হেল্লো বন্ধুরা
আসসালামু আলাইকুম
আমি বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে @rubayat02
কেমন আছেন আপনারা, আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন, আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি, শেয়ার করো তোমার জীবনের মজার কোন - গ্রীস্মকালীন ফলের গল্প প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে যাচ্ছি, প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই হফিজুল্লাহ ভাইয়াকে কারণ তেনার জন্যই আজ আমি আমার শৈশব কাল থেকে ঘুরে আসতে পারলাম, তাহলে চলুন বন্ধুরা কথা না বাড়িতে মূল গল্পে চলে যাওয়া যাক।
| গ্রীস্মকালীন ফলের গল্প শুরু করার আগে শৈশব কালে কিছু আলোচনা |

Copyright Free Iamge Source

শৈশব কাল মানেই এখন কার খুশির মুহূর্ত, শৈশবের কথা গুলো মনে পরলে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি না, অনেক হাসি পায় এবং ছুটে যেতে ইচ্ছে করে সেই শৈশব কালে, কিন্তু তা কখনো সম্ভব হবে না, যদি পৃথিবীতে এমন কোনো জিনিস থাকতো যার মাধ্যমে শৈশব কালে ফিরিয়ে যাওয়া যাইতো তাহলে আমার সব টুকুর বিনিময়ে আমি সেই ছোট বেলার হাস্যজ্জ্বল দিনগুলোতে ফিরিয়ে যেতাম। ছোট বেলাটা আমার অনেক আদরের ছিলো, কারণ আমি ছিলাম বংশের ছোট ছেলে, কোনো চাহিদায় অপূর্ণ থাকেনি, স্বপ্নের জগতের মত ছিলো ইচ্ছে করলেই যেনো ইচ্ছে পুরোন হতো, আজ সেই সব স্মৃতি গুলো মনে পরে চোখের পাশ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরলো খুব মিছ করতেছি সেই শৈশব কাল।
শৈশব কালের এমন কিছু স্মৃতি রয়েছে যেগুলো চাইলেও কখনো ভুলা সম্ভব না, তার ভিতর আমার কাছে সব থেকে আকর্ষণীয় স্মৃতি গুলো হলো বন্ধুদের সাথে চুরি করা, খেলাধুলা, আড্ডা দেওয়া এসব আমরা এখনো করতে পারি কিন্তু এখন আর ফলমূল চুরি করে খাওয়া সম্ভব না, এখন হয় তো বলতে পারেন চুরি করাটাই কেনো, তার জন্য আমি বলবো তখন কার চুরি গুলোতে কোনো বড় ধরনের চাহিদা ছিলো না, ছিলো শুধু ক্ষনিকের ইচ্ছে পুরোন আর হাস্যজ্জ্বল চেহারা, শহরের ভাইয়াদের কথা বলতে পারবো না তবে গ্রামে থাকা ভাইয়াদের শৈশব কালে ফলমূল চুরি করে খাওয়ার কোনো স্মৃতি নেই এটা আমি কখনো বিশ্বাস করতে পারবো না, কারণ আমাদের শৈশব কালে কোন এন্ড্রয়েড ফোন বা স্মার্টফোন ছিলো না যার কারণে স্কুল থেকে আসার পর সারাদিন বন্ধুদের সাথেই সময় কাটাতে হতো, আর ছোট বেলায় তো এসব ছাড়া আর কোন চিন্তা ধারা মাথায় ছিলো না, এসব আমার নিজের অনুভূতিতে বললাম। হয়তো আমার কথার সাথে কারো কথার মিল নাও থাকতে পারে, যাই হোক অনেক কিছু বলে ফেল্লাম, এখন চলুন আমরা মেইন গল্পে চলে যাই।

| ২০১৪ সালে তাল চুরির একটি ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি, আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। |

এই সেই তাল গাছ, যে গাছের তাল চুরি করছিলাম, এখনো তাল গাছ গুলো আগের মতোই রয়েছে, দীর্ঘ ৮ বছর পর তাল গাছটির সাথে সাক্ষাৎ হলো।
ক্যামেরা মডেল - vivo Y11
ছবির লোকেশন
আমাদের গ্রামের পাশের গ্রামে হিন্দু ধর্মের লোক বসবাস করতো, তাদের সাথে আমাদের ভালোই সম্পর্ক ছিলো, আমরা প্রায় নদী পার হয়ে ঐদিকে ঘুরে আসতাম, একদিন হঠাৎ করে একটি লোক আমাদের বকা দিলো, বললো যে রাস্তা দিয়ে চলা ফিরা করবেন, তাল গাছের নিচ দিয়ে যাবেন না, অনেক রাগী চেহারার কথাটি বললেন, আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই মানুষটি সেখান থেকে চলে যায় আমরাও বন্ধুরা মিলে বাড়িতে চলে আসি, বাড়িতে এসে শুনতে পেলাম আমাদের গ্রামের কয়েকজন ছেলে নাকি তাদের তাল চুরি করে নিয়ে আচ্ছে, তাদের রাগ আমাদের উপর ঝারলো, আমাদের তো সবারই অনেক রাগ হলো যে চুরি করলো একজন আর বকা খেলাম আমরা, তাই আমার এক চাচাতো ভাই সুমন, সে নারিকেল গাছ এবং সুপারি গাছ খুব দ্রুত উঠতে পারতো, সেদিকে লক্ষ্য করে আমরা ভাবলাম এই গালির বদলা আমরা তুলবোই, কিন্তু অনেক ভয় করছিলো কারণ আমরা তো আর প্রফেশনাল চোর না, আর তালের গাছ গুলোও ফাঁকা যায়গায় ছিলো আবার যাতে নদী পার হয়ে যেতে হয় সে কারণে রাতে চুরি করাও সম্ভব না, অনেক চিন্তা ধারা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম বৃষ্টির দিয়ে আমরা তাল চুরি করতে যাবো, এখন শুধু বৃষ্টির দিনের অপেক্ষা।


তাল গাছটির পাশে অবস্থিত আরো কয়েকটি তাল গাছ, সব তাল গাছ গুলো আগের মতোই রয়েছে, শুধু মাত্র আমরাই পরিবর্তন হয়েছি।
ক্যামেরা মডেল - vivo Y11
ছবির লোকেশন
কয়েক দিন পর আকাশ অনেক অন্ধকার হয়ে আসলো আমাদের আর বুঝার বাকি রইলো না যে বৃষ্টি আসতে আর খুব বেশি সময় বাকি আছে, তখন আমরা চার বন্ধু, আমি, সুমন, রিয়াজ, মাহমুদুল এক সাথে হয়ে নদীতে গোসল করতে গেলাম, আমরা কিন্তু তাল চুরি করার জন্য পুরো তৈরি হয়ে এসেছি, একটু পরেই শুরু হলো তুমূল বৃষ্টি আমরা তখন নদী থেকে উঠে তাল গাছের নিচে যাই, আমার চাচাতো ভাই সুমন একটি ছোট চাকু নিয়ে গাছে উঠলো, গাছে উঠলো তো ঠিকেই কিন্তু ছোট চাকু দিয়ে তালের বাদার কাটতে অনেক সময় লাগছিলো, এদিকে বৃষ্টিও থেমে গেছে, আমরা তো ধান ক্ষেতে বসে ছিলাম, আর সুমন উপরে বাদার কাটছিলো যেই না তালের বাদার মাটিতে পড়লো উমনি জোরে একটি শব্দ হলো, এবং বাড়ি থেকে একটি মহিলা বের হয়ে আসলো, এদিকে সুমন খুব দ্রুত গাছ থেকে নামলো উমনি মহিলাটি চিৎকার করলো, আমরা তখন তাল গুলো নিয়ে নদীর দিকে দৌড় দিলাম।

এই সেই নদী, কোন রকম নদী পার হলেই যেনো বডার পার হলাম।
ক্যামেরা মডেল - vivo Y11
ছবির লোকেশন
এখানে আরও একটি হাস্যকর ট্রিকস রয়েছে, আমাদের এতো টুকু জানা ছিলো যে আমরা যদি কোনো রকম তাল গুলো নিয়ে নদী পার হতে পারি তাহলে আর কোন চিন্তা নেই, সেই কথা মাথায় রেখে সেই দৌড় দিলাম, অবশেষে আমরা ধরা পরা ছাড়াই নদী পার হয়ে আসি, নদী পার হয়ে দেখি নদীর ঐদিকে কোয়েকটি লোক আমাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, নদী অনেক দূরত্ব থাকায় আমাদের চিনতে পারেনি, অবশেষে জীবনের প্রথম চুরি তে আমরা সফল হলাম, এরপর আরো কয়েকজন বন্ধু মিলে তালের রস গুলো মজা করে খেয়ে বাড়িতে চলে আসি।

| আপনাদে সাথে আরো একটি হাস্যকর চুরি গল্প শেয়ার করতেছি। |

এটি হলো আমাদের কাঁঠাল বাগান, বর্তমানে দুটি গাছ বাত দিয়ে, পুরো বাগানটি নদীতে চলে গিয়েছে, এবং এটি সেই গাছটি যে গাছের কাঁঠাল চুরি করছিলাম ।
ক্যামেরা মডেল - vivo Y11
ছবির লোকেশন
পড়াশোনার দিক দিয়ে হিসাব করে দেখলাম তখন সাল ছিলো ২০১২ আমি জানতাম আমাদের একটি কাঁঠাল বাগান রয়েছে, মাঝে মাঝে আব্বুর সাথে গিয়ে কাঁঠাল নিয়ে আসতাম, কাঁঠাল বাগানটি আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে, তাই আব্বু একটি মানুষ কে দেখা শুনা করার জন্য বলে ছিলেন, কিন্তু আমি তখন এতোটা বুঝতাম না যে নিজের গাছের জিনিস যখন তখন খাওয়া যাবে, না বুঝার জন্যই আমার সাথে এমন একটি হাস্যকর ঘটনা ঘটে

আমাদের কাঁঠাল বাগানে কাঁঠাল, ভাবতেছি কাঁঠালটি পাকলে, চুরি করে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির বন্ধুদের সাথে তুমূল পার্টি দিবো।
ক্যামেরা মডেল - vivo Y11
ছবির লোকেশন
আমি এবং আমার চাচাতো ভাই সুমন মিলে হাটতে হাটতে আমাদের কাঁঠাল বাগানে যাই সেখানে গিয়ে দেখি বাগানে কেউ নাই কিন্তু পাকা কাঁঠালের গন্ধ নাকে আসতেছিলো, তখন আমার চাচাতো ভাই বললো চল আজকে পাকা কাঁঠালটি চুরি করে খাবো, কিন্তু তখন আমার এতটুকু জ্ঞান ছিলো না যে আমাদের বাগানে কেনো চুরি করবো, যাই হোক আমিও বললাম ঠিক আছে গাছে চোরে দেক কোন কাঁঠালটি পেকেছে, দুইটি গাছ খুঁজার পরে কাঁঠালটি পাইলাম, সে কাঁঠালটি পারাইতে গিয়ে কাঁঠালটি ভেঙ্গে যায়, তখন পাসে একটি ভুট্টা ক্ষেত ছিলো আমরা সেখানে গিয়ে কাঁঠাল খাইতে লাগলাম, একটা দুইটা ওমা খাইতৈই সেই মানুষটি আসার শব্দ পাইতেছি, যেমনি মানুষটি কাঁঠাল বাগানে আসলো আমরা তখন কাঁঠাল রেখে দুই জনে সেই দৌড় দিলাম, পিছন থেকে মানুষটি আমাদের অনেক ডাল দিলো কিন্তু আমরা নিজেকে চোর ভেলে পালিয়ে আসলাম, আসলে মানুষটি আমাদের চিন্তে পেরে ডাক দিয়ে ছিলো কিন্তু আমরা বুঝতে পারিনি।

এখন এই কথা গুলো মনে পরলে খুব হাসি পায়, ভাবি তখন কতটা বোকা ছিলাম, আর সব থেকে যারা আমার বেশি ক্লোজ ফ্রেন্ড তাদের সাথে এসব কথা গুলো শেয়ার করি আর মন খুলে হাসতে থাকি, আর সর্বশেষে একটা কথাই বলি, আবার যদি আমাদের শৈশব কাল গুলো ফিরে আসতো কথই না মজা হতো, কিন্তু আপসোস কখনোই আর শৈশব কাল ফিরে আসবে না।


একটা কথা না বললেই নয়, চুরির খাতা থেকে নাম কেটে দেওয়ার জন্য আমি এটাই বলবো যে..😎 আমরা কি চুরি করেছি নাকি, আমরা তো শুধু অন্যের জিনিস না বলে নিয়েছি...🤭🤭🤭


আবারও আমি ধন্যবাদ জানাই
@hafizullah ভাইয়াকে জিনি এতো সুন্দর একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন, তেনার জন্যই আমি সেই স্মৃতিময় যায়গা গুলোতে দীর্ঘ ৮ বছর পর গিয়েছিলাম, গ্রীষ্মকালীন ফলের পল্প প্রতিযোগিতা না হলে হয় তো সেখানে কখনো যাওয়া হতো না, যাই হোক আমার বাস্তব গল্পটি আপনাদের কেমন গেলেছে জানাতে ভুলবেন না, সবার প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জানিয়ে আজকে এখানেই শেষ করলাম, সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকতে এবং অপরকে সুস্থ রাখবেন এই কামনায় করি।

💞-খোদা হাফেজ-💞


আমি রুবাইয়াত হাসান হৃদয়, আমি বাংলাদেশে বসবাস করি, আমি একজন ছাত্র এর পাশাপাশি আমি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির নিয়মিত একজন সদস্য, আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ করতে পেরে আমি অনেক গর্বিত, কারণ আমি এখনে আমার জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারি, আমি ট্রাভেল, ফটোগ্রাফি, অঙ্কণ, রেসিপি এবং DIY পোস্ট করতে অনেক ভালোবাসি, এবং এটা মন দিয়ে মানি মানুষ মানুষের জন্য।





Best Regards:-
@rubayat02
হুম মজার ঘটনা ছিলো, তবে তালগাছগুলো আমার কাছে বেশী ভালো লেগেছে। অবশ্য এই রকম ছোট খাটো ঘটনা আমাদের সাথে প্রায় ঘটতো। যাইহোক কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে, আশা করছি এগুলো সংশোধন করে নিবেন। ধন্যবাদ
ওকে ভাইয়া বানান গুলো আমি ঠিক করে নিবো, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার তাল চুরির ঘটনা টা আমার কাছে খুবই ভালো লাগলো। তবে আমি অনেক ফল চুরির ঘটনা শুনেছি। তাল চুরির ঘটনা খুবই কম শুনেছি তবে আপনার এরকম একটি ইউনিক চুরির ঘটনা শুনে আসলেই খুবই ভালো লাগলো। আর আপনার যে এই কাঁঠাল চুরি করে খাওয়ার ঘটনা ও অনেক ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এই মুহূর্ত ঘটনাগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, সময় নিয়ে আমার পোস্টি পরার জন্য।
তাল চুরি!!বাহ বাহ😌।আমি কখনো আম এর বাহিরে যাইনি😑।
সুন্দর মুহুর্তগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।শুভ কামনা রইলো 😊
ভাই আপনার গল্পগুলো এতটাই ভাল লেগেছে যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে আম জাম কাঁঠাল লিচু যাই বলেন না কেন ছোটবেলায় ছুরির সীমা থাকে না। তবে মারেরও কোন শীমা থাকেনা। তবে আপনার তাল চুরি করে খাওয়ার ঘটনাটি বেশ মজাই লেগেছিল, অসাধারণ ছিল। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল ভালোবাসা অবিরাম।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন, অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো ভাইয়া।
আপনি অনেক চমৎকার করে নিজের গাছের তাল ও কাঠাল চুরির গল্পটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তাল ও কাঠাল চুরির গল্পটি পড়ে আমার খুব ভালো লাগলো। আসলে এ প্রতিযোগিতাটা আয়োজন করার ফলে আমরা অনেকের কাছেই মজার মজার অনেক গল্প ও অভিজ্ঞতার কথা জানতে পারছি। গল্পগুলো পড়ে নিজের মধ্যে একটা অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছে। আপনার তাল ও কাঠাল চুরির গল্পটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, গঠন মূলক একটি মন্তব্য করেছেন।
বেশ ভালো লিখেছেন কিছু কিছু শব্দ টাইপিং মিস্টেক হয়েছে,আমি যদি ভুল না করি।চিতকার, ডাল এগুলো একটু ঠিক করে নিবেন।ভালো ছিলো চুরির গল্পটি। ধন্যবাদ আপনাকে।
বাহ দারুণ দারুণ। আপনি আপনার ছোটকালের গ্রীষ্মকালীন ফল চুরির দুইটা গল্প শেয়ার করেছেন। দুইটাই ভালো ছিল। তবে আমার কাছে তাল চুরির ঘটনাটা বেশি ভালো লেগেছে। সত্যি বলেছেন ভাই অকারণে কারো গালি শুনলে খুবই রাগ হয়। আপনার জায়গা আমি হলেও একই কাজ করতাম। এবং ঠিক বলেছেন আমাদের ছোটবেলার কিছু ঘটনা আছে যেগুলো চাইলেও ভুলে যাওয়া সম্ভব না। ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা।।
ঠিকই বলেছেন ভাই শৈশবকাল অনেক মজার ছিল। সেই মধুময় সময়ে আমরা যে কত কিছু করেছি সেগুলো মনে পড়লেই হাসি পায়। ভাই আপনার নিজের গাছের কাঁঠাল চুরি করে খাওয়ার ঘটনা যে আমার কাছে বেশী হাস্যকর লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর শৈশব স্মৃতি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন।
আপনার ফল চুরির ঘটনা দিয়ে একটা শর্টফ্লিম বানানো যাবে। ভালো লাগে এটা জেনে সাবাই তাহলে চুরির সাথে যুক্ত। সব চোর নিজেদের অপরাদ স্বীকার করছে তাও আবার পোস্ট করে। হাহাহাহা।
যাইহোক, আপনার কাঁঠাল চুরির ঘটনা অসাধারণ ছিলো।
নিজের মানুষদের কাছে শিকার করবো কেনো ভাইয়া, আমি তো শুধু আমার গল্পটি শেয়ার করেছি, আর চুরি তো করিনি ভাইয়া, একটু না বলে নিয়েছিলাম..🤭🤭
ধন্যবাদ ভাইয়া অনেক সুন্দর একটি মন্তব্য করেছেন, আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো।
হাহা চুরি তো চুরি তাও আবার নিজেদের গাছের কাঠাল চুরি। হাহা হাসতে হাসতে আমি শেষ। খুব ভালো লিখেছেন আপনি। অসাধারন হয়েছে। এভাবেই এগিয়ে যান। শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া, গঠন মূলক মন্তব্য করার জন্য