কবিগুরুর ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী (৩য় পর্ব)(১০% পে আউট লাজুক খ্যাকের জন্য) 🦊🔥
হেলো বন্ধুরা
সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আমি @ashik333 বাংলাদেশ থেকে বলছি। চলে এলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে আপনাদের মাঝে আমার আজকের ব্লগে থালছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম জয়ন্তীতে ঘুরাঘুরি করার ৩য় পর্ব তাহলে চলুন শুরু করি।
বন্ধুরা গত পর্বে আমি দেখিয়ে ছিলাম কুঠি বাড়ি ঢুকে উত্তরের পাশের সুন্দর দৃশ্য আজ দেখাবো দক্ষিন পাশে কি কি আছে এবং এর সুন্দর দৃশ্য গুলো।উত্তর পাশ থেকে সহজের ছোট রাস্তা দিয়ে আপনি দক্ষিন পাশে চলে যেতে পারবেন।কারণ কুঠি বাড়ির মধ্যে অসংখ্য রাস্তা রয়েছে এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গা বিচরণ করার জন্য।সেই ছোট রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে আপনারা কুঠি বাড়ির পেছনের সুন্দর দৃশ্য দেখতে পারেন।
এরপরে পরে ছোট রাস্তা দিয়ে হেটে যেতে যেতে বিখ্যাত সেই পুকুর দেখতে পাবেন যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদ্মাবোট রাখা ছিল কিন্তু ভেঙে যাওয়ায় সেটা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।পুকুরের চারপাশের সৌন্দর্য্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। চারপাশের গাছ গুলো বেশ ভালো লাগে দেখতে।
পুকুর এর ঘাট থেকে আপনারা দারুন দারুন ছব উঠতে পারবেন, আর ঘাটের পাশেই একদল সংগিত প্রেমিরা সারাদিন বসে আছে আপনাদেএ সংগীত শোনানোর জন্য।আপনারা গিয়ে সেখানে বসলে তারা সুন্দর গান শোনাবে।
এবার আশি দক্ষিনের শেষ মাথায় এবং পূর্ব দিকের শুরুতে সেখানে একটা লাইব্রেরি দেখতে পাবেন সেখানে অনেক ধরনের বই সংগ্রহ করা আছে আপনারা চাইলে বই নিয়ে সেখানে বসে পরতে পারবেন এই সুবিধা দেওয়া আছে।
এখানে থেকে কুঠি বাড়িটা দেখতে অনেক সুন্দর লাগে।এই ছিলো আমার আজকের পোস্ট পরবর্তী পোস্টে আমি আপনাদের কে ভেতরের দৃশ্য দেখাবো সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আবারো দেখা হবে,,,,,,

https://x.com/ashik333444/status/1795743921861202043?t=6O8rSKQZew2a00eKo7Lu8A&s=19
রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী যে মেলা অনুষ্ঠিত হয় শেষ দিনে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিকেল মুহূর্তে যাওয়ায় ভিতরে প্রবেশ করতে পারিনি। বিকেল পাঁচটার দিকে গেট বন্ধ করে দেয় কাটানো মুহূর্তগুলো দারুন ছিল । যেটা খুবই মিস করেছি আমাদের সাথে পর্ব আকারে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
জী ভাই বিকেল ৫ টার পরে মেইন গেট বন্ধ থাকে।ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ পুকুর পাড়ে একদল সঙ্গীতশিল্পী সব সময় বসে গান গায়। এর আগে আমরা যখন গিয়েছিলাম তখন তাদের সাথে গানের আড্ডায় মেতে উঠেছিলাম সময়টা দারুন উপভোগ করেছিলাম। যাইহোক তৃতীয় পর্বটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
রবীন্দ্রনাথের বাড়ির ছবি দেখে আমার এখনই যেতে ইচ্ছে করছে।ইশ যদি সুযোগ হতো তাহলে বেরিয়ে পড়তাম পুরো বাড়িটি ঘুরতাম।দেখি এবার বাড়ি গেলে সম্ভব হয় কিনা।ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি।ধন্যবাদ ভাইয়া ।
ঘুরে যাবেন এসে অনেক সুন্দর একটি জায়গা
অনেক আগে গেসি রবি ঠাকুরের এই বাড়িতে। তবে এখন যে রবি ঠাকুরের ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী সেটা কিন্তু জানা ছিল না। যাইহোক বেশ ভালো লাগলো সেই জায়গার ফটোগুলো দেখতে পেরে। অনেকদিন পর যেন দেখতে পারলাম দেখে আশা সেই দৃশ্যপট
আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।