" ধানক্ষেতে মা শব্দের ফটোগ্রাফি "
সুপ্রিয়, "আমার বাংলা ব্লগের" প্রিয় বন্ধুগণ। আশাকরি পবিত্র এই মাহে রমজানের রহমত ও বরকত ময় দিনগুলিতে মহান রাব্বুল আলামিনের অসীম দয়ায় সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।
আজ আমি আপনাদের সাথে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় কিছু ফটোগ্রাফ নিয়ে হাজির হয়েছি। আপনারা হয়তো অবগত আছেন আমি আমার চাকরীর সুবাদে বর্তমান বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় অবস্থান করছি। এখানে আসার পর থেকে এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশগুলো আমাকে ভীষণভাবে আকর্ষণ করছে। তাই আমি আমার অবসর সময়ে একটু সুযোগ পেলেই আশেপাশের বিভিন্ন স্থানগুলো পরিদর্শন করার চেষ্টা করি। সেই সুবাদে আমার ঘুরে বেড়ানোর সময় ধানক্ষেতের কিছু অসম্ভব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য আমার নজরে পড়ে। সাথে সাথে আমি আর দেরি না করে সেই দৃশ্যগুলোর ফটো তুলতে থাকি। এত সুন্দর দৃশ্য আমি বাস্তবে আর কখনো প্রদর্শন করিনি। তাই আজ আমি আমার দৃষ্টিনন্দন ফটোগ্রাফ গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি । কেননা আমি এত সুন্দর দৃশ্যগুলো প্রত্যক্ষণ করেছি আর "আমার বাংলা ব্লগের প্রিয় সহযোদ্ধাগণ তা দর্শন করবে না সেটা কেমন করে হয়। তাই আমার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আপনাদেরকে ছবিগুলো দর্শন করানোর জন্য চেষ্টা করছি ।
তার পূর্বে এই ফটোগ্রাফ সম্পর্কে সামান্য একটু অবগত না করলেই নয়। আমি যেই ফটোগুলো পোস্ট করছি সেটি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার টেংরা ইউনিয়ন এর বেকাসাহহরা নামক গ্রামের শৈল্পিক কৃষক মোঃ এনামুল হক এর ধানক্ষেতের দৃশ্য। তিনি এখানে বিভিন্ন ধরনের ধানের বীজ রোপণ করে থাকেন। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হল তিনি তার ধানবীজ গুলো সাধারণ কৃষকদের মতো রোপণ করেন নি। তিনি তার ধানের বীজ এমনভাবে রোপন করেছেন যেখানে "মা" কথাটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ভাবে ফুটে উঠেছে। তার ধানের জমিটি একেবারে রাস্তার সাথে বিদায় যে কেউ এই রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করে সবার নজরে খুব সহজে তা দৃশ্যমান হয়, আর সবাই এক পলক দেখে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকে এবং কিছুক্ষণের জন্য হলেও থমকে দাঁড়ায় আর যে যার মতো ফটোশপ করতে থাকে। আমার বেলায়ও তাই ঘটেছে। আমি এই ধান ক্ষেতের পাশ দিয়ে যাওয়ার কিছু আগ মুহূর্তেও ভাবিনি যে এমন একটি দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য আমার নজরে পড়বে। সত্যিই আমি অনেক ভাগ্যবান যে এমন একটি দৃশ্যের সাক্ষী হয়ে আপনাদের সাথে তা শেয়ার করতে যাচ্ছি । বুঝতে পারছি, আপনাদের আর ধৈর্যের বাঁধ মানছে না ছবিগুলো দেখার জন্য। তাই চলুন আর দেরি না করে আপনাদের জন্য ধাপে ধাপে সব ছবিগুলো শেয়ার করে দিচ্ছি।*
| কৃষক মোঃ আবু এনামুল হকের ধানক্ষেতে " মা শব্দের ফটোগ্রাফি " লোকেশন: বেকাসাহরা টেংরা শ্রীপুর গাজীপুর |
|---|
আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তীতে আবারও হাজির হবো ইনশাল্লাহ নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে। সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় আজ এ পর্যন্তই। ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
| ফটোগ্রাফার : @hsiddiqui79 ফটোগ্রাফি স্মার্ট ফোন : SYMPHONY Z30 |
|---|
স্থান: সোর্স
আল্লাহ হাফেজ
আমি @hsiddiqui79 "আমার বাংলা ব্লগের"একজন সদস্য এবং পেশায় একজন ব্যাংকার। সবার একান্ত স্নেহ ও ভালবাসাই আমার কাম্য।
খুব চমৎকার তো।কালো জে ধান এর গাছ গুলও আছে,এগুলোকে আমাদের এলাকায় সাইল্লা ধান বলে।জিনিনেই কাজটি করেছে মানতে হবে বুদ্ধি আছে ওনার আর আপনার ফটোগ্রাফি গুলও সুন্দর হয়েছে।
জ্বি ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন। দুই ধরনের ধানের বীজ দিয়ে এই মা শব্দটি তৈরি করা হয়েছে। অবশ্যই তার চিন্তাশক্তির প্রশংসা করতে হবে । আমি মনে করি এই সৃজনশীলতার জন্য কৃষক ভাইকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা উচিত ।
খুবই সুন্দর লাগছে, সত্যি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। মা শব্দটি মধুর শব্দ, আর এই শব্দটি ধানক্ষেতে এত সুন্দরভাবে তৈরি করা দেখতে খুবই ভালো লাগলো।আপনার ফটোগ্রাফি খুবি ভালো লেগেছে।
প্রকৃতপক্ষেই শৈল্পিক ভাইয়ের প্রশংসা করতে হয়। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দক্ষতার সাথে কাজটি করেছেন দেখতেও বেশ চমৎকার লাগছিলো । ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য ।
আজকে আপনি আমাদের মাঝে খুবই দারুন একটি জিনিস প্রদর্শন করলেন ভাইয়া। ধানক্ষেত দিয়ে খুবই সুন্দর একটি শব্দ লিখেছে ওই কৃষক। মা শব্দটি আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় তাই হয়তো বা কৃষক এনামুল হক তার মাকে স্মরণ করার জন্য ধান ক্ষেতের মধ্যে শব্দটি কে লিখেছেন।