এক্রেলিক কালার দিয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের থ্রিডি পেইন্টিং।
" আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু "
আমি @tuhin002
বাংলাদেশ থেকে।
০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪। ৯ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ।
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ।
ষড়ঋতুর শরৎকাল। |
|---|
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। যাইহোক সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ... |
|---|
আমি আজকে আপনাদের মাঝে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো এক্রেলিক কালার দিয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের থ্রিডি পেইন্টিং। এই ধরনের পেংন্টিং গুলো করতে খুব বেশি সময় লাগে না, তবে দেখতে কিন্তু ভীষণ সুন্দর। এই পেইন্টিংটি তৈরি করার আমার অনুপ্রেরণা জাগে, সনো টাওয়ারে আমি একটি ডাক্তারের ঘরে এই পেইন্টিং দেখেছিলাম। যেহেতু দেখতে এটা আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগছিল, তাই আমি বাড়িতে তৈরি করার চেষ্টা করি এবং সফল হয়। তাই আবারো পুনরায় এক্রেলিক কালার দিয়ে পেইন্টিং তৈরি করেছি। আজ তৈরি করা পেইন্টিং আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
উপকরণ সমূহ। |
|---|
| ক্রমিক নম্বর | উপাদান |
|---|---|
| ১ | এক্রেলিক কালার। |
| ২ | নষ্ট ঘড়ি। |
| ৩ | বাটি। |
| ৪ | ব্রাশ। |
| ৫ | টিস্যু। |
| ৬ | শামুক। |
তৈরি চলছে। |
|---|
এখানে প্রথমে আমি একটি পুরনো দেয়াল ঘড়ি নিয়েছি। এরপরে ঘড়িটি পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছি। এরপরে সুন্দর করে শুকিয়ে নিয়েছি।
তৈরি চলছে। |
|---|
এই ধাপে আমি এক্রেলিক কালার দিয়ে ভেতরের অংশটুকু সুন্দর করে প্রলেপ দিয়েছি। এরপরে সাদা প্রলেপে একটু শুকিয়ে নিয়েছি।
তৈরি চলছে। |
|---|
এরপরে আমি এখানে একটি পাত্র টিস্যু পেপার নিয়েছি। টিস্যু পেপারগুলো ছোট ছোট করে ছিড়ে নিয়েছি। এবং এর মধ্যে এক্রেলিক কালার মিশিয়ে নিয়েছি।
তৈরি চলছে। |
|---|
এরপরে এক্রেলিক মিশ্রিত টিস্যু পেপার গুলো হাত দিয়ে ঘড়ির উপরে লম্বা করে টেনে দিয়েছি।
তৈরি চলছে। |
|---|
এরপরে আমি একটি এক্রেলিক কালার দিয়ে মাঝখানে রং করে নিয়েছি।
তৈরি চলছে। |
|---|
এই ধাপে ঘড়ির মধ্যে এক্রেলিক কালার দিয়ে রং করা পরিপূর্ণ করেছে।
তৈরি চলছে। |
|---|
এখানে আমি আরেকটি নতুন বাটি নিয়েছি। এর মধ্যে টিস্যু পেপার ছিঁড়ে রেখেছি। ছেঁড়া টিস্যু পেপারের মধ্যে এক্রেলিক কালার দিয়ে সুন্দর করে মিশিয়ে নিয়েছি।
তৈরি চলছে। |
|---|
কালার মিশ্রিতো টিস্যু পেপার গুলো ঘড়ি যে অংশে সাদা টিস্যু রয়েছে তার নিচে দিয়ে দিয়েছি।
তৈরি সম্পর্ন্ন। |
|---|
এরপরে নিচে টিস্যু পেপার এর উপরে কয়েকটি শামুক সুপার গ্লো আটা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছি। আর এভাবেই তৈরি করেছি এক্রেলিক কালার দিয়ে সমুদ্র ঢেউয়ের থ্রিডি পেংন্টিং ।
| সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
| ডিভাইস | poco M2 |
|---|---|
| লোকেশন | মেহেরপুর |
| ফটোগ্রাফি | এক্রেলিক পেইন্টিং |
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খাইরুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/ABashar45/status/1706203592498335784?t=1rlfGjuZX-vvF2NUWDaXrg&s=19
এক্রেলিক কালার ব্যবহার করে তৈরি সমুদ্রের ঢেউয়ের থ্রিডি পেন্টিং টি সত্যি দেখতে খুব সুন্দর লাগছে ভাই। নষ্ট ঘড়ি টাকে এমন সুন্দর ভাবে কাজে লাগালেন দেখে ভালো লাগলো।সনো টাওয়ারে একটি ডাক্তারের ঘরে দেখে এত সুন্দর একটি পেইন্টিং এর আইডিয়া আপনার মাথায় এসেছিল, আর আপনি সেটা করেও ফেললেন দেখছি। দারুণ একটি উপস্থাপনা ছিল এটি।
আসলে আপু ডাক্তারের কাছে যেটা দেখেছিলাম সেটি ঠিক এমনই যেটা আমি তৈরি করেছি। এটি দেখতে ভীষণ ভালো লেগেছিল তাই ভাবলাম নিজেই করে দেখি। তৈরি করে কাচের মধ্যে রেখে দিয়েছি খুব চমৎকার লাগছে দেখতে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।
বে চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে সমুদ্রের ঢেউ এর দৃশ্য শঅঙ্কন করে দেখিয়েছেন ভাইজান। আপনার এই দৃশ্যটা আমার কাছে অনেক অনেক ভালো লেগেছে। আসলে দৃশ্য অঙ্কন করার মধ্যে অন্যরকম আনন্দ রয়েছে, যদি খুব সুন্দর ভাবে অঙ্কন করতে পারা যায় তাহলে খুব ভালো লাগে।
পৃথিবীতে আপনি যা কিছু নিজে পারবেন সেটাই আপনার আনন্দ দিবে। নিজের কিছু থাকা বা নিজের ক্রিয়েটিভিটি দিয়ে কিছু করা এটা হল নিজের যোগ্যতা। যেটা সব সময় নিজের মনকে উৎফুল্ল করে। ধন্যবাদ আপনাকে গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।
এক্রেলিক কালার দিয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের থ্রিডি পেইন্টিংটি দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে।আপনার এই দৃশ্যটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই, এত সুন্দর করে এক্রেলিক কালার দিয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের থ্রিডি পেইন্টিংটি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য্
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
বাহ! আপনি কি চমৎকার একটা আর্ট আমাদের মাঝে উপহার দিয়েছেন। সমুদ্রের ঢেউয়ের থ্রিডি পেইন্টিং সত্যিই খুব অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া। খুব সুন্দরভাবে অংকনটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
চেষ্টা করেছি আপু সুন্দরভাবে তৈরি করে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্য করার জন্য।
অসাধারণ একটি ক্রিয়েটিভিটি শেয়ার করলেন বেশ ভালো লেগেছে। আপনি পুরনো দেয়াল ঘড়িটি পেলে না দিয়ে কাজে লাগালেন। এক্রেলিক কালার দিয়ে বেশ সুন্দর একটি সামুদ্রিক ঢেউয়ের থ্রিডি পেইন্টিং করলেন। আমার তো অনেক ভালো লেগেছে দেখে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া খুব সুন্দর করে ধাপ গুলো শেয়ার করলেন।
আপু আমি চেষ্টা করেছি আপনার বাড়ির সামনে যে সমুদ্র রয়েছে ওই সমুদ্রের ঢেউ তৈরি করার জন্য 😄। আপু আপনার ভালো লেগেছে জেনে বেশ ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
এক্রেলিক কালার দিয়ে সমুদ্রের দেবের থ্রিডি পেইন্টিং অঙ্কন করেছেন দেখে আমি তো চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। আমি তো এই পেইন্টিংটা দেখার সময় একেবারে এটির মাঝে হারিয়ে গিয়েছিলাম। যত দেখছিলাম আমার কাছে ততই খুব ভালো লাগছিল। কালার গুলো আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন যা দেখে বুঝা যাচ্ছে। আপনি সম্পূর্ণ পেইন্টিং নিজের দক্ষতার সাহায্যে করেছেন, এবং এটা করতে আপনার অনেক সময় লেগেছে যা বুঝা যাচ্ছে।
ভাই এই পেইন্টিংটি আমি এক জায়গায় দেখেছিলাম। আমি অবশ্য উল্লেখ করেছি। খুব ভালো লেগেছিল বলে বাসায় এসে মনে হলো ওই পেইন্টিং এর কথা। আমি তৈরি করার জন্য আমি বসে পড়লাম। আপনার ভালো লেগেছে জেনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করে আরো উৎসাহিত করার জন্য।
আপনার ভিতরে আসলে অনেক ক্রিয়েটিভিটি আছে। পেইন্ট দেখেই আপনি সেই পেইন্টারটি পেইন্ট করে ফেলেছেন। ভাইয়া আপনি যে এত সুন্দর পেইন্ট করতে পারেন আগে জানতাম না। এক্রেলিক পেইন্ট এককথায় অসাধারণ হয়েছে ভাই। প্রতিটি ধাপ সহজ ভাষায় বর্ননা দিয়েছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
যদি নিজের চেষ্টা থাকে তাহলে অনেক কঠিন কাজ গুলো খুব সহজে করা সম্ভব। মানুষের মানুষের ইচ্ছাশক্তি দিয়ে অনেক কিছু সম্ভব হয়। যদি অত ভালো পারি না তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি ভালো করার জন্য। ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্য করার জন্য।