||আমার বাংলা ব্লগ প্রতিযোগিতা-৬৯ ফটোগ্রাফি-ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি||
হ্যালো
কেমন আছেন সবাই। আশা করছি খুবই ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও ভালো আছি সুস্থ আছি আপনাদের আশির্বাদে ও সৃষ্টি কর্তার কৃপায়।
আমি @shapladatta বাংলাদেশ থেকে। আমার বাংলা ব্লগের একজন ভেরিফাই নিয়মিত ইউজার। আমি গাইবান্ধা জেলা থেকে আপনাদের সঙ্গে যুক্ত আছি।
আজ আমি আপনাদের সাথে ভাগ করে নেবো আমার বাংলা ব্লগের আয়োজিত শেয়ার করো তোমার ফসলের জমিতে কৃষকের হাসি ফটোগ্রাফি । আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য আমার বাংলা ব্লগের ফাউন্ডার দাদা ও সব মডারেটরকে জানাই ধন্যবাদ।উপযুক্ত সময়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। এখন কৃষক ব্যাস্ত সময় পার করছে নানান রকমের ফসলের জমিতে। মাঠে মাঠে কৃষকেরা সোনার ফসল ফলিয়ে যখন সেই ফসলের সুফল পায় তখন তাদের মূখে ☺ হাসি ফুটে ওঠে।আমি কৃষকের ফসলের জমিতে ফসলের ফটোগ্রাফি করেছি।
প্রথম ফটোগ্রাফি আলু
আলু আলু আমাদের উত্তর অঞ্চলে বাম্পার ফলন হয়ে থাকে।এমনকি আমাদের ও মানে আমার বাবার বাড়িতে আলু চাষ করে এবং প্রচুর আলু হয়।আমাদের এলাকায় প্রতি ঘরে ঘরে আলুতে ভরপুর হয়ে থাকে।আলুট এতো টাই ফলন ভালো হয় যে কৃষকের মুখে হাসি যেন আর কমে না।আপনারা জানলে অবাক হবেন যে গ্রামের ভিখারি ভিক্ষা করতে আসলে আলু ভিক্ষা চেয়ে থাকে।আলু দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের ও রপ্তানি করা হয় তবে আলুর ফল কমে গেলে বা কৃষক আলু চাষ কমিয়ে দিলে তখন ভারত থেকে আলু আমদানি করতে হয়ে থাকে।আমার বাবার বাড়িতে আলু তোলার পর বাজারে বিক্রি করা হয় না সব হিমাগারে রাখা হয়ে থাকে।আলু তোলার সিজন চলছে আর উৎসবমূখর পরিবেশে আলু তুলছে কৃষকেরা।গ্রামের দরিদ্র মহিলারা আলু তুলে টাকা ইনকাম করতে পারছে।পুরুষ কৃষকের চাইতে মহিলা কৃষাণী আলু তোলার জন্য খুবই ভালো।আলু কৃষাণ কৃষাণীর মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছে।
দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি মিষ্টি কুমড়ো
মিষ্টি কুমড়ো খুবই পুষ্টিকর ও সুস্বাদু একটি সবজি।গ্রাম বাংলায় মিষ্টি কুমড়ো চাষ হয়ে থাকে। মিষ্টি কুমড়া চাষ করে কৃষক দেশের জনগণের সবজির ও পুষ্টির চাহিদা মেটায়।মিষ্টি কুমড়া চাষ করে জনগণ যেমন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে ঠিক নিজেদের ও আর্থিক ভাবে লাভবান হয়ে থাকে।এই মিষ্টি কুমড়ার আগাপাতা, ফুল ফল সব খাওয়া যায়।অনেক তরতাজা এই মিষ্টি কুমড়োর গাছে সবেমাত্র ফল ও একদমই ছোট মিষ্টি কুমডো এসেছে। একদমই ছোট বেলা থেকে মিষ্টি কুমড়া গাছের পরিচর্যা করার পর যখন ফুল আসে তখন আরো পরিচর্যা বেড়ে যায় কুমড়ো গাছের এরপর ফুল থেকে ফল আসে এবং সেই ফল বড়ো ও পরিপূর্ণ হয়ে কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটিয়ে তুলতে পারে।
তৃতীয় ফটোগ্রাফি ভুট্টা
ভুট্টা চাষ অনেক লাভজনক। ভুট্টা চাষ লাভজনক জন্য বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে দিন দিন।ভুট্টা খুবই পুষ্টিকর আর সেজন্য ভুট্টা চাষের প্রতি ঝুকছে কৃষক। ভুট্টা বীজ রোপণের মাধ্যমে চাষাবাদ করে থাকে।একটি একটি করে ভুট্টা বিজ রোপন করা হয় এবং তা থেকে চারা জন্মায় এবং সেই চারাগাছ বিশেষ যত্নে বড়ো করে ফলন পেয়ে থাকে কৃষক এবং মুখে হাসি ফুটে ওঠে।আমাদের এলাকায় আগে খুব এককা ভুট্টা চাষ দেখা না গেলেও বর্তমান বেশ লক্ষনীয় ভাবে ভুট্টা চাষ।
চতুর্থ ফটোগ্রাফি সরিষা
সরিষাও আমাদের এলাকায় অনেক চাষ হয়।সরিষা ফুলের সৌন্দর্য আমাদের সকলের মন কারে।সরিষা ফুলের রাজ্যে আমরা কম বেশি সবাই সময় কাটাতে যাই এবং ফটোগ্রাফি করে থাকি।সরিষা চাষ খুবই সহজ এবং খুবই কম খরচের লাভবান একটি শস্য।সরিষা মসলা হিসেবে আমরা খেয়ে থাকি। সরিষা ফুলের মধু ভীষণ পুষ্টিকর।আমার সব থেকে বেশি পছন্দের কাসুন্দি ও সর্ষে ইলিশ। সহজলাভ্য হওয়ার কারণে সরিষা কৃষকের ঘরে ওঠার পর কৃষকের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।
পঞ্চম ফটোগ্রাফি মরিচ
মরিচ চাষ খুব বেশি লক্ষ্য করা যায় না আমাদের এলাকায় হবে অনেকেই নিজের চাহিদা মেটানোর জন্যে অল্প পরিমাণ মরিচ চাষ করে থাকে।কেউ কেউ বাড়ির উঠানে ও মরিচ চাষ করে থাকে।
ষষ্ঠ ফটোগ্রাফি রসুন
রসুন আমাদের গাইবান্ধা জেলায় ফলন খুবই সুখকর নয়।বানিজ্যিক ভাবে তাই রসুন চাষ হয় না বল্লেই চলে।মরিচের মতোই রসুন পরিবারের চাহিদা মেটানোর জন্য করা হয় এবং তা থেকে বাজারে কিছু বিক্রি করা হয়ে থাকে।রসুন যদি না কিনতে হয় তাহলেই কিন্তুু কৃষকের মুখে হাসি ফোটে।
সপ্তম ফটোগ্রাফি ধান চাষ
বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ।কৃষি কাজই একমাত্র অবলম্বন বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষের। কৃষি প্রধান দেশে কৃষিকাজে ব্যাস্ত থাকে ইরি ও আমোন মৌসুমে।ইরি চাষ করা হয় এখন তাইতো কৃষক কখনো বীজতলায় ব্যাস্ত কখনো ধানের চারা রোপণ করতে ও চারা গাছ তুলে জমিতে লাগাতে ব্যাস্ত।কঠোর পরিশ্রেমের ফলে সোনালী ধানে ভরে যাবে মাঠে মাঠে এবং সেই সোনালি ধান কৃষকের ঘরে তুলতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসবে কৃষক।
এই ছিলো আমার আজকের আমার বাংলা ব্লগের প্রতিযোগিতা মূলক পোস্ট শেয়ার করো ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।আমার চারপাশের গ্রাম বাংলার বর্তমান ফসলের জমির ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছি।আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে আমার ফসলের জমির তোলা ফটোগ্রাফি গুলো।আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আবারও দেখা হবে অন্যকোন পোস্টের মাধ্যমে।ভুল ত্রুটি ক্ষমা মার্জনীয়।
সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন।
টাটা
| পোস্ট | বিবরণ |
|---|---|
| পোস্ট তৈরি | @shapladatta |
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
| ডিভাইস | OppoA95 |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমি হৈমন্তী দত্ত। আমার স্টিমিট আইডিরঃshapladatta. জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শখঃবাগান করাও নিরবে গান শোনা,শপিং করা। ভালো লাগে নীল দিগন্তে কিংবা জোস্না স্নাত খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে।কেউ কটূক্তি করলে হাসি মুখে উড়িয়ে দেই গায়ে মাখি না।পিছু লোকে কিছু বলে এই কথাটি বিশ্বাস করি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।বিপদকে ও অসুস্থতার সাথে মোকাবেলা করার সাহস রাখি সহজে ভেঙ্গে পরি না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি আর মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পর হিংসা আপন ক্ষয়। ধন্যবাদ ।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আপনার তোলা ছবিগুলো কৃষকদের সাধনা এবং সুখের এক দারুণ প্রতিচ্ছবি, যা আমাদেরকে তাদের নিরব সংগ্রামের গল্প শোনায়। তাদের হাসিমুখগুলো যেন ছবির মধ্যে জীবন্ত হয়ে ওঠে। এমন একটি অসাধারণ কাজ শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করেছেন জন্য।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য তোমায় অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশ যে কৃষিপ্রধান দেশ তা এই সমস্ত ফটোগ্রাফি দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে। ভিন্ন ধরণের ফসল চাষের ছবি দিয়েছ৷ সাথে কৃষক ও কৃষাণী। মেয়েরা আসলেই কোন অংশে পিছিয়ে নেই। তারাও পারে৷ খুব ভালো লাগল তোমার ছবিগুলো।
অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে সুন্দর মন্তব্য করেছেন জন্য।
প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে আপনি খুব খুবই সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে আমাদের মাঝে কিছু কৃষকের হাসির ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য। কৃষকের হাসি হচ্ছে অমূল্য সম্পদ আমি এটাই মনে করি ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করেছেন জন্য।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য তোমাকে অভিনন্দন জানাই।শীতকালে গ্রামে ফসলের মাঠে অনেক ধরনের ফলস ফলানোর দৃশ্য গুলো দেখতে পাওয়া যায়।ছোটবেলায় এগু দেখে দেখে বড় হয়েছি আর অথচ এখন এগুলো চোখেই পড়ে না।অনেক দিন পর গ্রামীণ পরিবেশের দৃশ্য গুলো দেখে চোখ জুড়িয়ে গেলো।অসম্ভব রকমের সুন্দর পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই তোমাকে।শুভকামনা রইলো।
আমাদের দিকে আলুর চাষ হয় না। এর আগে আলুর ক্ষেত দেখিনি। বেশ দারুণ লাগল প্রথমবর দেখে। অন্য ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ করেছেন আপু। বেশ চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।