মেট্রোরেল ভ্রমণ // সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া মেট্রোরেল ভ্রমণ (শেষ পর্ব)।
প্রথম পর্বের পর থেকে
বেশ কিছু সময় আর অপেক্ষা করতে হয়নি কিছু সময় যেতে না যেতেই আমরা দেখতে পেলাম আমাদের অপেক্ষার সময় শেষ দূরে মেট্রোরেল দেখা যাচ্ছে। তখন আমরা সবাই আবার একসাথে হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম উঠার জন্য। মেট্রোরেল আসলো কি চমৎকারভাবে অটোমেটিক দরজা গুলো খুলে গেল এরপর যারা এই স্টেশনে নামবে তারা নেমে গেল আর আমরাও আমাদের গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেট্রোরেলে উঠে পড়লাম।
ওয়াও! কি চমৎকার ভিতরের পরিবেশ খোলামেলা তাই দেখে মনটা একেবারে ভরে গেল। যদিও ঐদিন মেট্রোরেলের প্যাসেঞ্জার এর উপস্থিতি খুব একটা বেশি ছিল না তার পরেও আমরা কেউ বসার জন্য কোন সিট পাইনি। সবাই সবার মত একজন একেক জায়গায় দাঁড়িয়ে গেলাম। যেহেতু খুবই অল্প সময় যেতে হবে তাই এই দাঁড়ানো সময়টা খুব একটা খারাপ লাগলো না।
মেট্রোরেল এবার আবারো অটোমেটিক দরজা বন্ধ হয়ে গেল এবং চলতে শুরু করল তারপর আমরা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরের চমৎকার দৃশ্যগুলো অবলোকন করতে লাগলাম। কি চমৎকার দৃশ্য সামনাসামনি না দেখলে আসলে ছবিতে এভাবে বোঝানো সম্ভব না। সত্যি বলতে অনেক চমৎকার দৃশ্যগুলো ছিল এবং মেট্রোরেলটি এত দ্রুত গতিতে চলতেছিল যে ভালোভাবে ছবি তোলা যাচ্ছিল না। তারপরও আমি অনেক চেষ্টা করে এই ছবিটি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
আমার মনে হল যে আমরা দশ মিনিটেও অপেক্ষা করিনি ভিতরে এত দ্রুত ভাবে চলল যে পাঁচ সাত মিনিটের মধ্যে আমরা আমাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছে গেলাম সেটা হচ্ছে মিরপুর দিয়াবাড়ি। যদিও এর মধ্যে মেট্রোরেলটি আরও দুটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং সেখানকার প্যাসেঞ্জার উঠানামা করেছিল তারপরেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা আমাদের গন্তব্যে উত্তরা দিয়েবাড়ি পৌঁছে গেলাম। উত্তরা দিয়াবাড়ি মেট্রো রেলস্টেশন থেকে আমরা বের হওয়ার পথে।
এরপর আমি স্টেশনে থাকো অবস্থায় উপর থেকে দিয়াবাড়ির বাইরের দৃশ্যটা একটা ছবি তুলে নিলাম এবং আপনারা সেই ছবিতে হয়তো দেখতে পাবেন নিচে বিআরটিসির বাস দাঁড়িয়ে আছে। এরপর আমরা সবাই গিয়ে সেখানে সেই বাসে ওঠে চলে আসি উত্তরা হাউজ বিল্ডিং। এরপর সেখান থেকে আমরা সবাই বাসে করে গাজীপুর চলে আসি।
লোকেশন
বন্ধুরা এই ছিল মেট্রো রেলের প্রথম চড়ার অনুভূতি। আসলে এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত না। তারপরও আমার কাছে যে রকম মনে হল আমি আমার মত করে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করলাম। আশা করি আমার মেট্রোরেল নিয়ে অনুভূতিগুলো পড়ে আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। বন্ধুরা আজ এই পর্যন্তই আবার আসবো অন্য কোন একদিন অন্য কোন নতুন অনুভূতি নিয়ে সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আমার জন্য দোয়া করবেন, সকলের জন্য শুভকামনা অবিরাম।
মেট্রোরেল এর পুরো ব্যাপার টাই বেশ জোস। সিস্টেম এবং পরিবেশ টা এককথায় অসাধারণ। আর মেট্রো চলার সময় উপর থেকে যে ভিউ পাওয়া এককথায় অসাধারণ। মেট্রোর সবচাইতে ভালো দিক এর দ্রুত যাওয়ার ব্যাপারটা। অনেক টা পথ খুব দ্রুতই চলে যাওয়া যায়। চমৎকার ছিল আপনার পোস্ট টা আপু।।
সুন্দরও গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপু আপনার মেট্রোরেলটি চড়ার অনুভূতি গুলো পড়ে অনেক ভালো লাগলো। সত্যি আপু মেট্রোরেলটির ভিতরে দেখতে অনেক সুন্দর। যাক জেনে অনেক ভালো লাগলো যে আপনারা অনেক তারাতাড়ি পৌঁছাতে পেরেছেন। ধন্যবাদ আপু অনুভূতি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার অনুভূতিগুলো পড়ে আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমিও খুবই আনন্দিত হলাম। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মেট্রোরেলে চড়ার আমারও খুব ইচ্ছা আছে। দেখা যাক যদি কখনো ঢাকায় যাওয়ার সুযোগ হয় তাহলে ইনশা-আল্লাহ একবার হলেও মেট্রোরেলে চড়বো। আপনি নিশ্চয়ই মেট্রোরেলে চলার মাধ্যমে বেশ নতুন একটা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরেছেন। আর হ্যাঁ আসলে কিছু কিছু অনুভূতি এমন থাকে যেগুলো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে আপনার মেট্রোরেলে চলার অভিজ্ঞতাটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার মূল্যবান মন্তব্য প্রকাশ করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা অবিরাম।
প্যাসেঞ্জার এর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকার পরেও সিট পান নি তবে মেট্রোরেলে উঠতে পেরেছেন এটাই যথেষ্ট। তবে মেট্রোরেল থেকে দিয়া বাড়ির যে ফটোগ্রাফিটা করেছিলেন সেটা বেশ ভালো লাগছে। আপনার ভ্রমণ কাহিনীর গল্পটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
সুন্দরও গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বাংলাদেশের জন্য মেট্রোরেল অনেকটাই স্বপ্নের মতো ছিল। যাইহোক স্বপ্ন এখন বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। মেট্রোরেলে কোথাও গেলে বেশিক্ষণ সময় লাগে না, আর ভেতরের পরিবেশটা খোলামেলা সুন্দর। সবমিলিয়ে আপনাকে অভিনন্দন জানাই মেট্রোরেল ভ্রমনের জন্য। আপনার অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতি পড়ে ভালো লাগলো।
আমার অনুভূতি পড়ে আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমিও খুবই আনন্দিত হলাম। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
আগের পর্ব গুলো পরি নাই এই পর্বটা পড়ার সুযোগ পেলাম।বাংলাদেশে বাস করেও এখনো মেট্রোরেলে উঠতে পারলাম না এক প্রকার আফসোস থেকে গেলো।অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছিলেন ভাল লাগলো পোস্ট টা ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর করে আপনি উপস্থাপন করেছেন।
সুন্দর ও গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া মেট্রোরেল ভ্রমণের প্রথম পর্বটি আমি পড়েছিলাম আপু, বেশ ভালো লেগেছিল সেটি। আর আজ দ্বিতীয় পর্বটি পড়েও বেশ ভালো লাগলো। আসলেই মেট্রোরেল এত দ্রুত চলে যে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেশ কয়েকটা স্টেশন পার করে চলে যাওয়া যায়। সেই জন্যই আপনারা ৭-৮ মিনিটের মধ্যে আপনাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গেলেন।
হ্যাঁ আপু আমরা খুব অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে গিয়েছিলাম। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভকামনা অবিরাম।
মেট্রো রেল লাইন যে দিন উদ্বোধন করেছিল সেই দিন অবশ্যই ঢাকায় উপস্থিত ছিলাম। লোকজনের এত বেশি ভিড় ছিল অনেক বিজি ছিল সবাই সেখানে। আসলে এই মেট্রল রেল লাইন অনেক সুন্দর করে তৈরি করা হয়েছে। আপনি তবে সুন্দর ভ্রমন করলেন মেট্রো রেলে। ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লেগেছে। অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মুহূর্তটি শেয়ার করার জন্য।
Hi, @isratmim,
Thank you for your contribution to the Steem ecosystem.
Your post was picked for curation by @msharif.
Please consider voting for our witness, setting us as a proxy,
or delegate to @ecosynthesizer to earn 100% of the curation rewards!
3000SP | 4000SP | 5000SP | 10000SP | 100000SP
আমার এখনো মেট্রোরেল এ উঠার সৌভাগ্য হয়নি। আসলে সময়ই করে উঠতে পারছিনা। তবে উঠতে হবে৷ আজ আপনার পোস্ট পড়ে মেট্রোরেল এ উঠার আকাঙ্ক্ষা বেড়ে গেলো। বিয়ারটিসি ভাস গুলো হওয়াতে সুবিধা হয়েছে। নাইলে অনেক দূর যাওয়া লাগতো বাসের জন্য।