লাগে। যাইহোক ভালো লাগলো কিন্তু আপনার এই সুন্দর অনুভূতি পড়ে।
বোঝাই যাচ্ছে নদীর পাড়ে সময় কাটাতে আপনি অনেক বেশি ভালোবাসেন, আমারও নদীর পাড়ে সময় কাটাতে অনেক বেশি ভালো লাগে আর নদীর পাড়ে উপস্থিত হলে আপনি কবিতা লিখতেও ভালবাসেন দেখছি। সেদিন আমরা অনেক বেশি আনন্দিত ছিলাম নদীর পাড়ে। মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দুপুরবেলাতে নদীর পাড়ে লোকজন কম থাকবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে নদীটা যদি আগের মত জাগ্রত থাকতো তাহলে লোকজনের সমাগম সবসময় থাকতো। যে কোন নদী যখন মৃতপ্রায় হয়ে যায় সেই নদীর সৌন্দর্য কমে আসে। দুপুরবেলাতে নদীর পাড়ে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন পড়ে বেশ ভালো লাগলো ভাই। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
যদিও দুপুরবেলায় নদীর পাড়ে মানুষজন খুব একটা দেখা যায় না, পুরো জায়গাটা একদমই ফাঁকা ছিল আর এই ফাঁকা জায়গার মধ্যে আমরা কয়েকজন অনেক বেশি আনন্দ করেছিলাম সেদিন। সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনারা দুপুরবেলা যাওয়ার কারণে সেখানে তেমন কোন মানুষজন ছিল না। নদীর ধারে আপনারা কয়জন বন্ধু মিলে অনেক সুন্দর একটি সময় অতিবাহিত করেছেন। দুপুর বেলা নদীর পাড়ে কাটানোর এই সময়টা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসলে দুপুর বেলা লোকজন কম থাকে বিধায় নদীর পাড়ে তেমন একটা মানুষজন ছিল না। হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ ছিল আর পুরো জায়গাটা একদমই ফাঁকা ছিল, চারিদিকে একদম নীরবতা বিরাজ করছিল। এই মুহূর্তে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছিলাম ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
আপনি ঠিক বলেছেন ভাইয়া নদীর পাড়ে যেকোন সময় ঘুরতে গেলে অনেক ভালো লাগে। আমার বাড়ির পাশে নদী মাঝে মাঝে যাওয়া হয়। আপনি নদীর পাড়ের বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
নদীর পাড়ে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করে না এরকম মানুষ খুব কমই আছে, কমিউনিটির অনেকেই দেখছি নদীর পাড়ে সময় কাটাতে অনেক বেশি ভালোবাসে। গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমাকে যদি বলা হয় সকাল বিকাল নদীর পাড়ে বসে থাকতে। তাহলে মনে আমার মতো এতো আনন্দ কেউ পাবে না।আমার কাছে এতোটা ভালো লাগে নদীর পাড়ে বসে থাকা।সুখবিলাসের সেই ছোট্ট পার্কে গিয়ে দারুণ সময় কাটিয়েছেন। যা আপনার ফটোগ্রাফি দেখেই বুঝতে পারছি। জায়গা টা ও মাশাআল্লাহ অনেক বেশি সুন্দর।অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাহ আপনি তো দেখছি নদীর পারে সময় কাটাতে অনেক টাই বেশি পছন্দ করেন। সকাল বিকাল নদীর পারে সময় কাটাতে আসলেই অনেক বেশি ভালো লাগে, আর আমাদের বাসার পাশের ওই জায়গাটা আসলেই অনেক বেশি সুন্দর যার কারণে সেখানে বরাবরই সময় কাটাতে ভালোবাসি। মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি মনে করি নদীর পাড়ে ঘুরার জন্য বিশেষ কোনো সময় লাগে না। তা সকালবেলা হোক বা দুপুরে হোক অথবা বিকেল বেলায় হোক। অথবা রাতের পরিবেশ হলে আরও বেশ ভালই লাগে। ঘোরাঘুরির জন্য পারফেক্ট একটি জায়গা হচ্ছে নদীর পাড়ে। তাছাড়াও আপনাদের নদীর পাড় বেশ সুন্দর। অনেক সুন্দর সবুজের দৃশ্য গুলো দেখা যায় ধানের বেশ ভাল লাগে। ভালোই ঘোরাঘুরি করলেন ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে।
আমিও সেটাই মনে করি নদীর পারে সময় কাটানোর জন্য সকাল বিকেল কোন ব্যাপার না যে কোন সময় নদীর পারে সময় কাটানো যায়। আর যদি পাশে ভাই ব্রাদার বন্ধু থাকে তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। ধন্যবাদ আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।