আর এভাবে তৈরি হয়ে গেল শিমের ছানা। যা পরিবারের মাঝে সুন্দরভাবে পরিবেশন করার জন্য ধনিয়া পাতা সহ ঝাল মসলা দিয়ে সুন্দরভাবে ডেকোরেশন করলাম।


| দ্বিতীয়: ফুলকপি ছানার রেসিপি |
| ক্রমিক নম্বর | উপাদান | পরিমান |
| ১. | কাঁচা পাকা ঝাল | ৯ পিচ |
| ২. | লবণ | পরিমাণ মতো |
| ৩. | পেঁয়াজ | এক পিচ |
| ৪. | রসুন | ১ পিচ |
| ৫. | পানি | পরিমান মত |
| ৬. | তেল | পরিমাণ মতো |
| ৭. | ফুলকপি | একটার অর্ধেক পরিমাণ |
| ৮. | ধনিয়া পাতা | পরিমাণ মতো |
| ৯. | অন্যান্য উপাদান | পরিমাণ মতো |
ধাপ 1️⃣
খুব সুন্দরভাবে ফুলকপি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সঠিক মাত্রায় টুকরা করে একটি প্লেটের মধ্যে নিয়ে চুলার পরে উপস্থিত হলাম।

ধাপ 2️⃣
এবার চুলার উপর কড়াই বসালাম। হালকা তেল দিলাম কড়াই এর মধ্যে, এরপর কড়াইয়ের মধ্যে ফুলকপি ফালি গুলো দিয়ে দিলাম। এদিকে চুলা অন করে জ্বাল দেয়া শুরু করলাম।

ধাপ 3️⃣
এরপর হাফ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে দিলাম কড়াইয়ের মধ্যে যেন ভালোভাবে সিদ্ধ হয় ফুলকপি গুলো।

ধাপ 4️⃣
ফুলকপি ভালো ভাবে সিদ্ধ হওয়ার জন্য কড়াইটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিলাম। এরপর চুলা জ্বলতে থাকলো আমি কিছুটা সময় অপেক্ষা করলাম।

ধাপ 5️⃣
ঢাকনা তুলে ফেলার পর দেখলাম ফুল কপির মধ্যে পানি শুকিয়ে গেছে।

ধাপ 6️⃣
এবার ফুলকপি গুলো একটি ঝড়ের মধ্যে তুলে নিলাম। কিছুটা সময়ের জন্য ঠান্ডা করতে দিলাম।

ধাপ 7️⃣
কাজের মধ্যে একটি প্লেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় মসলা জাতীয় উপাদান গুলো রেডি করে নিলাম। যেখানে পেঁয়াজ রসুন ঝাল সহ আরো অনেক কিছু।

ধাপ 8️⃣
এবার কড়াইতে হালকা তেল দিয়ে তার মধ্যে ঝাল পিঁয়াজ রসুন সিদ্ধ করতে দিলাম।

ধাপ 9️⃣
এবার কড়াইয়ের মধ্যে সিদ্ধ হওয়া ঝাল পেঁয়াজ রসুন ধনিয়াপাতা মশলা গুলো একটি প্লেটের মধ্যে তুলে নিলাম এবং ফুলকপি সিদ্ধ একসাথে নিলাম। নিয়ে ছানার কাজ শুরু করে দিলাম। এক হাত দিয়ে ভালোভাবে সমস্ত উপাদান গুলো ডলে ডলে মিক্সচার করতে থাকলাম।

শেষ ধাপ
সমস্ত উপাদান একসাথে মিশ্রণ করার মধ্য দিয়ে আমার ফুলকপির ছানা তৈরি হয়ে গেল। এরপর খুব সুন্দর ভাবে ডেকোরেশন করলাম লেবু শসার মাধ্যমে। আর এরই মধ্য দিয়ে প্রস্তুত হয়ে গেল আমার ফুলকপির ভর্তা রেসিপি।

অবশেষে দুইটা রেসিপি পরিবারের সদস্যদের মাঝে খুব সুন্দর ভাবে পরিবেশন করলাম। আর একসাথে দুইটা রেসিপি পেয়ে সবাই খুবই খুশি হল। আন্তরিকতার সাথে খাবারের সাথে খেলো এবং আমাকে প্রশংসা করল। আর এভাবেই আমার সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হল।
| ক্রমিক নম্বর | কার্যক্রম | সহায়ক |
| ১. | উপাদান সংরক্ষণকারী | sumon09 |
| ২. | প্রস্তুতকারী | simransumon |
| ৩. | সার্বিক তত্ত্বাবধান | শাশুড়ি আম্মা |
| ৪. | ফটোগ্রাফার | ছোট শালিকা (চাঁদনী) |
| ৫. | ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল ফোন |
| ৬. | মোবাইল | itel vision 1plus |
| ৭. | পরিবেশনায় | সিমরান |
| ৮. | খাদক সম্প্রদায় | অল ফ্যামিলি |
| ৯. | ব্লগার | সুমন |
| ১০. | ব্লগিং মোবাইল | Infinix hot 11s |


| আশা করি,আমার এই রেসিপি দুইটা চেয়ে বিশেষ তথ্য আপনাদের অনেক অনেক ভালো লেগেছে। পোস্টটি উপস্থাপনা কেমন ছিল এবং এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন আমাকে জানাতে ভুলবেন না। ফানি এক্সপ্রেসে হালকা ত্রুটি থাকলে, খামার দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইলো। |
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

| পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোষ্টে,ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। যেকোনো ধরনের ভর্তায় গরম গরম ভাতের সাথে খেতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। সিম ভর্তা কয়েকবার খেয়েছিলাম আমার কাছে বেশ ভালই লেগেছে। তবে ফুলকপির ভর্তা এর আগে কখনো তৈরি করে খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপি গুলো দেখে লোভনীয় লাগছে। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে। মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
হ্যাঁ অনেক সুস্বাদু ছিল দুইটা রেসিপি
প্রথমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের জন্য শুভ কামনা রইলো।আপনি চমৎকার দুটি শীতকালীন সবজি ভর্তা রেসিপি শেয়ার করেছেন।ভীষণ লোভনীয় লাগছে ভর্তা দুটোই।শিম ভর্তা খেতে ভীষণ ভালো লাগে আমার।ফুলকপি ভর্তা কখনো খাইনি তবে আপনার রেসিপি দেখে খেতে মন চাচ্ছে। বানিয়ে খেয়ে দেখবো কোন একদিন। ধন্যবাদ সুন্দর রেসিপি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ফুলকপি ভর্তা খেতে এমনিতে ভালো লাগে
সবজি ভর্তা আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি। আর এত সুন্দর করে ভর্তাগুলো করেছেন দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে ভাইয়া। দারুন সব রেসিপিগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনাকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু
সিম ফুলকপি দিয়ে বেশ সুন্দর ভর্তা তৈরি করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলেন। আপনাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা। সিম ফুলকপি দিয়ে ভর্তা তৈরি করলে শীতকালের সময় এমনিতেও খেতে বেশ মজা হয়। আর শীতকালীন এর ভর্তাগুলো অনেক ভালো লাগে গরম ভাতের সাথে। আপনার তৈরি করা ভর্তাটিও গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক মজা হবে। মজাদার একটি ভর্তা ধাপে ধাপেও সুন্দরভাবে শেয়ার করলেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
ভাই এই জাতীয় ভর্তাগুলো আমার খুবই প্রিয়
ভাইয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি প্রতিযোগিতার জন্য নিজের গাছ থেকে তোলা সবজি দিয়ে খুবই মজাদার ভর্তা রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার ভর্তা রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার ভর্তা রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপু।
আপনার শীতকালীন সবজির ভর্তা রেসিপি তৈরি করেছেন দেখে ভালো লাগলো ভাই। আসলে ভর্তা খেতে খুবই ভালো লাগে। শিম ছানার রেসিপি খুবই দুর্দান্ত হয়েছে। সবজির ভর্তা রেসিপি খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
যাই হোক ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম
দারুন লেগেছে ভাইয়া আপনার ভর্তা গুলো। এভাবে ভর্তা মাখলে খেতে খুবই ভালো লাগে। আমার কাছে ভর্তা মাখার সময় যদি একটু মাঝে মাঝে আস্ত থেকে যায়। তাহলে যখন খাওয়ার সময় কামার পড়ে তাহলে খুব ভালোই হয়। দুর্দান্ত ভর্তা তৈরি করলেন আপনি দুইটা ভর্তা রেসিপি দারুণ ছিল। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে আপনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলেন।
হ্যাঁ আপু চেষ্টা করলাম অংশগ্রহণ করতে
অগ্রিম শুভেচ্ছা রইলো ভাই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করার জন্য। খুব সুন্দর দুইটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। রেসিপি দুইটা দেখতে বেশ ভালো লাগছে। দোয়া করি এই কাজে আপনি সফল হন।
সফলতার আশা করি না কনটেস্টে অংশগ্রহণ করাটাই বড়
হ্যা সেটা ঠিক আছে কিন্তু এর ভেতর অন্য কিছুও থাকে ভাই৷ অংশগ্রহণ টা তো কোন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশাই করে।
ফুলকপি আর শিম ভর্তা দুইটাই কিন্তু আমার কাছে বেশ মজা লাগে গরম ভাতের সাথে যদি খাওয়া যায় তাহলে মুখে যেন সেই স্বাদ লেগে থাকে। সুন্দরভাবে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভাইয়া।
হ্যাঁ ভাই খেতে বেশ ভালো লাগে।