@রেসিপি :ফ্রেঞ্চ ফ্রাই
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভলো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার নিজের হাতে আঁকা আরও একটি ছবি🖼️। আমি ছবি আঁকতে অনেক ভালোবাসি💞।তাই বার বার আামার নিজের আঁকা ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করি🥰।আজ তার ব্যতিক্রম।আজ আমি আপনাদের সাথে একটি রেসিপি শেয়ার করবো। আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের।
আজ আমি আপনাদের সাথে একটি রেসিপি শেয়ার করব। রেসিপিটি হল ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। রেসিপিতে আমি কিভাবে তৈরি করেছি তা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব এখন। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করে দেই।
রেসিপিটি তৈরি করতে আমার যা যা উপকরণ লেগেছে তা হল :
১.আলু
২.লবণ
৩.শুকনা মরিচ
৪.ধনেপাতা
৫. কর্নফ্লাওয়ার
৬.সয়াবিন তেল
এবার আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আমি কিভাবে এই রেসিপিটি তৈরি করেছি উপকরণগুলো ব্যবহার করে:
প্রথমে আমি চারটি আলো নিয়েছি ছাল ছিলে।
এরপর আমি আলুগুলো একটু মোটা করে কেঁটে নিয়েছি।
এরপর আমি একটি কড়াইয়ে পানি এবং লবণ দিয়ে কেটেঁ রাখা আলু সিদ্ধ করে নিয়েছি প্রায় তিন মিনিটের মত।
৩ মিনিট পর করাই থেকে আলু গুলো নামিয়ে নিয়েছি এবং একটি ছাঁকনির মাধ্যমে পানিগুলো ছেঁকে নিয়েছি।
এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করেনিয়েছি এবং সেখানে কেটে রাখা, সিদ্ধ করে নেওয়া আলু গুলো ভেঁজে নিয়েছি। আমার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই রেডি হয়ে গেছে।
এরপর আমি দুটো শুকনো মরিচ তেলের মধ্যে ভেজে নিয়েছি।
এরপর একটি বাটিতে আমি ভেজে রাখা দুটো শুকনো মরিচ, লবণ ও ধনেপাতা কুচি করে নিয়েছি এবং মেখে নিয়েছি।
মেখে রাখা মসলাটিতে আমি আমার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এগুলো দিয়ে সবগুলো ভালোভাবে মেখে নিয়েছি।
আমার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই রেসিপি তৈরি।
আপনারা চাইলে এটি সস দিয়েও খেতে পারেন। কিন্তু আমার কাছে এভাবে লবণ মরিচ দিয়ে বেশি ভালো লাগে, তাই সস দিয়ে খাইনি।
তো বন্ধুরা আজ এখানেই শেষ করছি। আমার রেসিপ টি আপনাদের কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
hr>
আমি তাইয়্যেবা সরকার শ্যামা। আমি বাঙ্গালী। বাঙ্গালী হিসেবে আমি গর্ব বোধ করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ি। আমি ঘুরতে ভালোবাসি। সময় পেলে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে ঘুরি। আমি ছবি আঁকতে এবং নতুন কিছু তৈরি করতে ভালোবাসি। বই পড়তেও ভালো লাগে। এছাড়াও আমি অন্যের মতামতকে সম্মান করি। নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পছন্দ করি। সবসময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করি এবং নিজের জীবনে তা প্রয়োগ করার চেষ্টা করি।সাংস্কৃতিক বিষয় গুলো আমার ভালো লাগে।
বিষয়: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই রেসিপি
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ....
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমার খুব পছন্দের। আমার পছন্দের একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। তবে সব সময় ফ্রেঞ্চ ফ্রাই টমেটো সস দিয়ে খাওয়া হয়েছে। শুকনা মরিচ এবং ধনেপাতা দিয়ে এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি। এভাবে একদিন ট্রাই করে দেখব। মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ, ট্রাই করে দেখতে পারেন
ফ্রেন্স ফ্রাই আমার অনেক পছন্দের একটি খাবার ।আমি মাঝে মাঝে তৈরি করে খাই । তবে আপনার মত এভাবে কখনো তৈরি করা হয়নি । ধনিয়া পাতা ও শুকনো মরিচ দিয়ে ফ্রেন্স ফ্রাই মাখানো কেমন লাগে জানি না তবে আলু তো খেতে ভালই লাগবে ।
আপু আপনার পোস্টে একটা ভুল রয়েছে । প্রথম উপরে যে প্যারাটা লিখেছেন সেখানে ভুল আছে । আপনি করেছেন রেসিপি পোস্ট অথচ লিখে রেখেছেন আর্ট পোস্ট শেয়ার করব এটা কষ্ট করে ঠিক করে দিয়েন ।
ধন্যবাদ আপনাকে আমার ভূলটি ধরিয়ে দেয়ার জন্য।
ফ্রেন্স ফ্রাই খেতে আমি ও আমার ছেলে খুব পছন্দ করি। বাসায় তৈরি করা হয় খুব কম তবে বাহিরে গেলে বেশিরভাগ সময় খাওয়া হয়। অনেক দিন হয়েছে বাসায় বানানো হয়না। আপনি খুব সুন্দর ভাবে ফ্রেন্স ফ্রাই বানানোর পদ্ধতি তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার অনুভুতি তুলে ধরার জন্য।
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমার খুবই পছন্দ, আমি যখন কিছু অর্ডার করি সাথে এটি খেতে পছন্দ করি। আপনি আমার পছন্দের একটা খাবার তৈরি করার প্রসেস দেখিয়েছেন খুব ভালো লাগলো আপনার আজকের পোস্ট।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। আপনার রেসিপি টা দেখে জিভে জল চলে এসেছে। রেসিপি টা দেখেই টেস্ট করতে ইচ্ছা করছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
ধন্যবাদ আপনাকে। দোয়া করবেন আমার জন্য।
ফ্রেন্স ফ্রাই আমারও খুব প্রিয়।
বিশেষ করে বিকেলের নাস্তায় হলে খুব ভালই লাগে খেতে।
আপনার প্রস্তুত প্রণালী দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব মজা হয়েছিল।
তবে একটু ঝাল ঝাল হলে খেতে কিন্তু একটু বেশি মজা হয়।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার অনুভূতি তুলে ধরার জন্য।
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই গুলো যে কোন সস দিয়ে খেতে খুবই মজা লাগে। আমি তো বেশিরভাগ সময় টমেটো সস দিয়েই খাই এগুলো খেতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আপনি বেশ সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে রেসিপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপু।
ধন্যবাদ আপনাকে।