মিশন বুনো বরই(১০% পে আউট লাজুক খ্যাকের জন্য)🦊🦊🦊
হেলো বন্ধুরা
সবাই কেমন আছেন আশা করছি সবাই অনেক ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি।আমি @ashik333 বাংলাদেশ থেকে চলে এলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে আপনাদের মাঝে আমার আজকের ব্লগে থাকবে মিশন বুনো বড়ই বন্ধুরা পোস্টা পরলে আশা করি আপনারা জানতে পারবেন চলুন শুরু করি আমার আজকের ব্লগ।
শীত কিন্তু পুরো পুরি চলছে বন্ধুরা,চারিদিকে পিঠা পুলির উৎসব গ্রামে থাকার এই হলো এক মজা শীত এলেই শুরু হয়ে যায় পিঠা উৎসব সব মিলিয়ে অনেক অনেক মজা করে থাকি।তো বেশ শুধু পিঠা খেলেই হবে নাকি সাথে তো শীতের আরো কিছু আছে সেটাও খেতে হবে।তাই আমি এবং সাগর আজ চলে গিয়েছিলাম একদম চরে অর্থাৎ নদীর ধার ঘেসে। এমনি এমনি যায় নি আমরা বন্ধুরা। গিয়েছিলাম বড়ই খেতে কি জিভে জ্বল এলো তাইতো।
জীভে জ্বল এলেও এটাই সত্য আমরা চরে গিয়েছিলাম আজ বুনো বরই এর খোজে।বন্ধুরা নদীর ধার ঘেষে অনেক বুনো বরই এর গাছ হয়ে থাকে যেই সব বরই এর কোনো নাম নেই তাই সবাই বুনো বরই নামেই চিনে।তো নদীর এক মাথা থেকে আমরা হাটা শুরু করলাম বরই এর খোজে।কারণ এই অভিজ্ঞতা আমার আগেও আছে। হাটতে হাটতে নদীর পলি মাটিতে অয়া গেলো আটকে কাদাতে জুতার অবস্থা খারাপ।
তবুও আপন মনে এগিয়ে চলেছি বরই পেলে তবেই শান্তি অনেকটা পথ এগোলাম প্রায় ৭ কিলো ভেতরে চলে এলাম ছোট ছোট বরই গাছ কিন্তু গাছে কোনো বরই নেই দেখে খুব হতাশ লাগছিল।এরপরে আমরা আরো এগোতে থাকি একটা দারুন প্লেস পাই সাগর বললো কয়েকটা ছবি উঠা যাক এবার।আমিও বললাম ঠিক আছে।দুজনে ছবি উঠে আবার এগোতে থাকলাম।এরপরে একটা বোনের ঝুপরি চোখে পরলো আমরা ছবি উঠাচ্ছিলাম হঠাৎ ভেতরে দেখি একটা বরই গাছ আর গাছে প্রচুর বরই হয়েছে।
দেখে খুব ভাল লাগছিল কিন্তু দুখের বিষয় ভেতরে যাবার মতো উপায় নেই কারণ চারিদিকে ঘিরা দেওয়া এরপরে এটা দেখে হতাশা নিয়ে শুধু ফিরে এলাম আজ আর খাওয়া হলো না তবে আমরা এই মিশন সাকসেস করেই ছারবো। ধন্যবাদ সবাইকে।
ডিভাইস অপু এ৫এস
কুষ্টিয়া,বাংলাদেশ
আমাদের রেখে খেতে চেয়েছেন বলে এই অবস্থা হয়েছে হা হা হা😃। আপনার বুনো বরই খাওয়ার সুন্দর অভিজ্ঞতার গল্প পড়ে অনেক মজা পেলাম। আহারে বেচারা বুনো বরই এর লোভে পরে এত দূর হেঁটে গিয়েও কোনো লাভ হলো না। এত কষ্টে পর একটা গাছ পেয়েও খেতে পারলেন না এর চেয়ে কষ্ট আর কি হতে পারে।
আপনার পুরো পোস্ট সত্যি খুবই ভালো লাগলো। বরই খাওয়ার অভিজ্ঞতা খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। যদি আপনাদের অনেক কষ্ট হয়েছে তবে আপনাদের ঘটনা শুনে খুব মজা পেলাম। মিশন সফল হওয়ার অপেক্ষায় রইলাম, ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
অবশেষে বুনো বড়াই খেতে পারলেন না। আমি তো ভেবেছিলাম শেষমেষ হয়তো খেতে পারবেন। তবে যাই হোক হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। অন্য কোনদিন অবশ্যই এই মিশন সাকসেসফুল করতে পারবেন। আসলে ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে জায়গাটা কতটা সুন্দর। ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া।
লাইনটা পড়ার সাথে সাথেই অন্যরকম অনুভূতি হল, আসলে টক জিনিসটা যখনই মানুষের ব্রেনে আসে তখনই একটা অনুভূতি কাজ করে।
বুনো বড়ই যে হয় সেটা আমি আজকে আপনার পোষ্টের মাধ্যমে প্রথম জানতে পারলাম। বড়ই খাওয়ার জন্য অনেক দূর গেলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেতে পারলেন না,আসলেই এরকম পরিস্থিতিতে মনটা অনেক বেশি খারাপ হয়ে যায়। যাই হোক পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে এই সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
এতটা পথ হেঁটে গেলেন ছবি তুলেছেন ঠিক কিন্তু বরই খেতে পারলেন না এটা শুনে কিন্তু খারাপ লাগছে। যাইহোক এক কাজে গিয়েছেন সেটা না হলেও ফটোগ্রাফি করে এসেছেন এটা তো হলো। বরই খাওয়ার মিশন সাকসেসফুল হলে তখন আমাদের সাথে শেয়ার করবেন আশা করি।
বরই খেয়ে জিভে জল আসার কথা বলে লাভ নেই, এই শীতের মধ্যে বড়ই খাব না 😜
বিকেলের সময়টা বেশ ভালো কাটিয়েছেন, বন্ধুরা সাথে থাকলে এমনিতেই সময় ভালো কাটে। তাছাড়া প্রকৃতির মাঝে ছবিগুলো অনেক স্বচ্ছ আর সুন্দর লাগছে।