আমার বাংলা ব্লগ কবিতা উদ্যোগ।। অণু কবিতার আসর-১৩২
আমার বাংলা ব্লগের নতুন উদ্যোগ- অনু কবিতায় সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। এটা সম্পূর্ণ সৃজনশীল একটি উদ্যোগ, যেখানে সবাই নিজের ভেতরের প্রতিভাবে একটু ভিন্নভাবে ফুটিয়ে তোলার সুযোগ পাবে। নিজের মনের ভাবকে একটু ছন্দময় কিংবা সহজভাবে কাব্যিক রূপে প্রকাশ করতে হবে। বিষয়টি যেন আরো বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠে সেই জন্য প্রতিদিন পাঁচজনকে $২.০০ ডলার করে মোট $১০.০০ ডলার এর ভোট দেয়া হবে। তবে যারা নিয়ম মেনে অংশগ্রহণ করবে পুরস্কারের ক্ষেত্রে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এবিবি-ফান এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহের দুই দিন যথাক্রমে শুক্রবার ও রবিবার দুটি পোষ্ট শেয়ার করা হবে, যেখানে লেখকের পছন্দ অনুযায়ী ৪/৬ লাইনের অনু কবিতা সংযুক্ত থাকবে। তার সাথে কবিতা সম্পর্কে লেখকের অনুভূতি থাকবে, যাতে ইউজাররা কিছুটা আইডিয়া নিতে পারে কবিতার বিষয়বস্তু সম্পর্কে। তারপর ইউজারদের কাজ হবে অনু কবিতার লাইনগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজের মতো করে আরো ৪/৬ লাইনের অনু কবিতা লেখা।
এখানে একটা বিষয় অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে, শব্দের জটিলতা কিংবা অর্থের গভীরতা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে হবে না বরং সহজভাবে আপনার মনের ভাবটাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে এবং কবিতার বিষয়বস্তুর প্রতি লক্ষ্য রেখে কবিতাটিকে পূর্ণতা দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। আমরা কঠিন কিংবা দুর্বোধ্য শব্দ দেখবো না বরং আপনি কবিতাটিকে কতটা সুন্দরভাবে পূর্ণতা দেয়ার চেষ্টা করেছেন, সেটা দেখার চেষ্টা করবো। আশা করছি সবাই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। আমার বাংলা ব্লগের কবিতা উদ্যোগে সকলের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছি।
আজকের অনু কবিতা
ভোরের কুয়াশা ঢাকা ওই মেঠো পথে,
আমি বিরতিহীন হেঁটে চলি।
কতো ফসলের মাঠ পার হয়ে যায়,
কতো পাখির কলতান পিছে পড়ে রয়,
তবু আমার মনের তৃষ্ণা মেটে না,
তবু আমার চলার শেষ হয় না।
লেখক
লেখক এর অনুভূতি:
এখানে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে। এখানে লেখকের প্রকৃতির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে।
অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
- উত্তরটি সর্বোচ্চ ৫০ শব্দের মাধ্যমে দিতে হবে।
- একজন ইউজার শুধুমাত্র একবারই উত্তর দিতে পারবে।
- অন্যের উত্তর কপি করা যাবে না।
- উত্তর/কমেন্টটি অবশ্যই উপরের কবিতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে করতে হবে।
- এডাল্ট উত্তর/কমেন্ট দেয়া যাবে না।
- পোষ্টটি অবশ্যই রিস্টিম করতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
| আমার বাংলা ব্লগের ডিসকর্ডে জয়েন করুনঃ | ডিসকর্ড লিংক |
|---|
কুয়াশা ঢাকা মেঠো পথে
ছুটছি অবিচল
চারিদিকে সবুজ যেন
করছে কোলাহল
ফুলের সৌরভ পাখির গানেও
তৃষ্ণা মেটে না,
পাহাড় নদী বন পেরিয়েও
চলার শেষ হয় না।
চলতে চলতে ক্লান্ত আমি
আবার শীতের ভোরে,
শিশির ভেজা দূর্বাঘাসে
আছি ভীষণ ঘোরে।
আর কতদিন চলতে হবে
ঘোরের মাঝেই ভাবি,
এই পথে কেউ তালা দিয়ে
দাও না আমায় চাবি।
♥♥
আমি নিজে ভালো লিখতে পারিনা। কবিতা খুব একটা ভালো বুঝিও না। তবে আপনার লেখা আমার বরাবরই ভালো লাগে। দারুণ লিখেছেন।
আপু আপনার লেখাগুলো তো সবসময় অনেক ভালো হয়। অনেক সুন্দর হয়েছে আজকের লেখাটিও। কবিতার লাইন গুলো এত সুন্দর হলে টা বার বার পড়তেও ভালো লাগে।
ভোরের শিশির ভেজা রোদেলা পথে,
আমি সীমাহীন হেঁটে চলি।
কত সুউচ্চ দাঁড়িয়ে থাকা গাছের পাশ কাটিয়ে,
কত দিগন্তজোড়া ধূ-ধূ মাঠ পেরিয়ে,
আর বহমান নদীর জলরাশি ছাড়িয়ে,
তবুও আমি বিরামহীন সীমানা না মেপে,
হেঁটে চলি সব ক্লান্তিকে নিবৃত্তি না দিয়ে।
চমৎকার লিখেছেন। আপনার কবিতা লেখার দক্ষতা রীতিমতো ঈর্ষণীয়।
আপনার ঈর্ষণীয়তা আমার কবিতা লেখার জন্য অনুপ্রেরণা ও অহংকার ভাইয়া, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কুয়াশার চাদরে ঢাকা প্রকৃতি
হৃদয়ে জাগায় ভালোবাসার অনুভূতি
শিশির ভেজা ঘাস আর প্রকৃতির মাঝে
নিজেকে বিলীন করতে ভালো লাগে।
সবুজ শ্যামল ফসলের মাঠ
আর আঁকাবাঁকা মেঠো পথ
অনন্তকাল চলতে চাই
প্রিয় তোমার হাত ধরে
চলনা প্রিয় বেরিয়ে পড়ি
প্রকৃতির সৌন্দর্যে বিলীন হতে
কোন এক কুয়াশা ভেজা ভোরে।
আপনার কবিতায় প্রকৃতি প্রেমের সাথে মানব প্রেম ও মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। বেশ ভালো লিখেছেন।
নিস্তব্ধ সকাল ভোরের কুয়াশা
গন্তব্যে যেন শেষ হয় না
দুচোখ দুদিকে চলে যায়
তাও এই পথ যেন শেষ না হয়
কৃষকের মুখে হাসি ফুটে ওঠে
মাঠ ভরা ফসলের ছোয়ায়
চারিদিকে প্রকৃতির সুন্দর মুগ্ধতা
পাখির কলতান
মানুষের মনকে মুগ্ধ করে তোলে
দারুন হয়েছে কবিতার লাইনগুলো।
আমি দিগ্ববিদিক ঘুরে দেখি ফসলের মাঠ,
সবুজ সোনালী ধানের রং।
আমি মুগ্ধ হয়, বাংলার রপসী রূপ দেখে।
তবে এ মুগ্ধতা যেন আমাকে তৃষ্ণার্ত করে তোলে,
নতুন দিন, নতুন বাংলার রূপ দেখবো বলে,
আরও একটি রাত বেচেঁ থাকি এ ধরায়।
অসাধারণ হয়েছে আপনার অনু কবিতাটি। আপনি তো যথেষ্ট ভালো কবিতা লিখেন দেখছি।
চেষ্টা করছি ভাইয়া আপনাদের কাছ থেকে শেখার 🍀
গাছগাছালি আপন মনে দোল খায়,
ধানের শীষে বাতাসের ঢেউ বয়ে যায়,
সীমাহীন আকাশ যেন শেষ দূর অজানায়,
ফসলের মাঠ শেষে তাকে খোঁজা যায়।
প্রকৃতি তাহার রূপে মুগ্ধ করেছে আমায়,
এত রূপ সে কোথায় পায় আমি তারে শুধাই,
তোমার তরে ঠাঁই দিও মোরে জীবনের অন্তিমে,
তোমাকে পেয়েছি বলেই মোরা থাকি সুখে শান্তিতে।
সৃষ্টির ভালোবাসা, প্রাকৃতিক রমণ,
পাখির গানে, বাতাসে বনে।
বৃষ্টির ছায়ায়, মেঘের হৃদয়,
সৃষ্টির সৌন্দর্য, অতীত বর্তমানে।
ভুবনের রঙে, সূর্যের স্বপ্নে,
সবুজ পাতার শেষ দৃষ্টি, স্নেহে।
গঙ্গার ধারায়, মেঘময় আকাশে,
প্রকৃতির কাছে মোহন, হৃদয় ভরে।
পুষ্পের মাধুর্য, বনের শান্তি,
প্রকৃতির সাথে লগে, মন খুলে।
হরিত ঘাসে, সোনালি ধূপে,
বাসন্তের ছন্দে, প্রেমে মেতে।
সৃষ্টির কথা গায়, প্রেমের গান,
প্রকৃতির সাথে, আমাদের আত্মা এক।
কাঁপা কাঁপা স্বরে চাদর গায়ে দিয়ে,
চলেছি আমি এই মেঠো পথ ধরে।
পাখির কলতান শুনে, কিছু সময় দাঁড়িয়ে
দেখলাম এক ঝাঁক পাখি পড়লো ফসলের বনে।
শীতের এই সুন্দর সকালে
গন্তব্য কোন দিকে তা নেই মনে,
চলেছি শুধু এই পথ ধরে,
অজানা গন্তব্যের তরে।
শীতের সকালে মেঠো পথ ধরে হাঁটার মাঝে আলাদা রকমের প্রশান্তি আছে। দাদা আপনার লেখা কবিতার লাইন গুলো চমৎকার হয়েছে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আমার শেয়ার করা অনু কবিতাটির এত সুন্দর প্রশংসা করার জন্য।
ভোরের শিশির কুয়াশা ঢাকা সকাল
এম সুন্দর প্রকৃতির মাঝে আমি খুঁজি সুখ,
সবুজ শ্যামল অপরুপ বাংলার সুন্দর
খুঁজে পাই দেখলে কৃষকের মুখ।
শীতের সকালে
গ্রাম বাংলাকে রেখেছে মুগ্ধ করে,
কৃষক রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে
তারাই বাংলার নায়ক, তারাই বাংলার গর্ব।
তৃষ্ণার্ত চোখে আমি খুঁজে যাই
সকালের সূর্য উঁকি দিয়ে যায়।
মন বলে আছে আরো দেখার বাকি
হাতছানি দিয়ে ডাকে আমায় সবুজের মায়ায়।
কৃষকের চোখে মুখে আনন্দের হাসি
সোনালী ফসল মাঠে রাশি রাশি।
নতুন ফসল কাটবে এবার
নবান্ন উৎসব হবে সবার ।