আলু ও ঢেঁড়স দিয়ে ডিমের ঝোল রান্নার রেসিপি [benificiary ১০% @shy-fox]🦊
আজ - ১৬ জৈষ্ঠ্যমাস| ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | সোমবার | গ্রীষ্মকাল |
আসসালামু ওয়ালাইকুম,আমি জীবন মাহমুদ, আমার ইউজার নাম @jibon47। বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।
- মজাদার ডিমের ঝোল রেসিপি
- আজ ১৬ শ জৈষ্ঠ্য, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
- সোমবার
তো চলুন শুরু করা যাক...!
শুভ বিকেল সবাইকে.....!!
ব্যক্তিগতভাবে ডিমের ঝোল আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। শুধুমাত্র ডিমের ঝোল নয় আমার কাছে মাছের থেকে ডিম অনেক বেশি পছন্দের। আগে মাছ খেতাম কিন্তু বেশ কয়েক মাস হল মাছের প্রতি কেমন যেন একটা অনীহা ভাব চলে এসেছে খেতে ইচ্ছে করেনা। যখন মেসে থাকতাম তখন যেদিন মাছ রান্না করা হতো সেদিন আমার দুঃখের শেষ নেই। খেতে ইচ্ছে করতো না কিন্তু কি আর করার খেতে তো হবেই। দুঃখ ভরা ক্লান্ত মন নিয়েই মাঝে মাঝে পেতাম আবার মাঝে মাঝে খেতাম না। তবে যেদিন ডিম রান্না করা হতো সেদিন আমার আনন্দের শেষ নেই। সেই অভ্যাসটা এখনো রয়ে গিয়েছে। তাই আজ ভেবেছিলাম একটু ভিন্ন ধরনের ডিমের ঝোল রান্না করবো তাই আমি আলুর সঙ্গে ঢেঁড়স ব্যবহার করেছি। যদিও এর আগে কখনো ঢেঁড়স ব্যবহার করে ডিমের ঝোল খাওয়া হয়নি। প্রথমবার এই ধরনের রেসিপি আমি রান্না করতে চলছি। যাইহোক বেশি কথা না বাড়িয়ে চলুন রান্না শুরু করি......!!
- মরিচ
- রসুন
- পেঁয়াজ
- ধুনের গুড়া
- কাঁচা হলুদ বাটা
- তেল
- গরম মসলা
- জিরা
সর্বপ্রথমে আলো খুবই চমৎকার ভাবে কেটে নিতে হবে কেটে নেওয়া বলতে আলুর উপরের খোসা গুলো তুলে ফেলতে হবে। এরপরে আলু আলাদাভাবে গরম পানি ব্যবহার করে সিদ্ধ করে নিতে হবে। আলু সেদ্ধ হয়ে গেলে ঢেঁড়স খুবই চমৎকার ভাবে ধুয়ে নিতে হবে তারপরে পরিমাপ মত কেটে নিতে হবে। ঢেঁড়স কাটার প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে ডিম আলাদাভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
এরপরের সিদ্ধ আলু এবং ঢেঁড়স একটি কড়াই এর উপর রেখে দিতে হবে। তবে একটা বিষয় ভালো হবে খেয়াল রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আলু ভালোভাবে সেদ্ধ হয়েছে কিনা সেদিকে বেশি লক্ষ্য রাখতে হবে।
আমরা অনেকেই অনেক রকম ভাবে ডিম খেতে পছন্দ করি ।তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ডিম আগে থেকে ভাজি করে তারপরে রান্না করলে অনেক বেশী সুস্বাদু লাগে। তাই আমি মুখের স্বাদ বাড়ানোর জন্য ডিম আগে থেকে ভাজি করে নিয়েছি। আপনারা চাইলে ডিম ভাজি করে নিতে পারেন আবার ইচ্ছে না হলে,ওভাবেই রান্না করতে পারেন।
এবার কড়াই এর ওপর ঢেঁড়স এবং আলু থাকা অবস্থায় পরিমাণ মত লবণ ছিটিয়ে দিতে হবে। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে লবণের পরিমাণ যেন বেশি না হয়ে যায়।
আমরা অনেকেই হলুদ অনেক রকম ভাবে খেয়ে থাকি তবে আমার কাছে ডিম রান্না করার সময় কাঁচা হলুদ বেটে ডিম রান্না করলে অনেক বেশী সুস্বাধু লাগে। তাই আমি হলুদের গুড়ার পরিবর্তে কাঁচা হলুদ বাটা ব্যবহার করেছি।
কাঁচা হলুদ বাটা যোগ করার পরে এবার পরিমাণ মতো ধুনের গুড়া যোগ করে দিতে হবে। তবে এই ধুনের গুড়া পরিমাণ এর থেকে বেশি হলেও সমস্যা নেই।
এবার সকল উপকরণ আলু এবং ঢেঁড়স এর সাথে যোগ করার পরে একটি চামচ দিয়ে নারানারি করতে হবে। এমন ভাবে নারানারি করতে হবে যেন সকল উপকরণ একত্রে মিশে যায়। সকল উপকরণ একত্রে মিশে যাওয়ার পরে পেঁয়াজ রসুন এবং মরিচ বাটা উপকরণসহ আলু এবং ঢেঁড়স এর সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
সকল উপকরণ মিশিয়ে দেওয়ার পরে এবার সাথে ডিম যোগ করে দিতে হবে, ডিম যোগ করার পরে একটি চামচ দিয়ে অনেকটা সময় ধরে নাড়া নারী করতে হবে যেন ডিম সবজির সাথে একত্রে মিশে যায়।
এবার নারানারী করার সময় তরকারিটা কিছুটা শুকিয়ে যাবে। যখনই শুকিয়ে যাবে তখন একটু পানি যোগ করতে হবে তরকারির সাথে। পানি যোগ করার পরে আবারও কিছুটা সময় নারানারি করতে হবে।
এভাবে কিছুটা সময় নারানারী করলে আবারো তরকারিতে থাকা পানি শুকিয়ে যাবে। যখনই তরকারিতে থাকা পানি শুকিয়ে যাবে তখন বুঝে নিতে হবে যে তরকারি ভালোমতো সেদ্ধ হয়ে গিয়েছে।
এবার পরিমাণ মত পানি ঢেলে দিতে হবে করাইয়ের মধ্যে। তারপরে অনেকটা সময় ধরে তাপ দিতে হবে তাব দেওয়ার ফলে কড়াইয়ের পানিতে বুদবুদ আসবে। কিছুটা সময় বুদবুদ আসার পরে চামচ দিয়ে তরকারী নাড়া নারী করতে হবে, তাহলে আরো ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যাবে। এরপরে তরকারির স্বাদ গ্রহণ করতে হবে তরকারিতে লবণ এবং ঝাল এর পরিমাণ ঠিক থাকলে তরকারি চুলা থেকে নামিয়ে ফেলতে হবে।
এভাবেই আমার আজকের আলু ও ঢেঁড়স দিয়ে ডিম রান্নার রেসিপি শেষ হলো। যদিও এরকম ভাবে কখনো আমি ডিমের ঝোল খায় নি। অনেক রকম ভাবেই আমি ডিমের ঝোল রান্না খেয়েছ, তবে ঢেঁড়স দিয়ে কখনো খাওয়া হয়নি অনেকদিন বাদে এরকম একটি ইউনিক ধরনের রেসিপি খেয়ে অনেক বেশি ভালো লাগলো। আমরা সকলেই খুবই চমৎকার ভাবে রেসিপিটি উপভোগ করেছিলাম চাইলে আপনারাও এরকম রেসিপি বাসায় তৈরি করে খেতে পারেন। খুবই মজাদার এবং লোভনীয়। যাই হোক আজকের মত আমার পোস্ট এখানেই শেষ করছি সকলেই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।
আল্লাহ হাফেজ.....!!!
আমার পোষ্ট দেখার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি আশা করিছি আপনারা সবাই আমার পোষ্ট উপভোগ করবেন এবং আপনারা সবাই আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন
| বিভাগ | মজাদার রেসিপি । |
|---|---|
| ডিভাইজ | Realme 6i |
| বিষয় | আলু ও ঢেঁড়স দিয়ে ডিমের ঝোল রান্নার রেসিপি |
| কারিগর | @jibon47 |
| অবস্থান | সংযুক্তি |
ঢেঁড়সের এমন তরকারি আগে কখনো খাইনি এবং দেখিওনি। এই প্রথম দেখলাম যে এভাবেও ঢেঁড়স রান্না করা যায়। সব সময় মাছের সাথে রান্না করে খাওয়া হয়েছে। তাই স্বাদ বুঝতে পারছিনা। তবে বাসায় ট্রাই করে দেখলে বুঝতে পারব খেতে কেমন হবে। ধন্যবাদ ভাইয়া এবং অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
সত্যিই এটা জেনে অবাক হলাম অনেকের কাছেই এই রেসিপিটি একদম নতুন লেগেছে যেহেতু আপনার কাছেও এই নয় রেসিপিটি একদম নতুন লেগেছে সে তো আমি আপনাকে এটাই বলতে চাই যে খুব দ্রুতই আপনি বাসায় রান্না করার চেষ্টা করুন তাহলেই বুঝতে পারবেন কতটা সুস্বাদু হয়ে থাকে।
সবসময় সাপোর্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
ঠিক বলেছেন ভাই মেসে মাছ রান্না করলে আমিও কোন দিন খেতে পারতাম না। এরা কিভাবে যে রান্না করে মাছের প্রতি অনীহা চলে এসেছিল মাছের মধ্যে কোন স্বাদ পেতাম না। মাঝেমধ্যে রান্না করা মাছ পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে ভর্তা করে খেতাম। যাই হোক আপনার আজকের আলু ও ঢেঁড়স দিয়ে ডিমের ঝোল রেসিপি টা আমার কাছে অত্যন্ত ভালো লেগেছে। এই রেসিপিটা খেতে আমিও খুব পছন্দ করি। ধন্যবাদ আপনাকে রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
মেস লাইফের মাছ রান্না আমার কাছে একদম অসহ্য মনে হতো মাঝে মাঝে খেতে মন চাইত না কিন্তু না খেয়ে তো আর থাকা যায় না তাই মাঝে মাঝে খেতাম সেখান থেকেই মূলত মাছের প্রতি একটা অনীহা চলে এসেছে। ডিম আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
ঢেঁড়স খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে ।
তবে ঢেঁড়স ও আলু দিয়ে ডিমের ঝোল আমি কখনো খাইনি । দেখে মনে হচ্ছে খুব সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য । আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
যেহেতু ঢেঁড়স খেতে আপনার অনেক বেশি ভালো লাগে আর আপনি ঢেঁড়স এবং আলু দিয়ে কখনো ডিমের এ ধরনের রেসিপি খান নি। সেহেতু আপনি খুব দ্রুতই এই রেসিপিটি তৈরি করে ফেলুন আপনিতো অনেক ভালো রেসিপি তৈরি করেন আপু।
রেসিপিটি আমার কাছে নতুন এই লাগলো কারণ এই ঢেরস দিয়ে কখনো ডিম খাওয়া হয়নি একদিন টেস্ট করে দেখতে হবে দেখছি, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।।
রেসিপিটি আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লেগেছিল আপনি যেহেতু এ ধরনের রেসিপি এর আগে কখনো খান নি সেহেতু খুব শীঘ্রই বাসায় তৈরি করে ফেলুন খুবই সুস্বাদু লাগবে আশা করি।
আলু ঢেঁড়স এবং ডিম এভাবে তিনটি মিলিয়ে খাই নি । তবে ডিম আলু দিয়ে রান্না করে খেয়েছি। আপনার রান্না টি দারুন লেগেছে। মূলত ঢেঁড়স আমি খুব একটা খাই না কারন আমার কাছে লোট লোট লাগে। হি হি। ভাল ছিল রেসিপি টি।
যদিও এ ধরনের রেসিপি আমিও এর আগে কখনো খাইনি এই প্রথম খেলাম প্রথম সাদ বুঝে নিয়েছি অনেক বেশি সুস্বাদু এবং লোভনীয় ছিল। মাঝে মাঝে ধরনের ভিন্ন স্বাদের রেসিপি খেতে খুবই ভালো লাগে
অনেক সুন্দর করে রেসিপি তৈরি করেছেন। এভাবে কখনো খাইনি তবে আপনার রেসিপি দেখে অনেক ভালো লাগলো। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো ভালো থাকুন।
আমি বরাবরই চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য সেই নতুন কিছু শেয়ার করার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আজ আমি আপনাদের মাঝে এই রেসিপিটি শেয়ার করেছিলাম সকলের কাছেই রেসিপিটি একদম নতুন লেগেছে জেনে খুবই ভালো লাগলো।
আলু ডিম ও ঢেঁড়স দিয়ে আপনি খুব সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। আমার কাছে আপনার তৈরি করার রেসিপি অনেক ভালো লেগেছে ।এত সুন্দর একটি রেসিপি ধাপে ধাপে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এবং প্রক্রিয়া গুলো বর্ণনা করেছেন ।আশা করছি আপনার সাথে অনেক স্বাদ হয়েছে। এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে চমৎকার ভাবে বর্ণনা করার জন্য যাতে করে আপনারা খুব সহজেই রেসিপি সম্পর্কে জানতে পারেন এবং খুবই দক্ষতার সঙ্গে রেসিপিটি বাসায় তৈরি করে খেতে পারেন আপনার মন্তব্যটি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আলুর রস দিয়ে ডিমের লোভনীয় একটি রেসিপি প্রস্তুত করেছেন এ ধরনের রেসিপি খেতে খুবই সুস্বাদু হয়ে থাকে আমার অনেক ফেভারিট সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন ধাপগুলো শুভকামনা রইল আপনার জন্য
এ ধরনের রেসিপি সকলের কাছে অনেক বেশি ফেভারিট হয়ে থাকে আপনার কাছে এ ধরনের রেসিপি অনেক বেশি ভালো লাগে সেটা জেনে অনেক খুশী হলাম সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ শুভেচ্ছা রইল আপনার প্রতি।
ডিম খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। এভাবে আস্ত ডিম রান্না করলে তো আরো বেশি মজা লাগে। অবশ্য ঢেঁড়স দিয়ে কখনো ডিম রান্না করে খাই নি। এভাবে ডিম রান্না করলে খেতে মনে হয় ভালোই লাগবে। আপনার ডিমের রেসিপি দেখে তো লোভনীয় লাগছে।
ব্যক্তিগতভাবে ডিম আমার অনেক বেশি পছন্দের তবে আস্ত ডিমের থেকে ভাজি ডিম রান্না করলে আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। খুব ছোটবেলা থেকেই আমার ভাজি ডিমের প্রতি অন্যরকম এক ভালবাসা কাজ করে। গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।